কালকেতু (ও ভাড়ুদত্ত) চরিত্র বিশ্লেষণ ক’রে চরিত্র সৃষ্টিতে মুকুন্দরামের সাফল্যের পরিমাণ নির্ধারণ করো।
কালকেতুর চরিত্র প্রাচীন ও মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে যে সকল গুণের কারণে কবিকঙ্কণ মুকুন্দ চক্রবর্তীকে শ্রেষ্ঠ কবিরাপে চিহ্নিত করা হয়ে থাকে, তাদের মধ্যে তাঁর চরিত্র সৃষ্টির নৈপুণ্যকে অন্যতম হিসেবে গ্রহণ করা হয়। মনীষী সমালোচকদের অনেকেই মন্তব্য করেছেন যে, কবিকঙ্কণ একালে জন্মগ্রহণ করলে সম্ভবত কবি না হ’য়ে ঔপন্যাসিক হতেন। উপন্যাসে যে সকল উপাদান ও লক্ষণ বর্তমান, ...
বিভিন্ন দেবদেবীর চরিত্র সৃষ্টিতে কবিকঙ্কণ যে সার্থকতার চিহ্ন রেখেছেন, তার পরিচয় দাও।
প্রাচীন ও মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে যে সকল গুণের কারণে কবিকঙ্কণ মুকুন্দ চক্রবর্তীকে শ্রেষ্ঠ কবিরাপে চিহ্নিত করা হয়ে থাকে, তাদের মধ্যে তাঁর চরিত্র সৃষ্টির নৈপুণ্যকে অন্যতম হিসেবে গ্রহণ করা হয়। মনীষী সমালোচকদের অনেকেই মন্তব্য করেছেন যে, কবিকঙ্কণ একালে জন্মগ্রহণ করলে সম্ভবত কবি না হ’য়ে ঔপন্যাসিক হতেন। উপন্যাসে যে সকল উপাদান ও লক্ষণ বর্তমান, তাদের মধ্যে ...
‘কালকেতুর উপাখ্যানে’ কবিকঙ্কণের গল্পরস ও কৌতুক সৃষ্টির দক্ষতার পরিচয় | কবি মুকুন্দের ‘চণ্ডীমঙ্গল কাব্যে’ হাস্যরস ও লঘু কৌতুক
‘কালকেতুর উপাখ্যানে’ বর্ণিত যে কোন দুইটি ঘটনার সাহায্যে কবিকঙ্কণের গল্পরস ও কৌতুক সৃষ্টির দক্ষতার পরিচয় দাও। কবি মুকুন্দের ‘চণ্ডীমঙ্গল কাব্যে’ হাস্যরস ও লঘু কৌতুক যে নিদর্শন পাওয়া যায়, তার পরিচয় দাও। চণ্ডীমঙ্গল কাব্যে হাস্যরস আধুনিক পূর্ব যুগের বাংলা সাহিত্যে নির্মল শুভ্র হাস্যরসের পরিচয় আমরা পাইনে বল্লেই চলে। বস্তুতঃ রবীন্দ্রনাথ বঙ্কিমচন্দ্রকে যে জাতীয় নির্মল শুভ্র হাসারসের ...
“মুকুন্দরাম দুঃখের কথায় পঞ্চমুখ বটেন, তবু তাঁহাকে নৈরাশ্যবাদের কবি বলা যায় না।” কালকেতুর উপাখ্যানের সামগ্রিক রসাবেদনের আলোকে এই মন্তব্যটি সমর্থন অথবা প্রত্যাখ্যান করো।
“দুঃখ দৈন্যের ভাষাচিত্র অঙ্কনে মুকুন্দরামের কৃতিত্ব অসাধারণ হলেও সমগ্রভাবে মুকুন্দরাম দুঃখবাদের কবি নন।”- ‘চণ্ডীমঙ্গল’ কাব্যের প্রথম খণ্ডের আলোচনা প্রসঙ্গে উক্তিটি বিচার করো। দুঃখ-দারিদ্র্যের চিত্র অঙ্কনে অসাধারণ দক্ষতা সত্ত্বেও দুঃখবাদ নয়, জীবনরসের উপভোগই মুকুন্দরামের স্বভাব ধর্ম। এই উক্তির সঙ্গতি বিচার করো। চণ্ডীমঙ্গল কাব্যে দুঃখবাদ বহুদর্শী প্রাচীন আলঙ্কারিকগণ সুকাব্যের লক্ষণ নির্ণয় করতে গিয়ে একটি অতিশয় মূল্যবান কথা ...
“বাঙ্গালা দেশের এবং বাঙ্গালী মানুষের এমন পরিপূর্ণ চিত্র বাঙ্গালা সাহিত্যের আর কোথাও মিলে কিনা সন্দেহ।” ‘কবিকঙ্কণ চণ্ডী’ বিষয়ে উদ্ধৃত এই উক্তিটির যাথার্থ্য বিচার করো।
“এ যুগে জন্মগ্রহণ করিলে তিনি যে কবি না হইয়া একজন ঔপন্যাসিক হইতেন, তাহাতে সংশয়মাত্র নাই।”- কবিকঙ্কণ মুকুন্দ চক্রবর্তী সম্পর্কে এই উক্তিটির যাথার্থ্য নিরূপণ করো। সে যুগে উপন্যাস রচনা সম্ভব হলে কবিকঙ্কণ একজন ঔপন্যাসিকরূপে পরিচিত হতে পারতেন—প্রচলিত এই ধারণার পিছনে কোনো যুক্তি আছে কি না তা’ তার চণ্ডীমঙ্গল (কালকেতু উপাখ্যান) অবলম্বনে স্থির করো। চণ্ডীমঙ্গল কাব্যে ঔপন্যাসিক ...
