‘ফুল্লরার বারমাস্যা’ বর্ণনায় কবি বাস্তবতা ও সামাজিকতাবোধের এবং চরিত্রচিত্রণাদি যে সকল গুণের পরিচয় দিয়েছেন, তার পরিচয় দাও।

“ফুল্লরার বারমাস্যা’ অংশটির জন্য মুকুন্দরামকে কি দুঃখবাদী কবিরূপে অভিহিত করা যায়? মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে বাস্তবধর্মী রচনার উজ্জ্বলতম দৃষ্টাপ্ত কবিকঙ্কণ-রচিত ‘চণ্ডীমঙ্গল’ কাব্যের ‘ফুল্লরার বারমাস্যা’। দেবী চণ্ডী ব্যাধ-সস্তান কালকেতুর প্রতি অনুগ্রহ প্রদর্শনের জন্য ছদ্মবেশে এক ষোড়শী রূপসীরূপে তার গৃহে দেখা দিয়েছেন। কালকেতু-পত্নী অকস্মাৎ তাঁকে দেখে চমকিত হ’লে এমন দ্ব্যর্থবোধক ভাষায় দেবী তার পরিচয় দিলেন, যা থেকে ফুল্লরার ...

Read more

“বনের পশুরাও মুকুন্দরামের কাব্যে মানবিক মর্যাদা লাভ করেছে”— ‘কবিকঙ্কণ চণ্ডী’ থেকে প্রসঙ্গ নির্দেশ করে বিষয়টি আলোচনা করো।

‘চণ্ডীমঙ্গল’ কাব্যে পশুদের ক্রন্দন ‘চণ্ডীমঙ্গল কাব্য’-এর দেবী চণ্ডী ছিলেন মূলত বন্য পশুদের অধিষ্ঠাত্রী। এই কারণেই দেখা যায় বনের পশুদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে দেবী চণ্ডীর রয়েছে অতিশয় সক্রিয় ভূমিকা। কাব্যে দুইবার পশুদের সঙ্গে চণ্ডীকে দেখতে পাওয়া গেছে। দেৱী চণ্ডী মর্ত্যলোকে প্রথম পূজা গ্রহণ করেন কলিঙ্গরাজের। সেখান থেকে ফেরবার পথে বিজুবনে পশুরা সব চণ্ডীর দর্শন পেলো। তারা ...

Read more

কালকেতুর ভোজনের একটি মনোজ্ঞ বিবরণ দাও এবং এই রচনার মধ্য দিয়ে কবিকঙ্কণের প্রতিভা বৈশিষ্ট্যের কী পরিচয় পাওয়া যায় আলোচনা করো।

কালকেতুর ভোজন কবিকঙ্কণ মুকুন্দ চক্রবর্তী সম্বন্ধে সুধী সমালোচকগণ যে সকল মন্তব্য প্রকাশ করেছেন, তাতে একটি বিষয়ে সকলেই অভিন্নমত যে কবি মুকুন্দ ছিলেন বাস্তব রসের কারবারী। বক্তৃত সুক্ষ্ম পর্যবেক্ষণ শক্তির সহায়তায় তিনি সমাজ-জীবনকে খুব ভালো করেই চিনেছিলেন এবং তাকে যথাযোগ্যভাবেই তার চণ্ডীমঙ্গল কাব্যে উপস্থাপিত করেছেন। এই কারণেই বাস্তবতা তাঁর কাব্যে এত স্বাভাবিকভাবেই ধরা পড়েছে। কিন্তু এই ...

Read more

‘নিদয়ার সাধভক্ষণ’ অবলম্বনে মুকুন্দরামের সাংসারিক জ্ঞান ও মানবিকতাবোধের পরিচয় দাও।

নিদয়ার সাধভক্ষণ মর্ত্যলোকে দেবী চণ্ডীর পূজা প্রচার করবার উদ্দেশ্যে মহাদেব এক ছলনার আশ্রয় নিয়ে ইন্দ্রপুত্র নীলাম্বরকে ব্যাধসন্তান-রূপে জন্মগ্রহণ করবার অভিশাপ দান করেন। তদনুযায়ী নীলাম্বর দেহত্যাগ করলে দেবী চণ্ডী এক বৃদ্ধা ব্রাহ্মণীর ছদ্মবেশ ধারণ করে ধর্মকেতু ব্যাধের গৃহে ব্যাধপত্নী নিদয়ার কাছে পৌঁছুলেন—উদ্দেশ্য একাদশী উপবাসের পর পারণ করবেন। নিদয়া যথাযোগ্য সম্ভ্রম প্রদর্শন করলে দেবী নিদয়াকে পুত্রবর্তী হবার ...

Read more

ইন্দ্র-পুত্র নীলাম্বরের ব্যাধরূপে জন্মগ্রহণের কারণ বর্ণনা করো।

নীলাম্বরের কালকেতু-রূপে জন্মগ্রহণ দক্ষযজ্ঞে সতী দেহত্যাগ ক’রে উমা-পার্বতীরূপে হিমালয়-গৃহে মেনকা গর্ভে জন্মগ্রহণ করেন এবং এজন্মেও মহাদেবের সঙ্গে বিবাহিতা হন। বিবাহের পর মহাদেব ঘরজামাই হ’য়ে হিমালয়েই রয়ে গেলেন। এখানে কিছুকাল পর মা মেনকার সঙ্গে ঝগড়া ক’রে পার্বতী পতিগৃহ কৈলাসে চলে আসেন স্বামী-পুত্রসহ মহাদের সংসার যাত্রা নির্বাহের জন্য ভিক্ষাবৃত্তি অবলম্বন করেন কিন্তু তাতেও সংসারের অভাব দূর হয় ...

Read more