কালকেতু-কাহিনীতে ভাড়ুদত্তের ভূমিকাটি বিশ্লেষণ ক’রে তার চরিত্র-বৈশিষ্ট্যটি পরিস্ফুট করো।
ভাড়ুদত্তের কাহিনী / ভাড়ুদত্তের পরিণতি দেবী চণ্ডীর কৃপাই ব্যাধসস্তান কালকেতু প্রচুর ধনের অধিকারী হ’য়ে বন কেটে গুজরাট নগর পত্তন করে, কিন্তু তথায় কোনো প্রজা না আসায় কালকেতু দেবীর শরণ গ্রহণ করে। দেবী তখন কলিঙ্গ রাজ্যে বন্যা বইয়ে দিলেন। সেই বন্যায় যখন প্রজারা সর্বস্বান্ত হয়ে হা হুতাশ করছে, তখনই আমরা ভাড়ুদত্তকে দেখতে পাই। ভাড়ুদত্ত দুঃখ ক’ৱে ...
‘গুজরাট নগর পত্তনে’ মুকুন্দরামের সমাজ চেতনা ও অসাম্প্রদায়িক দৃষ্টিভঙ্গীর পরিচয় | ‘গুজরাট নগর পত্তন’ অংশটির কাব্যসৌন্দর্য বিশ্লেষণ করো।
গুজরাটে বিভিন্ন জাতির আগমন ডিহিদার মামুদ সরীফের অত্যাচারের মধ্য দিয়ে কবিকঙ্কণ মুকুন্দ চক্রবর্তী সামস্ততান্ত্রিক পরিবেশে কৃষকপ্রজার দুর্দশার চিত্র প্রত্যক্ষ করেছিলেন। এই অপব্যবস্থার শিকার হ’য়ে কবি মুকুন্দকেও সাত পুরুষের ভিটে ত্যাগ করে অনির্দেশের পথে পাড়ি জমাতে হয়েছিল। অব্যবস্থার স্বরূপ তিনি নিজে উপলব্ধি করেছিলেন বলেই কবির পক্ষে একটি আদর্শ সমাজব্যবস্থার কল্পনা করা সম্ভবপর হ’য়েছিল। কালকেতু দেবী চণ্ডীর ...
বণিকসহ কালকেতুর কথোপকথন’ এবং ‘কালকেতুর’ অঙ্গুরী বিক্রয়’—উপাখ্যান দুটি সংক্ষেপে বিবৃত করো।
মহাদেবের সঙ্গে ঝগড়া ক’রে ঘর থেকে বেরিয়ে আসতে চাইলে দেবী পার্বতীকে সখী পদ্মাবতী মর্ত্যলোকে তার নিজের পূজা প্রচার করবার পরামর্শ দিলেন। এই পরামর্শ অনুযায়ী দেবী মহাদেবের সহায়তায় ইন্দ্রপুত্র নীলাম্বরকে শাপ দিয়ে মর্ত্যলোকে কালকেতু ব্যাধরূপে পাঠিয়ে দিলেন– দেবীর উদ্দেশ্য, এই কালকেতু ব্যাধের মাধ্যমেই মর্ত্যে তার পুজা প্রচার করা হবে। একদিন কালকেতু বনে গিয়ে কোনো শিকার না ...
কালকেতুর উপাখ্যান অবলম্বনে ব্যাধ জীবনের একটি যথাযথ বিবরণ দাও।
দেবী পার্বতী যখন শিবের সঙ্গে ঝগড়া করে সংসার ত্যাগ করতে মনস্থ করেন, তখন তার সখী পদ্মাবতী তাকে ভবিষ্যতে মর্ত্যলোকে কীভাবে তাঁর পূজা প্রচারিত হ’বে তার ইতিহাস শোনাচ্ছিলেন। তিনি বলেছিলেন- ‘প্রথম কলির অংশে জন্মাবে আবেটি বংশে মহেন্দ্রনন্দন নীলাম্বরি। ছলিয়া অবনি আনি নিবে তার পুষ্প পানী অবশেষে নিবে নিজ পুরে।।’ এখানেই আমরা প্রথম জানতে পারছি যে দেবীর ...
চণ্ডী ও ফুল্লরার কথোপকথন-অবলম্বনে উভয়ের চরিত্রের অভিনবত্ব কোথায় তা’ দেখাও। ফুল্লরার বারমাসের দুঃখ বর্ণনায় কবির কৃতিত্ব বিচার করো।
ছদ্মবেশিনী চণ্ডী ও ফুল্লরা স্বামী মহাদেবের সহিত ঝগড়া করে দেবী পার্বতী তথা চণ্ডী যখন পতিগৃহ কৈলাস ত্যাগ ক’রে যেতে চাইলেন, তখন তার সখী পদ্মাবতী তাকে মর্ত্যলোকে তার পূজা প্রচার করবার পরামর্শ দিল দেবী স্থির করলেন যে মর্ত্যলোকে তার পূজা প্রচারের জন্য বাহন করবেন একটি ব্যাধসস্তানকে। তদনুযায়ী তিনি মহাদেবের সাহায্য নিয়ে ইন্দ্রপুত্র নীলাম্বরকে শাপগ্রস্ত ক’রে মর্ত্যলোকে ...
