‘আগমনী-বিজয়া’র পদে যে বিরহের চিত্র | “শাক্তপদাবলীতে নবমী রজনী যেন বৈষ্ণব পদাবলীর অর্জুরের ভূমিকা গ্রহণ করিয়াছে”—আলোচনা করো।
নবমী নিশি বর্ণনায় শাক্তপদকর্তাগণ বৈষ্ণব পদাবলীর প্রকৃত সমাপ্তি বিরহের মধ্য দিয়ে শাক্তপদাবলীর ‘আগমনী বিজয়া’ পর্যায়ে যে কাহিনীটি বর্ণিত হয়েছে তারও সমাপ্তি বিরহের মধ্য দিয়ে। বৈষ্ণব পদাবলীতে এই বিরহ/প্রবাস বা মাথুরের তিনটি রূপ– ভূত, ভবন ও ভাবী। শাক্তপদাবলীতে ভবন বিরহ ও ভাবী বিরহের রূপ বর্তমান। এতে ভূত-বিরহ নেই, কিন্তু চণ্ডীদাসের পদে শ্রীমতী রাধিকার চিত্রাঙ্কনে যেমন মিলনেও ...
“বাৎসল্যরসের সৃষ্টি ও প্রকাশে শাক্তপদকর্তাগণ বৈষ্ণবপদ-কর্তাগণ অপেক্ষা অনেক বেশি কৃতিত্বের অধিকারী।”—উক্তিটি বিচার করো।
‘আগমনী’ ও ‘বিজয়া’ বিষয়ক পদগুলির মূল রসটি বুঝিয়ে দাও। এই রস সৃষ্টিতে শাক্তপদকর্তাগণের কৃতিত্ব বৈষ্ণবপদ কর্তাদের চেয়ে অনেক বেশি, এমন মনে করার সঙ্গত কারণগুলি উদ্ধৃতি সহ আলোচনা করো। আগমনী-বিজয়ার মূল রস বৈষ্ণব পদের সঙ্গে তুলনা এ কথা ঐতিহাসিক সত্য যে চৈতন্যদেবের আবির্ভাবে বাংলার বৈষ্ণব কবিতার যে জোয়ার দেখা দিয়েছিল, কালক্রমে তা স্তিমিত হয়ে গেলেও ঐ ...
“আগমনী-বিজয়া’র গানই হউক অথবা ‘ভক্তের আকৃতি’ শীর্ষক পর্যায়ের পদই হউক শাক্ত পদাবলীর সর্বত্র মাধুর্য ও ঐশ্বর্যভাবের একাত্মতা দৃষ্টিগোচর হয়।”—বিভিন্ন পর্যায়ের তিনটি পদের সাহায্যে উক্তিটির যথার্থতা সমর্থন অথবা খন্ডন করো।
শাক্তপদাবলীতে ঐশ্বর্যভাব ও মাধুর্যভাব ষোড়শ শতক মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের সুবর্ণযুগ—এ যুগের শ্রেষ্ঠ সম্পদ বৈষ্ণব কবিতা। সপ্তদশ শতকে তার অনুবৃত্তি এবং অষ্টাদশ শতকে তার বিকৃতি লক্ষ্য করা যায়। অষ্টাদশ শতকে বাংলার সমাজ দেহে যে সার্বিক অবক্ষয় লক্ষিত হয়েছিল, তার মধ্যে একটি মাত্র উজ্জ্বল আলোকরেখা দেখা গিয়েছিল সাধক কবি রামপ্রসাদের শ্যামাসঙ্গীতে সম্ভবত বৈষ্ণব কাব্যের আদর্শে রচিত হয়েছিল ...
‘আগমনী’ ও ‘বিজয়া’ পর্যায়ের শাক্তগীতিতে একই সাথে মানবিক অনুভূতি ও আধ্যাত্মিক উপলব্ধি কীভাবে কাব্যরূপ লাভ করিতেছে তাহা উদাহরণসহ বুঝিয়ে দাও।
“শাক্ত পদাবলী যুগপৎ দিবারস পিপাসা ও সাহিত্যরস পিপাসা নিবৃত্তির এক অফুরন্ত উৎস।” শাক্ত পদাবলীর আধ্যাত্মিক ও কাব্যিক মূল্য নিরূপণ কালে এই সিদ্ধান্তের সপক্ষে অথবা বিপক্ষে তোমার মতামত লিপিবদ্ধ করো। ‘শাক্ত পদকর্তাগণ সংসারমুখী প্রবণতার পাশে মাতৃনির্ভর অধ্যাত্মসাধনা ও মুক্তিকামনাকে ‘ভক্তের আকৃতি’ শ্রেণীর পদে অসাধারণ কৃতিত্বের সঙ্গে সমন্বিত করেছেন।”— অধীত পদগুলি থেকে উদ্ধৃতিসহ উক্তিটি আলোচনা করো। শাক্ত ...
শাক্ত পদাবলীতে বাঙালী পরিবারের অন্তরঙ্গ চিত্র | ‘আগমনী’ ও ‘বিজয়া’ পর্যায়ের পদ অবলম্বন করিয়া হিমালয় ও মেনকার গার্হস্থ্যজীবনের পরিচয়
“আগমনী-বিজয়ার রঙ্গভূমি বস্তুত হিমালয় বা কৈলাসপুরী নয় প্রতি বাঙালী গৃহস্থ হৃদয়ই এদের অনুভূতি ক্ষেত্র।”– আলোচনা করো। “পৌরাণিক পটভূমিকায় রচিত হলেও আগমনী ও বিজয়াসঙ্গীত বাঙালীর গার্হস্থ্য জীবনেরই সঙ্গীত।” -আলোচনা করো। ‘আগমনী’ ও ‘বিজয়া’ শীর্ষক পদাবলীতে মাতৃহৃদয়ের সুন্দর সাবলীল প্রকাশ ঘটেছে— মন্তব্যটি উদ্ধৃতিসহ আলোচনা করো। আগমনী-বিজয়ার গার্হস্থ্য জীবন পরিচয় বিভিন্ন পুরাণে দক্ষযজ্ঞে সতীর দেহত্যাগ, হিমালয়-গৃহে মেনকা গর্ভে ...
