অভিসার কাকে বলে তা ব্যাখ্যা করে এর বৈশিষ্ট্যগুলি আলোচনা করো এবং এই পর্যায়ের শ্রেষ্ঠ পদকতার পরিচয় দাও।

অভিসারপর্যায়ের পদাবলীতে আধ্যাত্মিক গৌরবের সঙ্গে রোমান্টিকতা যুক্ত হওয়ায় এর আশ্বাসে এসেছে বৈচিত্র্য- আলোচনা করো। অভিসারের অতুলনীয় কবি গোবিন্দ দাস। তার রচিত অভিসারের পদে প্রকৃতি মান আলোচনা করো। নায়কের উদ্দেশ্যে নায়িকার কিংবা নায়িকার উদ্দেশ্যে নায়কের যে গমন তাকেই বলে অভিসার। বৈষ্ণব সাহিত্যে অভিসারের পদ এক অসামান্য প্রাণরসে সঞ্জীবিত। ইংরাজী সাহিত্যে অভিসার স্বতন্ত্র। সেখানে নায়ক নায়িকার উদ্দেশে ...

Read more

বৈষ্ণব পদাবলীতে ব্যবহৃত ব্রজবুলি ভাষা সম্পর্কে আলোচনা করো।

বৈষ্ণব পদাবলীতে ব্রজবুলি ভাষা মৈথিলী বাংলা ও অবহট্ট ভাষার সংমিশ্রণে গঠিত এক কৃত্রিম অথচ মধুর সাহিত্যিক ভাষাতে বাংলা দেশে ষোড়শ শতাব্দী থেকে অষ্টাদশ শতাব্দী পর্যন্ত অসংখ্য মহাজন এবং ঊনবিংশ শতাব্দীর প্রান্তভাগে তরুণ রবীন্দ্রনাথও পদ রচনা করেন। এই কৃত্রিম ভাষাকে বলা হয় ব্রজবুলি। এই নতুন ভাষা শুনে পাঠক মনে করল যে রাধাকৃষ্ণ ব্রজে এই ভাষাতেই কথা ...

Read more

বৈষ্ণব পদাবলী সাহিত্যে পূর্বরাগ ও অনুরাগ কাকে বলে? পূর্বরাগের পদরচনায় কোন্ কোন্ কবি কৃতিত্ব দেখিয়েছেন?

পূর্বরাগের পদে চণ্ডীদাস তুলনাহীন ‘উজ্জ্বল নীলমণির’ আদর্শ অনুসারে বৈষ্ণব কবিগণ রাধাকৃষ্ণের লীলা বিষয়ক পদগুলিকে বিভিন্ন রসপর্যায়ে সজ্জিত করেছেন। পূর্বরাগ সেই রসপর্যায়ের প্রথম ধাপ। উক্ত গ্রন্থে বলা আছে- রতির্যা সঙ্গমাৎ পূর্বং দর্শনে শ্রবণাদিজা। তয়োরুন্মীলতি প্রাজ্ঞৈ : পূর্বরাগ স উচ্চ্যতে। অর্থাৎ পূর্ণ মিলনের পূর্বে প্রেমিক-প্রেমিকার পারস্পরিক দর্শন, বাক্য শ্রবণ প্রভৃতির মাধ্যমে চিত্তে যে অনুরাগ জন্মায় তাকেই পূর্বরাগ ...

Read more

বৈষ্ণব পদাবলীতে মাথুরের পর আরও একটি পর্যায় কল্পিত হয়েছে। কী সেই পর্যায় এবং সে পরিকল্পনার গুরুত্ব কোথায়? তোমার পাঠ্য তালিকা থেকে এ পর্যায়ভুক্ত পদের তাৎপর্য ব্যাখ্যা করো।

মাথুরের বিরহ কবিদেরও আচ্ছন্ন করেছে। তাঁরাও রাধার এই বিরহকে সইতে না পেরে এক অভিনব উপায় গ্রহণ করে বৃন্দাবন পরিত্যাগী মথুরাগামী কৃষ্ণের সঙ্গে রাধার মিলনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন। বিরহ বিকারের আবেশে রাধা কল্পনার মাধ্যমে কৃষ্ণের সঙ্গ-সুখ উপভোগ করছেন— একেই ‘ভাব সম্মিলন’ বা ‘ভাবোল্লাস’ নাম দিয়ে বৈষ্ণুব পদকর্তাগণ মিলনের বিচিত্র পদ রচনা করে নিজেরাও বিরহ-ভাব মুক্ত হয়েছেন। ...

Read more

‘চলত রাম সুন্দর শ্যাম— পদটি কোন পর্যায়ের ও কার রচনা? পদটির ভাববস্তু বিশ্লেষণ করে অন্য একটি পাঠ্য পদের সঙ্গে তুলনা করো।

আলোচ্য পদটি গোষ্ঠ লীলা বা বাল্য লীলা পর্যায়ের পদ। উক্ত পদটির পদকার, হলেন— বৈব ভাবাপন্ন মুসলমান কবি নসির মামুদ। আমরা জানি বৈক্ষ্ণব সাহিত্যে পঞ্চরসের কবিতার মধ্যে মধুরসের পদের সংজ্ঞা সর্বাধিক। সে তুলনায় বাৎসল্য রসের পদের সংখ্যা অল্প। কিন্তু সেই পদগুলি আবেগের আন্তরিকতায়, মাতৃহৃদয়ের আকুলতায় যেমন হৃদয়গ্রাহী তেমনই মর্মস্পর্শী। বাৎসল্য রসে ভগবান কৃষ্ণকে সন্তান স্নেহে লালন-পালন ...

Read more