অনার্স বাংলা চতুর্থ পত্রের সব প্রশ্ন উত্তর

অনার্স বাংলা চতুর্থ পত্রের সব প্রশ্ন উত্তর

নাটকের রূপভেদ ট্র্যাজেডির স্বরূপ-বৈশিষ্ট্য নির্দেশ করো এবং ট্র্যাজেডি কেন আমাদের আনন্দ দেয়, যে কোনো একটি বাঙলা ট্র্যাজেডি নাটকের উদাহরণ সহযোগে আলোচনা কর। ট্র্যাজেডির সংজ্ঞা নির্দেশ করে গ্রীক ট্র্যাজেডি ও শেপীয়রীয় ট্র্যাজেডির বৈশিষ্ট্য সম্বন্ধে বিশদ আলোচনা কর। কমেডির সংজ্ঞা নির্দেশ করে যে কোনও একটি রসোত্তীর্ণ বাঙলা কমেডি সম্পর্কে আলোচনা কর। কমেডির সংজ্ঞা নির্দেশ করে ক্ল্যাসিকাল ও ...

Read more

কবিকঙ্কন চণ্ডীর কয়েকটি প্রধান চরিত্র অবলম্বন করে মুকুন্দ চক্রবর্তীর মানব চরিত্রাভিজ্ঞতা এবং জীবনরস উপভোগের বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে আলোকপাত করো।

পূর্বকালে চণ্ডীমঙ্গল পাঁচালী আকারে সমাজে প্রচলিত ছিল। মুকুন্দরামের আবির্ভাবের পরেই তা কাব্যিক আকারে রচিত হল। কাহিনি পরিবেশনায় কিছুটা ৰৈচিত্র্য থাকলেও মুকুন্দরামের প্রকৃত বৈশিষ্ট্য নিহিত কাব্যের আখ্যান অংশে। আর প্রতিভার বীজ নিহিত চরিত্রাঙ্কনে। মধ্যযুগের সমাজ-পরিবেশ এবং জীবন বোধ এই শ্রেণির চরিত্র সৃষ্টির পক্ষে সহায়ক ছিলনা। কিন্তু সার্থক প্রতিভা যুগকে অতিক্রম করে যায়। মুকুন্দরামের কাব্যে এই প্রতিভার ...

Read more

“ভাঁড়ু দত্ত সাহিত্যে অনন্য সংযোজন।”—তোমাদের পঠিত কাব্যাংশ অবলম্বনে ভাঁড়ু দত্তের অনন্যতাও এই চরিত্র সৃষ্টিতে কবিকঙ্কনের কৃতিত্ব বিচার করো।

মুকুন্দরামের দ্বিতীয় অবিস্মরণীয় চরিত্র সৃষ্টি হচ্ছে ভাঁড়ু দত্ত। মধ্যযুগের বাংলাসাহিত্যে ভাঁড়ু দত্ত সজীব ও বাস্তব চরিত্র হিসাবে অনন্য। ভাঁড়ু দত্তের চরিত্রাঙ্কনে নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে সমালোচকগণ বলেন একালে জন্মগ্রহণ করলে কবি মুকুন্দরাম শ্রেষ্ঠ ঔপন্যাসিক রূপে আখ্যাত হতেন। ভাঁড় দত্ত ছিল কালকেতুর নগরে প্রথম থেকে যারা বসবাস করত তাদের অন্যতম। কালকেতু অশিক্ষিত নীচকুলোদ্ভব ব্যাধ-সম্ভান, সে এতবড় ...

Read more

‘ফুল্লরার বারমাসের দুঃখ’ এবং ‘চণ্ডীর নিকটে পশুগণের দুঃখ-নিবেদন’ অংশে কবি নিজের অভিজ্ঞতা উজাড় করে য়ছেন।—মন্তব্যটি উদ্ধৃতিসহ বিচার করো।

সমগ্র মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্যে বাস্তবধর্মী, জীবনরসে পরিপূর্ণ রচনা হল কবি কঙ্কণ মুকুন্দরাম চক্রবর্তীর ‘চণ্ডীমঙ্গল’ কাব্য। কাব্য ‘ফুল্লরার বারমাস্যা’ অংশে কবি দেখিয়েছেন বাঙালী জীবনের দুঃখ দারিদ্র্যকে। কাহিনি প্রসঙ্গে ষোড়শী রমণীরূপী দেবী চণ্ডিকা ফুল্লরা কালকেতুর গৃহে এসেছেন দুঃখ-দ্রারিদ্র্য দূর করতে এবং তাদের দ্বারা মর্ত্যে পূজা পাবার আশায়। দেবীর দ্ব্যর্থ বোধক ভাষায় আত্মপরিচয় দান মূর্খ ফুল্লরা বুঝতে না ...

Read more

“বাংলা সাহিত্যে পুরানো কবিদের মধ্যে শুধু মুকুন্দের প্রতিভায় শ্রেষ্ঠ ঔপন্যাসিক রসদৃষ্টি ছিল।”—চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের কালকেতু-ফুল্লরার উপাখ্যান অবলম্বন করে এই মন্তব্যটির সার্থকতা বিচার করো।

কবি মুকুন্দরাম চক্রবর্তী হলেন মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্যের একজন শ্রেষ্ঠ কবি। তাঁর দেবতার মহিমা বর্ণিত হয়েছে। তিনি ঔপনাসিক প্রতিভার অধিকরী সমালোচকের দৃষ্টিতে কবি মুকুন্দরাম। প্রসঙ্গক্রমে ড. শ্রীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়-এর মন্তব্যে গলা মিলিয়ে বলতে হয়।–“দক্ষ ঔপনাসিকের অধিকাংশ গুণই তাঁর মধ্যে বর্তমান ছিল। এ যুগে জন্মগ্রহণ করিলে তিনি যে একজন কবি না হইয়া ঔপন্যাসিক হইতেন তাহাতে সংশয় মাত্র নাই।” ...

Read more