‘সোনার তরী’ কবিতার যে রূপকার্য দিকটি বিদ্যমান তা বিশ্লেষণ করো।

‘সোনার তরী’ কাব্যের প্রথম কবিতা ‘সোনার তরী’। এ কবিতার বাইরের অর্থ পর্যালোচনাতে দেখা যায় এখানে প্রধান ঘটনা কৃষক ও কৃষি ফসল ধান। কৃষক তার খেতের সমস্ত ধান তুলে দিয়েছে নৌকায়। ভরে গেছে নৌকাখানি। ধান বোঝাই নৌকাতে কৃষক নিজে। প্রত্যাশা করেছে আশ্রয়ের। কিন্তু তা সম্ভব হল না। স্থান হল না তার নিজের, সোনার ফসল নিয়ে চলে ...

Read more

নানাজনে ‘সোনার তরী’ কবিতাটির নানা ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তোমার ব্যাখাটি যুক্তি ও উদ্ধৃতিসহ উপস্থাপিত করো।

‘সোনার তরী’ কবিতাটি রচিত হয় বাংলা ১২৯৮ সালের ফাল্গুন মাসে এবং ‘সোনার তরী’ কাব্য গ্রন্থের প্রথম কবিতা। এই কবিতাটি নিয়ে এক সময় পাঠক সমাজে একটা বেশ আলোড়ন সৃষ্টি হয়। পন্ডিতেরা তর্ক রসজ্ঞেরা কঠোর সমালোচনা করেছিলেন। রবীন্দ্রনাথের আর কোনো কবিতা নিয়ে এত তর্ক-বিতর্ক হয়নি। রবীন্দ্র জীবনীকার প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়ও খছেন : ‘প্রায় চৌদ্দ বৎসর পরে বাংলার সাময়িক ...

Read more

‘সোনার তরী’ কবিতাটির অর্ন্তনিহিত তত্ত্ব নানাভাবে ব্যাঘাত হয়েছে সে বিষয়ে সংক্ষেপে আলোচনা করো। তত্ত্বকে অতিক্রম করে এই কবিতাটি কতখানি রসোতীর্ণ হয়েছে সে বিষয়ে তোমার মতামত ব্যক্ত করো।

‘সোনার তরী’ কবিতাটি একটি ‘তত্ত্বাশ্রয়ী কবিতা রবীন্দ্রজীবনীকার শ্রদ্ধের প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায় বলেছেন, ‘মানসী’ কাব্য গুচ্ছের শেষ কবিতা রচনার প্রায় পনেরো মাস পরে শিলাইদহে কবি লিখেছেন ‘সোনার তরী’ (১২৯৮ ফাল্গুন) যদিও উহা লোকচক্ষুর গোচর হয় প্রায় দেড় বৎসর পরে। কী কুক্ষণে তিনি যে কবিতাটি লিখিয়াছিলেন তাহা তাহার ভাগ্য বিধাতা জানেন। নইলে এই কবিতা লিখিত হইবার পর প্রায় ...

Read more

‘সোনার তরী’ কবিতাটির নামকরণের তাৎপর্য বিশ্লেষর করো।

‘সোনার তরী’ কবিতাটি নিয়ে বহু তর্ক-বিতর্ক হয়েছে। কবিতাটি লিখিত হওয়ার প্রায় ১৪ বৎসর পরে কবিতাটির অর্থ নিয়ে মসীদ্বন্দ্ব আরম্ভ হয় প্রায় ১৭ বৎসর পরে কবি নিজেও কবিতাটির একটি ব্যাখ্যা দেন। অনেকের মতে কবি নিজের ব্যাখ্যায় কবিতাটির অধিকতর জটিল করে তুলেছে। রবীন্দ্রজীবনীকার শ্রদ্ধেয় প্রভাত কুমার মুখোপাধ্যায় বলেছেন, “সোনার তরী” কবিতাটিকে যদি আমরা কেবল একখানি চিত্র হিসাবে ...

Read more

“সোনার তরী’ কবিতাটির তাৎপর্য | সোনার তরী কবিতাটির মর্মার্থ

সোনার তরী কবিতাটির মর্মবাণী সৃষ্টি আর স্রষ্টা এদের মধ্যে কে বড়ো, কার দাম বেশি-কর্মের, না, কর্মীর—এই নিয়ে মানুষের ভাবনাচিন্তার আর শেষ নেই। মানুষ বলে আমিই প্রধান ; আমার কর্ম অপ্রধান কারণ, আমার কর্ম আমার অধীন। আমি না থাকলে কে কাজ করত? অর্থাৎ জগৎসংসার যদি আমার কর্মের ফল গ্রহণ করে তাহলে তাকে প্রথম গ্রহণ করতে হবে ...

Read more