‘আমি দেখি’ কবিতায় জঙ্গলে ও শহরে যাপিত কবি জীবন কিভাবে প্রতিভাত হয়েছে, তা বিশ্লেষণ করো?

অরণ্যের প্রতি ভালবাসা কবি জীবনানন্দ দাসের পরবর্তীকালে আধুনিক বাংলা কাব্যজগতে শক্তি চট্টোপাধ্যায় একটি বিশিষ্ট নাম। তার ‘আমি দেখি’ কবিতায় জঙ্গলেও শহরে যাপিত কবি জীবন দুই ভিন্ন অনুভবে ঋদ্ধ। নাগরিক কবি হলেও শক্তি চট্টোপাধ্যায় অরণ্য প্রেমী। জঙ্গল তাকে কখন‌ও উন্মাদ করে, উদাস করে ; আবার কখনো উদ্দাম স্বেচ্ছাচারী করে তোলে। তার নানা কবিতায় উঠে আসে চাঁইবাসা, ...

Read more

“শক্তি চট্টোপাধ্যায় মূলত প্রকৃতি প্রেমের কবি”-সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের উক্তিটির আলোকে ‘আমি দেখি’ কবিতাটি বিশ্লেষণ করো?

অরণ্যক পৃথিবীর স্বপ্ন কবি শঙ্খ ঘোষ শক্তি চট্টোপাধ্যায় সম্পর্কে বলেছেন -“ভালোবেসে ছিলেন তিনি সংসারছুট অরণ্য প্রান্তর। সমুদ্র, পাহাড়, প্রকৃতির সঙ্গে মিলেমিশে গিয়েছেন তিনি নিজেই হয়ে উঠেছিলেন প্রকৃতি।”জঙ্গলের প্রতি, গাছের প্রতি অদ্ভুত টান ছিল শক্তি চট্টোপাধ্যায়ের। গাছের ভিতর দিয়ে গাছের হাতে চাওয়ায় তার চিরজনমের অভীপ্সা। তাইতো অরণ্যক পৃথিবীর স্বপ্নে বিভর কবি স্বপ্ন দেখেছিলেন শ্যামলিমার। অরণ্যক পৃথিবীর ...

Read more

‘আমি’ কবিতা অবলম্বনে শক্তি চট্টোপাধ্যায়ের কবি-প্রতিভার যে পরিচয় পাওয়া যায় তা মূল্যায়ন করো?

ভূমিকা ‘আমি দেখি’ কবিতাটির সহজ কথা সহজে বলার বাচনিক ভঙ্গিতে উজ্জ্বল। নগর কেন্দ্রিক জীবন মানুষের মধ্যে গড়ে তুলেছে ভয়াবহ ব্যাধি, সেই ব্যাধির হাত থেকে মুক্তির হদিশ‌ই হলো এই কবিতার মূল বিষয়বস্তু। শক্তি চট্টোপাধ্যায় স্পষ্ট বক্তা ; তার কাব্যিক প্রতিবাদ তাই ধ্বনিত হয়েছে উদাত্ত উদ্ধত কন্ঠে। শব্দ ব্যবহার সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের শক্তি চট্টোপাধ্যায়ের কবিতার শব্দ ব্যবহার সম্পর্কে ...

Read more

“ধোঁয়ার বঙ্কিম নিঃশ্বাস’ এবং ‘ধুলোর কলঙ্ক’ শব্দগুচ্ছ ‘মহুয়ার দেশ’ কবিতায় কোন বিশেষ তাৎপর্যে ব্যবহৃত হয়েছে, তা আলোচনা করো?

নাগরিক কবি সমর সেনের ‘কয়েকটি কবিতা’ কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত ‘মহুয়ার দেশ’ কবিতায় ‘ধোঁয়ার বঙ্কিম নিঃশ্বাস ‘ এবং ‘ধুলোর কলঙ্ক’ শব্দগুচ্ছ দুটি বিশেষ তাৎপর্যবাহী। আলোচ্য কবিতায় ‘মহুয়ার দেশ’-এর আপাত রোম্যান্টিকতার আড়ালে যে কঠোর বাস্তব লুকিয়ে রয়েছে, তাই প্রকাশ ঘটিয়েছেন কবি। ‘ধোঁয়ার বঙ্কিম নিঃশ্বাস’-এর তাৎপর্য কবিতাটি প্রথম পর্যায়ে কোভিদ নগর জীবনের সন্ধ্যাস সৌন্দর্যের বর্ণনা করতে গিয়ে সেই সৌন্দর্যের ...

Read more

“ঘুমহীন তাদের চোখে হানা দেয়/কিসের ক্লান্ত দুঃস্বপ্ন।” -তাদের চোখ কেন ঘুমহীন? তাদের দুঃস্বপ্নের কারণ কি? অথবা, “ঘুমহীন তাদের চোখে হানা দেয়/কিসের ক্লান্ত দুঃস্বপ্ন।” – কাদের কথা বলা হয়েছে? তাদের ঘুমহীন চোখে ক্লান্ত দুঃস্বপ্ন হানা দেয় কেন?

যাদের চোখ ঘুমহীন ‘কয়েকটি কবিতা’ কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত ‘মহুয়ার দেশ’ কবিতা থেকে নেওয়া প্রশ্নোদ্ধৃত অংশে মহুয়ার দেশের কয়লা খনির শ্রমিকদের ঘুমহীন চোখের কথা বলেছেন কবি সমর সেন। প্রগতির কাছে প্রকৃতি অসহায় আত্মসমর্পণ করেছে বলে, পুঁজিবাদী আগ্রাসনের মহুয়ার দেশের মানুষের অস্তিত্ব অবক্ষয়িত হয়েছে বলে, ‘মহুয়া বনের ধারে কয়লার খনি’তে রাত জেগে কাজ করার কারণে অবসন্ন শ্রমিকদের চোখ ...

Read more