‘বিভাব’ নাটক রচনার প্রেক্ষাপট আলোচনা করো?

রচনাকাল ‘বিভাব’ নাটকটির সম্ভাব্য রচনাকাল ১৯৫১ খ্রিস্টাব্দে। সম্ভবত ১৯৫৩ খ্রিস্টাব্দে প্রগতি লেখক সংঘের অন্তিম সম্মেলন এটি ‘বহুরূপী’র প্রযোজনায় অভিনীত হয়। মিনিট চল্লিশের অভিনয় কালের ক্ষুদ্র না নাটক এটি। নাটক দিতে মুকাভিনয় ও অ্যআবসআর্ড নাটকের প্রচ্ছন্ন ছায়াপথ ঘটতে দেখা গেলেও, সূক্ষ্ম হাস্যরসের প্লাবনের মধ্যে নানা সামাজিক প্রসঙ্গ ও মাথা ছাড়া দিয়ে উঠতে দেখা যায়। প্রেক্ষাপট ভালো ...

Read more

একাঙ্ক নাটক হিসেবে ‘বিভাব’ নাটকটি কতটা সার্থক আলোচনা করো?

একাঙ্ক নাটকের বৈশিষ্ট্য নাটকের অনেক আঙ্গিক। একাঙ্ক বা একাঙ্কিকা বা One act Play তার অন্যতম। কথায় সাহিত্যে যেমন ছোট গল্প, নাট্য সাহিত্যে তেমনি একাঙ্ক নাটক। অর্থাৎ (১) একাঙ্ক নাটক হবে একটি অংক এবং বস্তু পক্ষে একটি দৃশ্যে সম্পূর্ণ নাটক। (২) ক্ষুদ্র পরিসরে একই মঞ্চ সজ্জায় বাহুল্য বর্জিত ঘটনার একমুখীনতা থাকবে। (৩) স্থান কাল পাত্রের পরিপ্রেক্ষিতে ...

Read more

“আমার বিবেক, আমার বারুদ/বিস্ফোরণের আগে।”- উক্তিটির মধ্যে দিয়ে যে প্রতিবাদে উচ্চারণ ধ্বনিত হয়েছে, তার তাৎপর্য আলোচনা করো?

কবি মৃদুল দাশগুপ্ত তার ‘ক্রন্দনরতা জননীর পাশে’ কবিতায় সমাজে অনাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ঘোষণা করেছেন। শিল্প সৃষ্টির অন্যতম শর্ত শিল্পে সমাজ-মানসিকতার প্রতিফলন ঘটানো। আলোচ্য কবিতায় জননী-জন্মভূমির চরম দুর্দশায় কবি আত্মিকভাবে তার পাশে থেকে শিল্পের সত্যকে মান্যতা দিয়েছেন। কবির প্রতিবাদী কন্ঠস্বর কবি ক্রন্দনরতা জননের পাশে দাঁড়িয়ে সন্তান হারানো বেদনা সমব্যথী হতে চান। ‘নিহত ভাইয়ের শবদেহ দেখে’ তা ...

Read more

“আমি তা পারি না।” -কবি কি পারেন না? “যা পারি কেবল” -কবি কি পারেন?

কবি যা পারে না ‘ধানক্ষেত থেকে’ কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত ‘ক্রন্দনরতা জননীর পাশে’ কবিতায় কবি মৃদুল দাশগুপ্তের সমাজ সচেতনতা পরিচয় পাওয়া যায়। কবি সমাজের চরম অবক্ষয়ের দিনের চুপ করে থাকতে পারেননি। ‘নিহত ভাইয়ের শবদেহ দেখে’ বিবেকবান কবি ক্রোধে গর্জে উঠতে চেয়েছেন। ‘যে মেয়ে নিখোঁজ, ছিন্নভিন্ন/জঙ্গলে তাকে পেয়ে’কবি ভাগ্যের হাতে নিজেকে সঁপে দিতে পারেননি। আর পারেননি বলেই কবি ...

Read more

“আমি তা পারি না। যা পারি কেবল/সেই কবিতাই জাগে”- কবিতায় কি জাগার কথা বলতে চেয়েছেন কবি?

আলোচ্য উদ্ধৃতিটি কবি মৃদুল দাশগুপ্তের ‘ধানক্ষেত থেকে’ কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত ‘ক্রন্দনরতা জননীর পাশে’ কবিতা থেকে নেয়া হয়েছে। অস্থির সময়ের প্রেক্ষাপটে রচিত আলোচ্য কবিতায় যাবতীয় সামাজিক অনাচারের বিরুদ্ধে বিবেকবান কবি মৃদুল দাশগুপ্তের প্রতিবাদী সত্তা জেগে থাকার কথা বলা হয়েছে। কবি লিখেছেন- “আমি তা পারি না। যা পারি কেবল সেই কবিতায় জাগে আমার বিবেক, আমার বারুদ বিস্ফোরণের আগে।” ...

Read more