‘নানা রঙের দিন’ নাটকের সংলাপ রচনা নাট্যকারের কৃতিত্ব আলোচনা করো?
সংলাপ প্রয়োগ নাটকের মূল অংশ তার সংলাপ। নাটকের প্রেক্ষিত, চরিত্র ও কাহিনী অনুযায়ী সংলাপ তৈরি হয়। আজিতেশ বন্দ্যোপাধ্যায়ের একাঙ্ক নাটক ‘ নানা রঙের দিন’ এ সংলাপ মুখ্যত দুটি পর্বে বিভক্ত। সূচন থেকে কালিনাথের মঞ্চে প্রবেশের আগে পর্যন্ত এই নাটকের সংলাপ মূল চরিত্র রজনী চাটুজের স্বর্গতোক্তি কেন্দ্রিক। কালীনাথের আগমনের পর থেকে এ নাটকের সংলাপ একোক্তি বা ...
‘নানা রঙের দিন’ একাঙ্ক নাটক হিসেবে কতখানি সার্থক আলোচনা করো?
একাঙ্ক নাটক নাটকের বিভিন্ন আঙ্গিক এর মধ্যে একাঙ্ক বা one act play অন্যতম। কথা সাহিত্যে যেমন ছোট গল্প, নাট্য সাহিত্যে তেমনি একাঙ্ক নাটক। অর্থাৎ একাঙ্ক নাটক হিসেবে একটি অঙ্ক এবং একটি দৃশ্যে সম্পূর্ণ নাটক, যা খুন্দ্র পরিসরে একই মঞ্চায় বাহুল্য বর্জিত ঘটনার একমুখীনতায় সীমাবদ্ধ থাকবে। স্থান কাল পাত্রের পরিপ্রেক্ষিতে এখানে স্বল্প চরিত্রের অভিনয়-নিপুণতা থাকবে। চরিত্র ...
“কি অমর-এবার হাসি পাচ্ছে?… এবার নিশ্চয়ই লোকের খুব হাসি পাবে?” -কোন পরিপ্রেক্ষিতে বক্তা এ কথা বলেন?
বাংলা নাট্য আন্দোলনের অগ্রণী পথিক শম্ভু মিত্রের ‘বিভাব’ নাটকের শম্ভু মিত্র চরিত্রটি এ কথা বলেছেন। নাট্যকারের প্রকৃত উপলব্ধি সে ছিল এক অগ্নিগর্ভ সময়। মহাযুদ্ধ, মহামারী, দাঙ্গাবিধ্বস্ত কলকাতা শহরের বুকে আছড়ে পড়ে শরণার্থীদের ঢেউ। দেশভাগের ফলে ভিটেমাটি-স্বজন হারানো মানুষ প্রত্যক্ষ করে এক ভয়াবহ বিপর্যয়কে। হাসি-আনন্দ মুছে যায় বাঙালির জীবন ও সমাজ থেকে। অথচ তা নিয়ে ব্যঙ্গে ...
“নাঃ কোথাও জীবনের খোরাক, হাসির খোরাক নেই।”- ‘বিভাব’ নাটক অবলম্বনে উদ্ধৃতাংশটির তাৎপর্য ব্যাখ্যা করো? অথবা, ‘কোথাও জীবনের খোরাক, হাসির খোরাক নেই’- বক্তা কে? ‘কোথাও জীবনের খোরাক, হাসির খোরাক নেই’ বলে বক্তা মনে করেছেন কেন?
প্রশ্নদ্ধৃত উক্তিটির বক্তা হলেন ‘বিভাব’ নাটকের নাট্য সংস্থার অন্যতম চরিত্র শম্ভু মিত্র। জীবনের হাসির খোরাক না থাকার কারণ সদ্য স্বাধীনতা লাভের পর মন্বন্তর-দাঙ্গা-দেশভাগ জনিত কারণে ছিন্নমূল ও উদ্বাস্তু মানুষের ঢল নেমেছিল বাংলার বুকে। খাদ্য-বস্ত্র-বাসস্থানের জন্য মানুষের মাথা কুটছে। নাট্যকার এই পরিস্থিতিতে জীবন ও জীবন সংগ্রামের প্রেক্ষাপট হিসেবে গ্রহণ করে, সরদার বল্লভ ভাই প্যাটেল এর অভিঘাত ...
“এই ঘরের মধ্যে জীবনকে উপলব্ধি করা যাবে না”- ‘জীবনকে উপলব্ধি’ করার জন্য বক্তা কি করেছিলেন? শেষে তার কি রূপ অভিজ্ঞতা হয়েছিল?
জীবনকে উপলব্ধি ‘বিভাব’ নাটকের উদ্ধৃতাংশটির বক্তা নাট্যকার তথা অভিনেতা শম্ভু মিত্র। নাটকের বিষয় সন্ধানে জননুচিকে প্রাধান্য দিতে গিয়ে ঘরে বসে হাসির খোরাক না পেয়ে শম্ভু মিত্র তার সহ অভিনেতা অমর গাঙ্গুলী কে নিয়ে পথে বেরিয়ে পড়লেন। বিশেষ নাট্য ভঙ্গের মাধ্যমে তাদের সামনে একটা ব্যস্ত রাস্তায় দৃশ্য উপস্থাপিত হল। এক একজন ব্যক্তি কেউ একটি মোটরের, কেউ ...
