“নাট্যাভিনয় একটি পবিত্র শিল্প”- এর বক্তা কে? এ বিষয়ে বক্তার মূল বক্তব্য পাঠ্য রচনা অবলম্বনে লিপিবদ্ধ করো? অথবা, “এসব বাজে কথায় আমি বিশ্বাস করিনা।”- কোনটি বাজে কথা? তাতে বিশ্বাস না করার কারণ বুঝিয়ে দাও?
‘বাজে কথা’ সভ্যতার ইতিহাসের নাট্যাভিনয় কেবল বিনোদনের উপাদান নয়, তা পবিত্র শিল্প। এই ধারণায় অজিতেশ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘নানা রঙের দিন’ নাটকের প্রধান চরিত্র রজনীকান্ত খন্ডন করতে চেয়েছেন। রজনীকান্ত চট্টোপাধ্যায় ছিলেন বিগত দিনের একজন প্রসিদ্ধ অভিনেতা।। তিনি একসময় অভিনয় কে পবিত্র শিল্প বলেই মনে করতেন। কিন্তু এই অভিনয় না ছাড়ার জন্য তার সম্পর্ক হারিয়েছি। প্রেমিকা তার মন ...
“তার আগে তুমি ওই থিয়েটার করা ছেড়ে দাও।”- থিয়েটার ছেড়ে দিতে বলার কারণ বুঝিয়ে লেখ? অথবা, “থিয়েটারের লোকের সঙ্গে জীবনভর প্রেম করতে পারে, কিন্তু বিয়ে? নৈব নৈব চ!”- থিয়েটারের লোকের সঙ্গে বিয়ে করা সম্ভব নয় কেন?
ভূমিকা অজিতেশ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘নানা রঙের দিন’ নাটকের থিয়েটারের অভিনেতা রজনীকান্তকে তার প্রেমিকা থিয়েটার ছেড়ে দিতে বলে। কিন্তু ঘটনাচক্রে রজনীকান্ত থিয়েটারটি ছাড়লে তাদের সম্পর্ক ভেঙ্গে যায়। বহু বছর পর অতীত স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে রজনীকান্ত কালিনাথ কে বলেন থিয়েটারের অভিনেতা কেবল প্রেম উপযোগী, সংসার করার যোগ্যতা তাদের নেই। কারণ রজনীকান্তের অভিনয় মুগ্ধ হয়ে ধনী ঘরের সুন্দরী, অনুভূতিশীল, ...
‘নানা রঙের দিন’ রচনায় বর্ণিত অভিনেতা রজনীকান্ত চাটুজ্জের প্রেমে পড়া মেয়েটির রূপের বর্ণনা দিয়ে মেয়েটির মানসিকতার পরিচয় দাও? অথবা, “গ্রীষ্মের বিকেলে পশ্চিম আকাশে সূর্যাস্তের মেঘে যে আগুন লুকিয়ে রাখে, সেই আগুন।”- বক্তা এরূপ উক্তির কারণ কি? যার সম্পর্কে বলা হয়েছে তার মানসিকতা উল্লেখ করো?
পরিচয় অজিতেশ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘নানা রঙের দিন’ নাটকের প্রধান চরিত্র রজনীকান্ত চট্টোপাধ্যায় তার পুরনো দিনের হারিয়ে যাওয়া প্রেমিকার কথা কালিনাথকে বলেছেন। স্বনামধন্য অভিনেতা রজনীকান্তের অভিনয়ে মোহিত হয়ে মেয়েটি নিজে থেকে তার সঙ্গে আলাপ করেছিল। ধনী পরিবারের অল্প বয়সী মেয়ে, ফর্সা সুন্দর, ছিপ ছিপে গরন, সহজ সরল মনের অধিকারী। গ্যাসের বিকালে সূর্যাস্তের মেঘে অস্তমিত সূর্যের তেজ কোন ...
“থিয়েটারে দেওয়ালে দেয়ালে অঙ্গারের গভীরে কালো অক্ষরে, আমার জীবনের ৪৫ টা বছর”- বক্তার ৪৫ বছরের জীবন যন্ত্রণার ইতিহাসে পরিচয়টুকু তুলে ধরো ?
অভিনয়ের প্রতি সুতীব্র ভালবাসা অজিতেশ বন্দ্যোপাধ্যায় তার ‘নানা রঙের দিন’ একাঙ্ক নাটকটিতে এক বৃদ্ধ অভিনেতার করুন জীবনলেখ্য ফুটিয়ে তুলেছেন। একসময় রজনীগন্ধা চট্টোপাধ্যায় থিয়েটারের অন্যতম প্রধান অভিনেতা ছিলেন। দীর্ঘ ৪৫ বছর অভিনয় ছিল তার ধ্যান-জ্ঞান-স্বপ্ন-বেঁচে থাকা-মুক্তি। অভিনয়ের জন্য ব্যক্তি জীবনের সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য-স্বজন, এমনকি প্রেমও বিসর্জন দিতে তিনি দ্বিধা করেননি। যৌবন-আদর্শ-শক্তি-প্রেম উৎসর্গ করে তিনি অবিচল থেকেছেন নাট্যাভিনয়, মনে ...
“আমিও তো মানুষ কালিনাথ।” -উক্তিটির প্রসঙ্গ উল্লেখ করো? বক্তার এই প্রসঙ্গ মন্তব্যের কারণ কি?
প্রসঙ্গ “অজিতেশ বন্দোপাধ্যায় রচিত ‘নানা রঙের দিন’ শীর্ষক একাঙ্ক নাটকের মুখ্য চরিত্র বর্ষীয়ান অভিনেতা রজনীকান্ত চট্টোপাধ্যায়ের প্রোমোটার কালিনাথ সেনের উদ্দেশে প্রশ্নোদ্ধৃত মন্তব্যটি করেছেন। রজনীকান্ত জানেন দর্শকরা তাকে ভালবাসলেও তাদের ভালোবাসা কেবল থিয়েটারের চার দেওয়ালের মধ্যেই সীমাবদ্ধ, অন্যদিকে বাড়িতে ও রজনীকান্তে নিজের কেউ নেই। তার একাকিত্বের যন্ত্রণা নিয়ে, স্বনামধন্য অভিনেতার ব্যক্তিজী জীবন নিয়ে আর সকলের মত ...
