‘গারো পাহাড়ের নিচে’ প্রবন্ধে ‘পাহাড়ে যারা থাকে’ এবং ‘পাহাড়ে নীচে যারা থাকে’ তাদের চাষবাস পদ্ধতি আলোচনা করো?

ভূমিকা ‘গারো পাহাড়ের নিচে’ প্রবন্ধে লেখক সুভাষ মুখোপাধ্যায় পাহাড়ি অঞ্চলের মানুষের চাষবাসের কথা বলেছেন। গারো পাহাড়ের উপরে এবং নিচের সুসং পরগনায় বসবাসকারীদের চাষবাস পদ্ধতির মধ্যে পার্থক্য দেখা যায়। ‘পাহাড়ে যারা থাকে’ তাদের চাষবাস মৈমনসিংহের গারো পাহাড়ে চৈত্র মাসের চাষবাস শুরু হয়। পাহাড়ের উপরে বসবাসকারীদের হাল-বদল নেই, পাহাড়ের রুক্ষ পাথরে জমি চাষের পক্ষে উপযোগী। তাইরা শুকনো ...

Read more

‘গারো পাহাড়ের নিচে’ যারা বাস করে তাদের জীবনযাত্রার সংক্ষিপ্ত বর্ণনা দাও?

অধিবাসী সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের ‘গারো পাহাড়ের নিচে’ প্রবন্ধে গারো-হাজং প্রভৃতি জনজাতির কথা জানা যায়। গারো পাহাড়ির নিচে সুসং পরগনায় হাজং-গারো-কোচ-ডালু প্রভৃতি জনজাতি বাস করে। তাদের চোখে মুখে পাহাড়ি ছাপ। এদের মধ্যে হাজংরাই সংখ্যায় বেশি। চাষ -আবাদ এখানে প্রত্যেক জনজাতির মানুষ হাল বদল নিয়ে চাষবাস করে। ধান কাটার সময় নারী পুরুষ প্রত্যেকই কাষ্ঠে নিয়ে মাঠে যায়। ছোট ...

Read more

‘গারো পাহাড়ের নিচে’ রচনায় লেখকের উপস্থাপন রীতি ও ভাষার দক্ষতা কি পরিচয় পাওয়া যায়?

লেখকের উপস্থাপন রীতি লেখক সুভাষ মুখোপাধ্যায় ‘গারো পাহাড়ের নিচে’ রচনায় গারো-হাজং প্রভৃতি উপজাতি জীবনের আহার-আশ্রয়-জীবিকা-শখ-সৌখিনতার কাহিনী কে ব্যক্ত করেছেন হৃদয়বত্তা নিয়ে। গারো পাহাড়ের বিভিন্ন জাতি গোষ্ঠীর মানুষের প্রতি তার যেন গভীর ভালোবাসা রয়েছে, তেমনি রয়েছে সহানুভূতিশীল অন্তঃকরণের স্পর্শ। একজন প্রদর্শন হয়ে তিনি যেন পাঠকদের কিছু দেখাচ্ছে, শোনাচ্ছেন আরো অন্তরে আগ্রহ সঞ্চারণ করেছে। প্রবন্ধের শুরুতে তিনি ...

Read more

‘গারো পাহাড়ের নিচে’ গদ্যাংশ টিতে একই প্রসঙ্গে প্রকৃতির সৌন্দর্য এবং প্রকৃতির ভয়ংকর চিত্রের প্রকাশ ঘটেছে-তা আলোচনা কর?

ভূমিকা সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের ‘গারো পাহাড়ের নিচে’ রচনাটিতে সরলরৈখিক ভাবে প্রকৃতির সৌন্দর্য ও প্রকৃতির ভয়ংকর চিত্রের রূপায়ণ ঘটেছে। শুরুতে লেখক চৈত্র মাসের গারো পাহাড়ের বর্ণনা প্রসঙ্গে বলেছেন-“দেখবেন যে একরাশ ধোঁয়াটে মেঘে কারা আগুন লাগিয়ে দিয়েছে। আগুনের চিত্র অত্যন্ত রুক্ষ ও কঠিন অনাবাদি জমিতে ফসল ফলানোর পূর্ব প্রস্তুতির যে বর্ণনা দিয়েছেন লেখক তাও অন্যান্য সাধারন। শুকনো গাছপালা ...

Read more

প্রাচীন অনুবর্তন বলছে আমরা কি বুঝি?

প্রাচীন অনুবর্তন কৌশলের প্রবর্তক হলেন রাশিয়ার শারীরতত্ত্ববিদ আইভাই প্যাভলব । তার এই গবেষণার স্বীকৃতি হিসেবে ১৯০৪ খ্রিস্টাব্দে চিকিৎসাবিজ্ঞান শাখায় নোবেল পুরস্কার পান। প্যাভলভের শিখন কৌশল এর মূলনীতি প্যাভলভের শিখন কৌশলের মূলনীতি উদ্দীপক প্রতিক্রিয়ার মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে। এই অর্থে শিখন হল কৃত্রিম উদ্দীপকে দ্বারা সৃষ্ট এক ধরনের নির্ভুল প্রক্রিয়া। শারীরবৃত্তীয় ব্যাখ্যা প্যাভলভের শারীরবৃত্তীয় ব্যাখ্যা অনুযায়ী, ...

Read more