বাংলার চিত্রকলার ধারায় মুর্শিদাবাদ পর্ব তথা মুর্শিদাবাদ শৈলীর গুরুত্ব ও অবদান আলোচনা করো ?
গুরুত্ব নবাব আলিবর্দি খাঁর শাসনকালে ১৭৪০-১৭৫৬ খ্রিস্টাব্দে মুর্শিদাবাদ শৈলির সর্বোৎকৃষ্ট বিকাশ ও সমৃদ্ধি ঘটেছিল। বাংলার তৎকালীন রাজনৈতিক রাজধানী মুর্শিদাবাদের মুঘল আমলের সূত্রে স্মরণীয় দুটি উৎসব ছিল -‘মহরম’ ও ‘খোজা খিজির’ উৎসব। ১৭০০-১৭২৯ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে নবাব মুর্শিদকুলি খাঁর আমলে উৎসবের ভেলা, জলযান বা রং লন্ঠন নির্মাণের জন্য দিল্লি থেকে কুশলী কারুশিল্পীরা বাংলায় এসে সমাদর লাভ করেন। ...
বাংলাদেশের সুলতানি আমলের চিত্রকলার পরিচয় দাও ?
সুলতানি আমলের চিত্রকলা একাদশ শতকে দ্বিতীয় ভাগে পৌরাণিক ব্রাহ্মণ ধর্মের অনুগামী সেন ও বর্মন রাজাদের অধিকার প্রতিষ্ঠা হলে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরা চরম নিগৃহীত হয় এবং পাল রাজাদের পরম ধর্ম সহিষ্ণুতার নির্দেশন শিল্প-স্থাপত্য-চিত্র-ভাস্কর্য ক্রমশ বিলুপ্তির পথে এগিয়ে যায়। ত্রয়ওদশ শতকের সূচনায় তুর্কি আক্রমণের ফলে বাংলার মূর্তি ও চিত্রকলার অনুশীলন সাময়িকভাবে ব্যাহত হয়। সামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহের নেতৃত্বে বাংলায় ...
বাংলার ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে পালরাজবংশ ও পাল যুগের চিত্রকলার পরিচয় দাও?
পাল রাজবংশ অষ্টম শতকে বাংলাদেশের পাল রাজ্য বংশের পতন হলে সামাজিক রাজনৈতিক অরাজকতা ও অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে শান্তির বার্তাবরণ ফিরে আসে। এই রাজ বংশের প্রতিষ্ঠাতা গোপাল বৌদ্ধ ধর্ম গ্রহণ করেন। এর পুত্র ধর্মপাল ৭৭০-৮১০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত প্রায় 40 বছরের রাজত্বের ক্ষুদ্র এক ভূখণ্ডকে প্রায় সাম্রাজ্যের সার্বভৌমত্ব দেন। ধর্মপাল তার প্রজাকুলের সামনে থেকে নৈরাজ্যের স্মৃতি পর্যন্ত অবলুপ্ত ...
‘চিত্রকলা’ বলতে কী বোঝো? প্রাচীন বাংলার চিত্রকলার সম্বন্ধে আলোচনা করো?
চিত্রকলা চিত্রকলা হল বাস্তব রূপে কৃত্রিম প্রতিরূপ, যা কখনো ও রংতুলি, কখনও পাথর-মাটি-ধাতু প্রভৃতির উপর মূর্ত করা হয়। এর মধ্যে নিহিত থাকে চিত্রকারের অভীপ্সা, মনের মাধুরী। অ্যারিস্টোটল তার ‘পোয়েটিক্স’ গ্রন্থের চিত্রকলার সহ সমূহ কলা শিল্পীকে বাস্তবে অনুকরণ বলে বর্ণনা করেছেন। আধুনিক শিল্প তাত্ত্বিকরা ও মনে করেন Art ফর্মটি ইমিটেশন। প্রাচীন বাংলার চিত্রকলা প্রাচীন বাংলার চিত্রকলার ...
বাংলা গানের ধারায় পক্ষীর দলের গানের অবদান আলোচনা করো?
অবদান পক্ষীর দলের বেড়ে ওঠা ঊনবিংশ শতকের কলকাতার বাবুবিলাসের অনুসঙ্গে। তৎকালীন কলকাতায় বাবুসমাজ একটা স্বতন্ত্র সংস্কৃতি গড়ে তুলেছিল। সেই সংস্কৃতি দিয়ে একটি বিশেষ ধারা ‘পক্ষীর দলের গান’। এই গানে সমাজের বহু ধরনের সমস্যা বা সামাজিক জীবনচিত্র ফুটে উঠেছে। মূলত গানগুলি ছিল বিবৃতিধর্মী আর নিপুণ্যতা ছিল সাংবাদিকতা ধর্মী। সম্ভবতই অনেক ক্ষেত্রে গানগুলিতে মিলিয়ে ছিল হাস্যরসের রস ...
