দেহচর্চায় বাঙালির অবদান সংক্ষেপে লেখ ?
অবদান প্রাচীনকাল থেকে দেহচর্চা বাঙালির অন্যতম প্রিয় খেলা। ১৮৬৮ খ্রিস্টাব্দে হিন্দু মেলায় দ্বিতীয় অধিবেশন লাঠি খেলা ও ব্যায়াম কৌশল প্রদর্শিত হয়। হিন্দু মেলায় বাঙালি ও পাঞ্জাবি ছাত্রদের কুস্তি প্রতিযোগিতাও হত। বিশ শতকে বিশ ও ত্রিশ দশকের ভারতীয় কুস্তি কে বিশ্ব দরবারে তুলে ধরেন যতীন্দ্রনাথ গুহ। তিনি 1921 খ্রিস্টাব্দে প্রথম এশীয় রূপে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ব লাইট ...
বাঙালির লোকক্রীড়া সম্পর্কে একটি সংক্ষিপ্ত আলোচনা করো?
দেশীয়ভাবে অদ্ভুত এবং প্রধানত পল্লীর লোকেদের নিজস্ব উদ্ভাবিত ক্রীড়া লোক ক্রিড়া। শরীরচর্চা, চিত্ত বিনোদন, অবসর যাপন ইত্যাদি কারণে লোক ক্রীড়ার চর্চা বহু প্রাচীনকাল থেকে হয়ে আসছে। বাঙালির লোক ক্রীড়াকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়- (১) স্থলভাগের খেলা (২) জলভাগের খেলা (৩) অন্তরীক্ষের খেলা। স্থলভাগের খেলা স্থলভাগের খেলার মধ্যে ‘অ্যাঙ্গা -অ্যাঙ্গা’, ‘এক্কাদোক্কা’, ‘করি খেলা’, ‘কানামাছি’, ‘গুলি ...
বাঙালির ক্রীড়া সংস্কৃতি সংক্ষিপ্ত পরিচয় দিয়ে প্রত্যেক ধরনের খেলার নাম উল্লেখ কর? অথবা কার লেখা, কোন গ্রন্থ থেকে মূলত বাঙালির ক্রীড়া সংস্কৃতির পরিচয় পাওয়া যায়? এই গ্রন্থের প্রাপ্ত বাঙালির আদি কিরে সংস্কৃতি সংক্ষিপ্ত পরিচয় দাও?
বাঙালির ক্রীড়া সংস্কৃতির ধারা প্রাচীন এবং সমৃদ্ধ। মূলত সাহিত্যের সূত্রে বাঙালির ক্রীড়া সংস্কৃতির আদি রূপের পরিচয় জানা যায়।। সেই সূত্র ধরে নীহাররঞ্জন প্রায় বাঙালির ইতিহাস গ্রন্থে বাংলাদেশের ক্রীড়া সংস্কৃতির আদি রূপের সংক্ষিপ্ত পরিচয় দিয়েছেন। পরিচয় প্রাচীন ও মধ্যযুগের বাঙালি সমাজে প্রচলিত ছিল মৃগয়া বা শিকার মুঘল যুদ্ধ বা কুস্তি, দ্যূত ক্রীড়া, বা পাশা খেলো, দাবা ...
ঔপনিবেশিক বাংলায় আধুনিক বিজ্ঞান চর্চার সূত্রপাত প্রসঙ্গে স্কুল বুক সোসাইটির ভূমিকা নির্ণয় করো?
উদ্দেশ্য ইংরেজি শাষিত বঙ্গদেশে ১৯ শতকের শুরু থেকেই যেন জ্ঞান বিজ্ঞানের চর্চার ক্ষেত্রে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছিল। বিশেষত কলকাতায় অভিজাত বাঙালি সমাজের ইংরেজি শেখা ও পাশ্চাত্য সাহিত্য ওসংস্কৃতি বিষয় চর্চার ক্ষেত্রে বিশেষ তাগি দেখা দিয়েছিল। এই সকল মানুষদের আগ্রহকে কেন্দ্র করে কলকাতায় ১৮১৭০০ খ্রিস্টাব্দে ‘হিন্দু কলেজ’ প্রতিষ্ঠিত হয় ও তার সূত্র ধরেই গড়ে ওঠে কলকাতা ...
ঔপনিবেশিক বাংলার শ্রীরামপুর মিশন আধুনিক বিজ্ঞান চর্চার প্রচার ও প্রসারে কিভাবে অংশ নিয়েছিল, তা পর্যালোচনা করো?
১৮০০ খ্রিস্টাব্দে উইলিয়াম কেরি প্রতিষ্ঠা করেন শ্রীরামপুর মিশন। বাংলা গদ্য চর্চা ইতিহাসে এই মিশন ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেও কায়ার সঙ্গে ছায়ার মত চলেছিল বৈজ্ঞানিক চর্চা। মুদ্রণ শিল্পের ইতিহাসে এই মিশন ছাপ রাখে বৈজ্ঞানিক চিন্তাধারায়। গুরুত্ব শ্রীরামপুর মিশনে পঞ্চানন কর্মকারাই প্রথম বাঙালি জিনিস ছাপার জন্য অক্ষর তৈরি করতে শিখেছিলেন। এতে বাংলা গদ্যের জগতে এলেও চরম বিবর্তন। উইলিয়াম ...
