“একটি ক্ষুদ্র বালিকা নীরবে তাহার মুখপানে চাহিয়াছিল…।” বালিকা বলতে শৈবালিনীকে বোঝানো হয়েছে। সে নবদুর্বাদল শয্যায় শয়ন করে প্রতাপের দিকে তাকিয়েছিল। ...
শৈবালিনী চরিত্রের আত্মকেন্দ্রিকতা, হৃদয়বৃত্তির উগ্রতা, স্বার্থপরতার দহনজ্বালা তাকে শোচনীয় পদস্খলনের দিকে ঠেলে দিয়েছে, এবং যার ফলে শুধু তার ও চন্দ্রশেখরের দাম্পত্য জীবনেই বিপর্যয় ঘটেনি, প্রতাপের জীবনও ধ্বংস গাড়িচা হয়েছে। -উপন্যাসটি অবলম্বনে এই মতের সমর্থনে তোমার মতামত দাও।
বাল্যপ্রেমকে সার্থক করতে একসাথে ডুবে মরতে গিয়ে প্রতাপ ডুবলেন, শৈবালিনী ডুবলেন না। তিনি ভাবলেন- “কেন মরিব? প্রতাপ আমার কে? আমার ...
‘শুনিয়া প্রতাপের মাথায় বজ্র ভাঙ্গিয়া পড়িল। তিনি বৃশ্চিক দষ্টের ন্যায় পীড়িত হইয়া সে স্থান বেগে পলায়ন করিলেন।’ কার কথা শুনে কেন প্রতাপের এই অবস্থা বিস্তারিত লেখো। ‘বজ্র ভাঙ্গিয়া পড়িল’ ও ‘বৃশ্চিক দষ্টের ন্যায়’ অংশ দুটির কী? যে সত্য প্রতাপ উপলব্ধি করলেন তার পরিপ্রেক্ষিতে কী করেছিলেন?
শৈবালিনীর কথা শুনে প্রতাপের এমন অবস্থা হয়েছিল। শৈবালিনী ও প্রতাপ বাল্য হতে ভালোবাসতেন দুজন দুজনকে। কিন্তু সামাজিক সম্পর্ক তথা আত্মীয়তার ...