‘ইয়ং বেঙ্গল’ বা ‘নব্যবঙ্গ’ নামে কারা পরিচিত? ইয়ং বেঙ্গল আন্দোলনের সীমাবদ্ধতা ও ব্যর্থতা গুলি উল্লেখ করো?
‘ইয়ং বেঙ্গল’ বা ‘নব্যবঙ্গ’ কলকাতার হিন্দু কলেজে অধ্যাপক হেনরি লুই ভিভিয়ান ডিরোজিওর ১৮০৯-৩১ খ্রিস্টাব্দে নেতৃত্বে বাংলার এক সামাজিক ও সংস্কৃতিক আন্দোলন গড়ে ওঠে। কানেতে তে কিছু আশীর্বাদী যুবক প্রচলিত হিন্দু ধর্ম ও সমাজের প্রতি শ্রদ্ধা হারিয়ে পাশ্চাত্য সভ্যতা ও সংস্কৃতির অন্ধ অনুকরণের মাধ্যমে দেশ এক চরমপন্থী ভাবধারায় প্রচার করে। ডিরোজিওর নেতৃত্বাধীন এই তরুণ গোষ্ঠী ‘ইয়ং ...
ডিরোজিওর নেতৃত্বে বাংলা সংস্কার আন্দোলন সম্পর্কে আলোচনা করো? ডিরোজিও মৃত্যুর পর এই আন্দোলনের কি পরিণতি হয়েছিল?
ডিরোজিওর নেতৃত্বে বাংলায় সংস্কার আন্দোলন ইয়ং বেঙ্গল আন্দোলনের প্রাণ পুরুষ ছিলেন হেনরি লুই ভিভিয়ান ডিরোজিও ১৮০৯-১৮৩১ খ্রিস্টাব্দে। তিনি কলকাতায় এন্টালি অঞ্চলে এক ইঙ্গ পর্তুগিজ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ডেভিড ড্রামডের ধর্মতলা একাডেমিতে শিক্ষা লাভ করেন। উনবি শতকে বাংলার সংস্কার আন্দোলনের প্রলয়শিখা ডিরোজিও ১৮২৬ খ্রিস্টাব্দে মাত্র ১৭ বছর বয়সে হিন্দু কলেজে ইংরেজি ও ইতিহাসের অধ্যাপক নিযুক্ত ...
রামমোহন রায়ের পরবর্তীকালে ব্রাহ্ম আন্দোলনে অগ্রগতি সম্পর্কে আলোচনা করো?
রামমোহন রায়ের পরবর্তীকালে ব্রাহ্ম আন্দোলন রাজা রামমোহন রায়ের মৃত্যুর ১৮৩৩ খ্রিস্টাব্দে পর তার প্রতিষ্ঠিত ব্রাহ্মণ সমাজের আন্দোলন কিছুটা দুর্বল হয়ে পড়ে। অবশ্য পরবর্তীকালে দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং তারপর কেশব চন্দ্র সেন ব্রাহ্মণ সমাজের আন্দোলনকে নতুন করে সক্রিয় করে তোলেন। রামমোহন রায়ের পরবর্তীকালে দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৮১৭-১৯০৫ খ্রিস্টাব্দে ওকে সবচন্দ্র সেন ১৮৩৮-১৮৮৪ খ্রিস্টাব্দে আমলে ব্রাহ্মণ সমাজের আন্দোলনের অগ্রগতি ...
বাংলা সাহিত্য ও সাংবাদিকতার অগ্রগতির ক্ষেত্রে রাজা রামমোহন রায়ের অবদান উল্লেখ করো? রামমোহন রায়ের সীমাবদ্ধতা গুলি উল্লেখ করো?
ভূমিকা : ঔপনিবেশিক শাসনকালে ভারতীয় সমাজ ও সংস্কৃতি পশ্চাৎগামিতা দূর করার উদ্দেশ্যে যারা অসম্মান ও অবদানের স্বাক্ষর রেখেছেন তাদের মধ্যে সর্বাধিক উল্লেখযোগ্য হলেন রাজা রামমোহন রায় ১৭৭২-১৮৩৩ খ্রিস্টাব্দে। ভারতীয় সমাজের মধ্যযুগীয় অন্ধকার দূর করার উদ্দেশ্যে তিনি বহুমুখী সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছিলেন। এইসব সংস্কারের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল সাহিত্য ও সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে তার অসামান্য ভূমিকা। বাংলা সাহিত্যের ক্ষেত্রে ...
প্রাশ্চাত্য শিক্ষা গ্রহণের উপনিবেশিক ভারতের মধ্যবিত্ত শ্রেণীর উদ্যোগ সম্পর্কে আলোচনা করো? মধ্যবিত্ত শ্রেণীর পাশ্চাত্য শিক্ষা গ্রহণের তাৎপর্য উল্লেখ করো?
প্রাশ্চাত্য শিক্ষা গ্রহণে ভারতের মধ্যবিত্ত শ্রেণীর উদ্যোগ ভারতে ব্রিটিশ শাসন প্রতিষ্ঠার প্রথম পূর্বে পাঠশালা, টোল, মক্তব, মাদ্রাসা প্রভৃতি ছিল শিক্ষা কেন্দ্রিক প্রাচীন শিক্ষাদানের প্রথা চালু ছিল। পরবর্তীকালে খ্রিস্টান মিশনারী, ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ও বিভিন্ন প্রগতিশীল ব্যক্তিদের উদ্যোগে ভারতে প্রচুর শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠে। এসব প্রতিষ্ঠানে ইংরেজি ও আধুনিক প্রাশ্চাত্য শিক্ষাদান করা হতো। ভারতের মধ্যবিত্ত শ্রেণীর ...
