‘বৈষ্ণব কবিতা’য় রবীন্দ্রনাথ অভিনব দৃষ্টিতে বৈষ্ণব পদাবলীকে দেখেছেন। তাঁর সেই দৃষ্টির পরিচয় দাও। ভক্ত বৈষ্ণবের বিশ্বাস থেকে ওই দৃষ্টির পার্থক্য নির্দেশ করো।

বৈষ্ণব কবিতার সম্বন্ধে রবীন্দ্রনাথের অভিনব দৃষ্টির উল্লেখ করতে গিয়ে সর্বপ্রথম তাঁর রচিত ছিন্নপত্রের ৪৮ সংখ্যক পত্রে তিনি লিখেছেন, “বৈষ্ণব কবিরা গভীর রাত্রে ঝড়ের সময় রাধিকার অকাতর অভিসার সম্বন্ধে অনেক ভালা মিষ্টি মিষ্টি কবিতা লিখেছেন; কিন্তু একটা কথা ভাবেননি, এরকম ঝড়ে কৃষ্ণের কাছে তিনি কী মূর্তি নিয়ে উপস্থিত হতেন। এ সব কথা কিন্তু বৈষ্ণব কবিদের লেখা ...

Read more

‘‘বৈষ্ণব কবিতায় রবীন্দ্রনাথের বক্তব্য কী? ভক্ত, ‘বৈষ্ণবের বিশ্বাসের থেকে ওই বক্তব্যের পার্থক্য নির্দেশ করো। তা থেকে রবীন্দ্রনাথের কোন পরিচয় পাও?

রবীন্দ্রনাথের ‘বৈষ্ণব কবিতা’টি পৃথিবীকে ভালোবাসার ঐকান্তিক আগ্রহে মমতাশ্রয়ী হয়ে উঠেছে। মায়া মোহ ভরা, স্নেহ প্রেম ভরা এ পৃথিবীতে যাঁরা মানবদেহধারী প্রেমময়, মায়াময়, প্রাণের ঠাকুরকে দেখেছিলেন, পেয়েছিলেন, সেই অমর কবিদের স্মরণ করলেন রবীন্দ্রনাথ তাঁর কবিতায়। তাঁর কবিতায় প্রথমেই তিনি বিস্ময় প্রকাশ করে প্রশ্ন তুলেছেন— রাধাকৃষ্ণের প্রেমলীলার চিত্রাদি বৈষ্ণব কবিরা কোথা থেকে পেলেন। একেবারে কল্পলোক থেকে তো ...

Read more

‘সোনার তরী’ কবিতায় রূপকের ছলে যে সকল ভাব ব্যবহৃত হয়েছে তা আলোচনা করো।

কবির কল্পনায় অনেক সময় একটি তত্ত্বকে বা ভাবগত সত্যকে একটি বিশেষ প্রকৃতি বিষয়ক ঘটনার মাধ্যমে জীবন্ত করে তোলার জন্য রূপকের আশ্রয় নিতে হয় কবিকে। নিজের চিন্তাকে বহুমনের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য কবি তাঁর ‘সোনার তরী’ কবিতায় নাম ভূমিকাতেই রূপকের আশ্রয় নিয়েছেন। তরী কখনও সোনার হয় না—রুপুকের চ্ছলেই ‘সোনার তরী’ নাম রেখে কবি বলতে চেয়েছেন যে ...

Read more

সোনার তরী কবিতার শৈলী বিচার করো।

কবিতার বা সাহিত্যের মূল কাজ ভাষা নির্ভর সৌন্দর্যের সৃষ্টি। বিশ্বস্রষ্টা ব্রয়ার সঙ্গে সাহিত্যস্রষ্টার কর্মের ফারাক থাকে না, তাঁর সৃষ্টি হয়ে ওঠে ‘ব্রহ্মাস্বাদ সহোদর’। আধুনিক সমালোচনা পদ্ধতিতে এই সৌন্দর্যের গভীরে ডুব দিয়ে তার রহস্য খুঁজে নেওয়ার একটা বাসনা থাকে। সাহিত্য সম্পর্কে আধুনিক ভাবনাচিন্তা ও বিংশ শতকের ভাষা বিজ্ঞানের সমন্বয়ে তৈরি হয়েছে আধুনিক শৈলী বিজ্ঞান। সাহিত্যের ভাষা ...

Read more

‘সোনার তরী’ চিত্রগীতের অনন্য গঠনশৈলী’ ব্যাখ্যা করো।

১২৯৮ বঙ্গাব্দে ফাল্গুন মাসে শিলাইদহে কবিতাটি রচনা করেন। ৩০টি পঙক্তি, এর ৬টি স্বকে সজ্জিত এই কবিতায় এক অনন্ত বিষাদবাণী মর্ত্যভূমি ছেড়ে কোনও এক অজানাকে না পাওয়ার বাসনায় ঊর্ধ্বগামী হয়েছে। কবিতার শুরুতেই আছে ‘কূলে একা বসি আছি, নাহিভরসা’, যা কবিতার শেষের ‘শূন্য নদীর তীরে রহিনু পড়ি’, সঙ্গে অসামান্য ভাবসঙ্গতি রক্ষা করেছে। মিশ্রবৃত্ত ছন্দে লেখা এই কবিতার ...

Read more