‘বিভাজন ও শাসন নীতি’ বলতে কী বোঝো? ব্রিটিশ সরকার কি কারণে ভারতে হিন্দু মুসলিম সম্প্রদায়িক বিভেদ বৃদ্ধির চেষ্টা করে? ব্রিটিশ সরকারের উদ্যোগে ভারতের সম্প্রদায়িক বিভেদ নীতি প্রসারের পরিচয় দাও?
‘বিভাজন ও শাসন নীতি’ শুভ প্রাচীন কাল থেকে ভারতে বিভিন্ন ধর্ম সম্প্রদায়ের মধ্যে সম্প্রতি বজায় থাকলেও ব্রিটিশ শাসনকালে সরকার নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থ চিরতার্থ করার উদ্দেশ্যে সুকৌশলে এই সম্প্রতি ধ্বংস করে এবং হিন্দু ও মুসলিমদের মধ্যে বিভেদের প্রাচীর গড়ে তোলে। মূলত ভারতের ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন দুর্বল করে এদেশে ব্রিটিশ শাসক কে নিরাপদ ও দীর্ঘস্থায়ী করার উদ্দেশ্যে ...
মিরাট ষড়যন্ত্র মামলা ১৯২৯ খ্রিস্টাব্দে প্রেক্ষাপট ও পরিণতি সম্পর্কে আলোচনা করো?
ভূমিকা ভারতে ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা সংগ্রামের একটি উল্লেখযোগ্য ধারা ছিল কমিউনিস্ট এর নেতৃত্বাধীন আন্দোলন 1925 খ্রিস্টাব্দে ২৬ ডিসেম্বর কানপুরে ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠার পর থেকে এই পার্টি দেশের কৃষক ও শ্রমিকদের ভারতের জাতীয় আন্দোলন শামিল করার চেষ্টা চালিয়ে যায়। বামপন্থার আদর্শের প্রসার এবং কমিউনিস্ট পার্টির নেতৃত্বে ব্যাপক সৌমিক আন্দোলন ব্রিটিশ সরকারের পক্ষে ভারতীয় ...
রাওলাট সত্যাগ্রহ কি? জালিয়ানওয়ালাবাগের হত্যাকাণ্ডের পটভূমি উল্লেখ করো?
রাওলাট সত্যাগ্রহ গান্ধীজী এক সময় ভারতের ব্রিটিশ শাসনকে ঈশ্বরের আশীর্বাদ বলে মনে করলেও কুখ্যাত রাওলাট আইন সুপারিশ গুলি কংগ্রেসের উদীয়মান নেতা মহাত্মা গান্ধীকে বিস্মিত করে। এই আইনের পরিপ্রেক্ষিতে গান্ধীজীর ব্রিটিশ শাসনকে শয়তানবাদ বলে অবহিত করেন। ডক্টর তারা চাঁদের মতে, গান্ধীজীর মনের এই পরিবর্তন ভারতের সাম্রাজ্যের নৈতিক ভিত্তি কে দুর্বল করে দিয়েছিল। তিনি এই আইনের বিরুদ্ধে ...
রাওলাট আইন বিরোধী আন্দোলনের সরকার কিরূপ দমনপীড়ন চালিয়েছিল?
সূচনা প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পরবর্তীকালে ভারতে ব্রিটিশ বিরোধী বিপ্লবী কার্যকলাপ ও গণ আন্দোলন করার উদ্দেশ্যে সরকার বিচারপতির স্যার সিডনি রাওলাটের সভাপতিত্বে পাঁচ জন সদস্যকে নিয়ে একটি কমিটি গঠন ১৮১৭ খ্রিস্টাব্দে করে। এই রাওলাট কমিশন বা সিডিশন কমিশন নামে পরিচিত। এই কমিটির সুপারিশ ভিত্তিতে সরকার ১৯১৯ খ্রিস্টাব্দে ১৩ মার্চ এক তীব্র দমন মূলক আইন পাস করে। এই ...
রাওলাট আইনের ১৯১৯ খ্রিস্টাব্দের শর্তগুলি কি ছিল? এই আইনের বিরুদ্ধে ভারতীয়দের প্রাথমিক প্রতিক্রিয়া কি হয়েছিল?
সূচনা প্রথম বিশ্বযুদ্ধে ১৯১৪-১৮ খ্রিস্টাব্দের সময় ব্রিটিশ সরকার চেয়েছিল যুদ্ধে ভারতের অর্থ, সম্পদ ও জনবল পূর্ণভাবে ব্যবহার করতে। যুদ্ধের সময় ব্রিটিশ সরকার ভারতীয়দের বিভিন্ন আকর্ষণীয় প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভারতের গণ আন্দোলন প্রশমিত করার উদ্যোগ নেয়। কিন্তু যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর সরকার সেসব প্রতিশ্রুতির কথা ভুলে গিয়ে ভারতীয়দের ওপরে বিভিন্ন দমন মূলক নীতি চাপিয়ে দেয়। ভারতীয়দের মতামত ...
