দক্ষিণ ভারতের মন্দিরে প্রবেশ সংক্রান্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা আন্দোলনের পরিচয় দাও?

সূচনা ব্রিটিশ শাসনকালে ভারতীয় হিন্দুদের মধ্যে যে সামাজিক বিভেদ বিদ্যমান ছিল তা সবচেয়ে তীব্র আকার ধারণ করেছিল দক্ষিণ ভারতে। দক্ষিণ ভারতের কেরালায় নিম্ন বর্ণের হিন্দুরা হিন্দু মন্দিরের প্রবেশ ও মন্দির সংলগ্ন পথ সহ অন্যান্য কিছু পথে যাতায়াত করার অধিকার পেতো না। সেখানে ইঝাবা ও পুলায়া উচ্চ বরণের মানুষের যথাক্রমে ১৬ ফুট ও ৭২ ফুটের চেয়ে ...

Read more

ব্রিটিশ শাসনকালের মধ্যে ভারতের দলিত সম্প্রদায়িক কিরূপ সমাজের বৈষম্যের শিকার হত? এই বৈষম্যের বিরুদ্ধে গড়ে ওঠা দলিত শ্রেণীর আন্দোলনের সূত্রপাত ও প্রসার সম্পর্কে আলোচনা করো?

সূচনা ব্রিটিশ সরকার ভারতের বিভিন্ন ধর্ম ও জাতির মধ্যে সাম্প্রদায়িক বিভেদ সৃষ্টি করে এদেশের ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে ধ্বংসের চেষ্টা চালিয়েছিল। তবে ক্ষেত্রে ভারতীয় সমাজ ব্যবস্থার কিছু রীতি, সংস্কার কম দায়ি ছিল না। মধ্য ভারতের হিন্দু বলয়ে দক্ষিণ ভারতের, বিশেষ করে কেরালায় হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে এরূপ সম্প্রদায়িক বিভেদ ব্যাপক আকার ধারণ করেছিল। দলের হিন্দু সম্প্রদায় গান্ধীজি ...

Read more

সাম্প্রদায়িক বাঁটোয়ারা নীতি কি এবং এই নীতির প্রবর্তনের প্রেক্ষাপট মূল নীতিগুলির উল্লেখ করো? এই নীতির কি প্রক্রিয়া হয়েছিল?

সম্প্রদায়িক বাঁটোয়ারা নীতি ব্রিটিশ সরকার ভারতের তাদের শাসন ও নিরাপদ ও দীর্ঘস্থায়ী করার উদ্দেশ্যে হিন্দু মুসলিম সহ বিভিন্ন ধর্ম সম্প্রদায়ের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি চেষ্টা চালায়। এজন্য সরকার ভারতে বিভাজন ও শাসন নীতি অনুসরণ করে। সরকারের বিভাজন ও শাসন নীতিকে কার্যকরী করতে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী রামেস ম্যাকডোনাল্ড ১৯৩২ খ্রিস্টাব্দে আগস্ট মাসে বিভিন্ন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জন্য পৃথক নির্বাচনের ...

Read more

নেহেরু রিপোর্ট কি? এই রিপোর্ট সম্পর্কে মুসলিম লীগের মনোভাব কিরূপ ছিল? মোহাম্মদ আলী জিন্নার চোদ্দো দফা দাবি সম্পর্কে কি জানো?

নেহরু রিপোর্ট ভারতীয়দের ক্ষোভ প্রশমন এর উদ্দেশ্যে ব্রিটিশ সরকার সাংবিধানিক সংস্কারের উদ্যোগ নেয়। এই অঙ্গ হিসেবে সরকার সাইমন কমিশন গঠন করে। এই কমিশন ১৯২৭ খ্রিস্টাব্দে ভারতে আসে। সাইমন কমিশনের বিরোধিতা করে ভারতের জাতীয়তাবাদী নেতা মতিলাল নেহেরুর নেতৃত্বে নেহেরু রিপোর্ট ১৯২৮ খ্রিস্টাব্দে রচিত হয়। ১. ভারতীয়দের ক্ষোভ ভারতের সংবিধান রচনা করার উদ্দেশ্যে ব্রিটিশ সরকার যে সাইমন ...

Read more

অসহযোগ আন্দোলনের পরবর্তীকালে ভারত সাম্প্রদায়িক বিভাগ বৃদ্ধি সম্পর্কে আলোচনা করো?

সাম্প্রদায়িক বিভেদ বৃদ্ধি খিলাফত ও অসহযোগ আন্দোলনের সময় হিন্দু মুসলিম সম্প্রতি শক্তিশালী হয়। অসহযোগ আন্দোলন অংশ নিয়ে কিছু আন্দোলনকারী উত্তরপ্রদেশের চৌরিচৌরায় বেশ কিছু পুলিশকে পুড়িয়ে মারলে পাঁচ ফেব্রুয়ারি, ১৯২২ খ্রিস্টাব্দে গান্ধীজি আন্দোলন প্রত্যাহার করেন। এদিকে তুরস্কের খিলাফৎ লুপ্ত হলে ভারতে খিলাফত আন্দোলন থেমে যায়। ফলে হিন্দু মুসলিম সম্প্রতির স্থাপনের চেষ্টা ব্যর্থ হয় এবং পুনরায় উভয় ...

Read more