‘আই সেকেণ্ড দি রেজোলুশন’। — ‘একেই কি বলে সভ্যতা?’র প্রহসনের প্রেক্ষাপটে বক্তব্যটির তাৎপর্য বিচার করো।
মধুসূদন দত্তের ‘একেই কি বলে সভ্যতা?’ প্রহসনে ইয়ংবেঙ্গলদের সভায় অনেকগুলি শব্দ উচ্চারিত হয়েছে। যেমন- হিয়র, হিয়র, আমি এ মোসন সেকেণ্ড করি, এতে দেখছি কারো অবজেকশন নাই, হিপ্ হিপ্ হরে হরে, ব্রাভো ব্রাভো, ব্রাভো হিয়ার ইত্যাদি। ঐ সমস্ত কথা দিনরাত সভায় উচ্চারণ করতে করতে নবকুমার ও তার সঙ্গীরা বাড়ীতেও ঐ সমস্ত শব্দ বলে ফেলতো। নবকুমারের ঘরে ...
‘একেই কি বলে সভ্যতা?’ প্রহসনে নব্যযুবকদের কোন্ কোন্ সামাজিক দোষ দেখানো হয়েছে আলোচনা করো।
পাশ্চাত্য শিক্ষায় শিক্ষিত নব্যযুবকদের সামাজিক দোষ দেখানোর উদ্দেশ্যেই ‘একেই কি বলে সভ্যতা?’ মধুসূদন রচনা করেছিলেন। আলোচ্য প্রহসনে নব্যযুবকদের যে কয়টি দোষ পরিস্ফুটনের আয়োজন করা হয়েছে সেগুলি যথাক্রমে নিম্নরূপ- (১) মদ্যপান, (২) বারবণিতাসক্তি, (৩) কুখাদ্য গ্রহণ, (৪) স্বাধীনতার নামে উচ্ছৃঙ্খল জীবনযাপন। উনিশ শতকে পাশ্চাত্য শিক্ষা প্রবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে পাশ্চাত্য জীবন ও সভ্যতার নানা দোষ শিক্ষিত যুবসম্প্রদায়ের ...
‘একেই কি বলে সভ্যতা?’ প্রহসনে সামাজিক সমস্যার কথা বলা হলেও শিল্পসৌন্দর্য অনুপস্থিত নয়। আলোচনা করো।
‘একেই কি বলে সভ্যতা?’য় সমসাময়িক যুগসমস্যার সঙ্গে শিল্পধর্ম রূপায়িত হয়েছে।-আলোচনা করো।‘একেই কি বলে সভ্যতা?’ প্রসঙ্গে এমন অভিযোগ করা হয়েছে যে, রচনাটিতে সোজাসুজি সামাজিক সমস্যার কথা বলা হয়েছে বলে কোনো শিল্পসৌন্দর্যের দাবি এর নেই।—আলোচনা করো। “একেই কি বলে সভ্যতাকে উচ্চশ্রেণীর প্রহসন বলিয়া অভিনন্দিত করা যায় না। ইয়ং বেঙ্গল সম্প্রদায়ের মধ্যে অনেকে মদ্যপান করিত ও বেশ্যাসক্ত হইয়াছিল ...
‘একেই কি বলে সভ্যতার উপাদান গ্রহসনকারের অভিজ্ঞতালব্ধ উপাদান।’—আলোচনা করো।
ইতিহাসের উপাদানের সাহায্যে ও পুরাণ উপাদানের সাহায্যে ‘কৃষ্ণকুমারী’, ‘শর্মিষ্ঠা’ নাটক রচনার পর মধুসূদন সমাজ বা জীবিত চরিত্রকে কেন্দ্র করে নাটক লিখতে মনস্থ করেন। তার ফলশ্রুতিতে তিনি তৎকালীন সামাজিক অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে ‘একেই কি বলে সভ্যতা?’ প্রহসনটি রচনা করেন। অবশ্য প্রহসনটি যে মধুসূদনের অভিজ্ঞতালব্ধ উপাদানের রূপায়ণ যে বিষয়ে সন্দেহ নেই। কেননা, মধুসূদনের আলোচ্য প্রহসনে যে চিত্র, চরিত্র ...
‘একেই কি বলে সভ্যতা?’ প্রহসনে অপ্রধান চরিত্রগুলির পরিচয় বিশ্লেষণ করো।
মধুসূদনের ‘একেই কি বলে সভ্যতা?’র অপ্রধান চরিত্রগুলি যথাক্রমে বৈষ্ণব বাবাজী, সারজেন্ট, চৌকিদার, গৃহভৃত্য বৈদ্যনাথ, দুজন মুটে ইত্যাদি। বৈষ্ণব বাবাজী : নবকুমারের পরম বৈষ্ণব পিতার যে কয়জন অনুগত সহকর্মী ছিল তাদের মধ্যে বৈষ্ণব বাবাজী প্রহসনের অন্যতম চরিত্র। বৈষ্ণব বাবাজীর চরিত্র তাদেরই প্রতিনিধি যারা ধর্মের নামে গোঁড়ামি ও ভণ্ডামিতে, কাপট্য, চরিত্রহীনতা, জাতের নামে বজ্জাতি, তিলকের অন্তরালে নারীলোলুপতায় ...
