বেশি ঠান্ডা লড়াইয়ের ট্রুম্যান নীতি ও মার্শাল পরিকল্পনার ভূমিকা কি ছিল?
সূচনা ইউরোপের শহীদ রাশিয়ার আধিপত্য ও সাম্যবাদী আদর্শের বিস্তার রোধ করার জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট যে নীতি ঘোষণা করেন ১৯৪৭ বারো মার্চ তার ট্রুম্যান ডকট্রিন নামে এবং তৎকালীন বিদেশ মন্ত্রী জর্জ মার্শাল যে নীতি ঘোষণা করেন ১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দে পাঁচজন তাম মার্শাল পরিকল্পনা নামে পরিচিত। ট্রুম্যান নীতি ও ঠান্ডা লড়াই মূল বক্তব্য ১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দে ১২ মার্চ মার্কিন ...
১৯৪২ খ্রিস্টাব্দে থেকে ১৯৪৮ খ্রিস্টাব্দে পর্যন্ত ঠান্ডা লড়াইয়ের ক্রমে বিকাশের উপর আলোকপাত করো?
সূচনা ঐতিহাসিকদের ধারণায় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অনেক আগেই ঠান্ডা লড়াই রাজনীতির জন্ম হয়েছিল। অনেকের মধ্যে ১৯১৭ খ্রিস্টাব্দের অক্টোবর রাশিয়ার বলশেভিক বিপ্লবের মাধ্যমে কমিউনিস্টদের ক্ষমতায় আসার মধ্যে ঠান্ডা লড়াইয়ের বীজ লুকিয়ে ছিল। অনেকে আরও পিছিয়ে গিয়ে ১৮৭০ খ্রিস্টাব্দে জার্মানি ও ইতালির একত্রিত করনের ফলে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে যে শক্তি সাম্যের সূচনা ঘটেছিল তার মধ্যে ঠান্ডা লড়াইয়ের বীজ নিহিত ...
ঠান্ডা যুদ্ধের তাত্ত্বিক ধারণা গুলি ব্যাখ্যা করো?
সূচনা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর বিশ্বে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে এক বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ও বিতর্কিত বিষয় হল ঠান্ডা লড়াই। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েতের ইউনিয়নের নেতৃত্বাধীন রাষ্ট্র জোটের মধ্যে সংঘটিত ঠান্ডা যুদ্ধে চরিত্র বা এই যুদ্ধের দায়বদ্ধতা নিয়ে ইতিহাসমূল ও রাষ্ট্রতত্ত্ববিদদের মধ্যে পরস্পর বিরোধী ধারণা লক্ষ্য করা যায়। এই পরস্পর বিরোধী ধারণা গুলি হল ঠান্ডা যুদ্ধের তাত্ত্বিক ধারণা। ঠান্ডা যুদ্ধের ...
‘ঠান্ডা লড়াই’ কি? এর পটভূমি সম্বন্ধে কি জানো? অথবা, ‘ঠান্ডা লড়াই’ কাকে বলে? কোন পরিস্থিতিতে ‘ঠান্ডা লড়াই’ -এর উদ্ভব হয়? অথবা, ঠান্ডা লড়াই বলতে কী বোঝো? কোন পরিস্থিতিতে ঠান্ডা যুদ্ধের উদ্ভব হয়?
ঠান্ডা লড়াই পরিচিতি ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দের দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষ হয়। এরপর বিজয়ী মিত্র শক্তিবর্গ দুটি পরস্পর বিরোধী রাষ্ট্রপতিতে বিভক্ত হয়ে বিশ্বে এক অভিনব রাজনৈতিক বাতাবরণ সৃষ্টি করে। এই দুই শিবিরের একদিক থেকে সোবিয়েড ইউনিয়নের নেতৃত্বে সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র জোট, অপরদিকে থাকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে পশ্চিমী গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র জোট। বিশ্বজুড়ে রাজনৈতিক ও সামরিক আধিপত্য গড়ে তোলার জন্য এই ...
দক্ষিণ- পূর্ব এশিয়ার অন্তর্গত ইন্দোনেশিয়াতে ইউরোপীয় উপনিবেশের বিরুদ্ধে প্রথম ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে পরিবর্তিত পরিস্থিতির পর্যালোচনা করো?
সূচনা জাভা, সুমাত্রা, দক্ষিণ বোর্নিয়ো, বালি, সেলিবিস, ফ্লওরএস, লাম্বাক, পশ্চিম ইরিয়ন, মালাক্কা দ্বীপপুঞ্জ এবং তিমুর দ্বীপের অংশবিশেষ নিয়ে গঠিত হয় ইন্দ্রোনেশিয়া। প্রাচীন যুগে এখানে হিন্দু ও রাজারা রাজত্ব করতেন। ষোড়শ শতকের শেষ দিকে স্পেনীয়, ইংরেজ এবং ডাচ (ওলান্দাজ) শক্তিবর্গ ইন্দোনেশিয়াতে প্রস্তাব বিস্তারের চেষ্টা করে। শেষ পর্যন্ত ডাচ বনি কোম্পানি ইন্দোনেশিয়াতে নিজেদের উপনিবেশ গড়ে তুলতে সফল ...
