“মুকুন্দরাম দুঃখের কথায় পঞ্চমুখ বটেন, তবু তাঁহাকে নৈরাশ্যবাদের কবি বলা যায় না।” কালকেতুর উপাখ্যানের সামগ্রিক রসাবেদনের আলোকে এই মন্তব্যটি সমর্থন অথবা প্রত্যাখ্যান করো।
“দুঃখ দৈন্যের ভাষাচিত্র অঙ্কনে মুকুন্দরামের কৃতিত্ব অসাধারণ হলেও সমগ্রভাবে মুকুন্দরাম দুঃখবাদের কবি নন।”- ‘চণ্ডীমঙ্গল’ কাব্যের প্রথম খণ্ডের আলোচনা প্রসঙ্গে উক্তিটি ...
“বাঙ্গালা দেশের এবং বাঙ্গালী মানুষের এমন পরিপূর্ণ চিত্র বাঙ্গালা সাহিত্যের আর কোথাও মিলে কিনা সন্দেহ।” ‘কবিকঙ্কণ চণ্ডী’ বিষয়ে উদ্ধৃত এই উক্তিটির যাথার্থ্য বিচার করো।
“এ যুগে জন্মগ্রহণ করিলে তিনি যে কবি না হইয়া একজন ঔপন্যাসিক হইতেন, তাহাতে সংশয়মাত্র নাই।”- কবিকঙ্কণ মুকুন্দ চক্রবর্তী সম্পর্কে এই ...
“মুকুন্দরামের কাব্যে যে সমাজসচেতনতা, বাস্তবজীবন-চেতনা ও কৌতুকরস সৃষ্টিনৈপুণ্য লক্ষ্য করা যায়, তাহাই তাঁহাকে মধ্যযুগের বাঙলা মঙ্গলকাব্যের শ্রেষ্ঠ কবির সিংহাসনে বসাইয়াছে।”- পাঠ্য ‘চণ্ডীমঙ্গল’ কাব্য প্রথম খণ্ড অবলম্বনে মন্তব্যটি বিচার করো।
চণ্ডীমঙ্গল কাব্য গ্রন্থ উৎপত্তির কারণ অংশটি আশ্রয় করে মুকুন্দরামের সমাজ-সচেতনতার পরিচয় দাও। চণ্ডীমঙ্গল কাব্যে সমাজচিত্র অনেক মনীষীই আক্ষেপ করে বলেছেন ...
“মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্যে মুকুন্দরাম বাস্তবতার প্রবর্তক নহেন, কিন্তু তাহার কাব্যে ইহার শ্রেষ্ঠ সাবলীলতম প্ৰকাশ।” প্রসঙ্গ ও দৃষ্টান্ত উল্লেখ করে মন্তব্যটির সমর্থন অথবা খণ্ডন করো।
চণ্ডীমঙ্গল কাব্যে বাস্তবতা চণ্ডীমঙ্গল কাব্য তথা অভয়ামঙ্গল কাব্যের রচয়িতা কবিকঙ্কণ মুকুন্দ চক্রবর্তীর আবির্ভাব ঘটে ষোড়শ শতকের মধ্যভাগে। চৈতন্যদেবের প্রভাব তখন ...
‘চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের প্রধান দেব-দেবী চরিত্রগুলি বিশ্লেষণ করে তার মধ্যে মানবিক উপাদানের পরিমাণ নির্ধারণ করো।
বাংলা দেশের বিশেষ একটি যুগসন্ধিক্ষণে একটি সামাজিক প্রয়োজনেই সম্ভবত সৃষ্টি হয়েছিল মঙ্গলকাব্যধারার। বাঙালী তখন একটি রাষ্ট্রীয় বিপর্যয়ের মুখে পড়ে প্রধানত ...