‘বুড়ো শালিকের ঘাড়ে রোঁ’ মূলত এক ব্যঞ্জনাধর্মী প্রহসন। উক্তিটির সত্যতা বিচার করো।

মাইকেল মধুসূদন কৃত প্রহসনটির প্রথম নাম ছিল ‘ভগ্ন শিবমন্দির’। যার মধ্যে ন্যায় ও সত্য প্রতিষ্ঠার প্রবণতা লক্ষিত হয়। পরে শুভানুধ্যায়ীদের পরামর্শানুক্রমে এর নামকরণ করা হয় ‘বুড়ো শালিকের ঘাড়ে রোঁ’। একদিকে ধর্মীয় ও দৈব আমরণের অনুষঙ্গ, অপরদিকে নারীকে একটি বিশুদ্ধ শক্তিরূপে লক্ষ্য করা এ নাটকের কাহিনি বিন্যাসের মূল পটভূমিকা। দুশ্চরিত্র ভক্তপ্রসাদ অত্যন্ত লঘুভঙ্গিতে নারী সম্পর্কে কয়েকটি ...

Read more

‘বুড়ো শালিকের ঘাড়ে রোঁ প্রহসনটির গঠনরীতি সম্পর্কে সংক্ষেপে আলোচনা করো।

দুই গৰ্ভাঙ্ক বিশিষ্ট মাত্র দুটি অঙ্কে ‘বুড়ো শালিকের ঘাড়ে রোঁ’ প্রহসনটি শেষ হয়েছে। এর প্রথম অঙ্কটিকে ভূমিকা বা প্রস্তুতি বললে দ্বিতীয় অঙ্কটিকে তার পরিণতি বলতে হয়। এ নাটকে ভক্তপ্রসাদকে বারবার বেলা শেষে, সন্ধ্যাবেলায় বা তার কাছাকাছি সময়ের পটভূমিকায় দেখা গেছে। মনে হয় এটি নাট্যকারের সচেতন ইচ্ছের ফলে ঘটেছে। প্রথম অঙ্কের প্রথম গভাঙ্ক শেষ হয়েছে ভক্তপ্রসাদের ...

Read more

‘বুড়ো শালিকের ঘাড়ে রোঁ প্রহসনটির পূর্ব নাম ছিল ‘ভগ্নশিব মন্দির’। এই পূর্ববর্তী ও পরিবর্তিত নামের মধ্যে কোন্‌টি ব্যঞ্জনাধর্মী বলে তোমার মনে হয়? যুক্তি সহ প্রমাণ দাও।

কেশবচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়ের একটি তারিখ বিহীন লেখা চিঠিতে মাইকেলের এই নাটকটিকে ‘ভগ্ন শিবমন্দির’ নামে উল্লেখ করা হয়েছে। এ থেকে অনুমান করা চলে নাটকটির এমন নামকরণ সম্ভবত করেছিলেন স্বয়ং নাট্যকার মাইকেল মধুসূদন দত্ত। মূলত পাইকপাড়ার রাজারা—যথা প্রতাপ চন্দ্র সিংহ এবং ঈশ্চরচন্দ্র সিংহ, মাইকেলের শুভানুধ্যায়ী ছিলেন। তাঁদের নাট্যানুরাগের জন্যই নিত্যনূতন নাট্যরচনায় মাইকেল মেতে ওঠেন। এই রাজাদের ব্যয়েই আলোচ্য ...

Read more

‘বুড়ো শালিকের ঘাড়ে রোঁ প্রহসনটির নামকরণের সার্থকতা বিচার করো।

কেশবচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়ের একটি তারিখ বিহীন লেখা চিঠিতে মাইকেলের এই নাটকটিকে ‘ভগ্ন শিবমন্দির’ নামে উল্লেখ করা হয়েছে। এ থেকে অনুমান করা চলে নাটকটির এমন নামকরণ সম্ভবত করেছিলেন স্বয়ং নাট্যকার মাইকেল মধুসূদন দত্ত। মূলত পাইকপাড়ার রাজারা—যথা প্রতাপ চন্দ্র সিংহ এবং ঈশ্চরচন্দ্র সিংহ, মাইকেলের শুভানুধ্যায়ী ছিলেন। তাঁদের নাট্যানুরাগের জন্যই নিত্যনূতন নাট্যরচনায় মাইকেল মেতে ওঠেন। এই রাজাদের ব্যয়েই আলোচ্য ...

Read more

‘বুড়ো শালিকের ঘাড়ে রোঁ’ প্রহসনরূপে কতখানি সার্থকতা অর্জন করেছে তা নির্ণয় করো।

‘প্রহসন’ কথাটির আভিধানিক অর্থ হল, প্রকৃষ্টরূপে হসন, অতিহাস্য পরিহাস। নাটকার্থে এ হল কোনো কল্পিত ও নিন্দনীয় বিষয়ের রচনা। এখন দেখা যাক, ‘বুড়ো শালিকের ঘাড়ে রো’ প্রহসনটিতে হাস্যরস সৃষ্টি করা হয়েছে কী উপায়ে। ‘বুড়ো শালিকের ঘাড়ে রোঁ’ কথাটির ভাবার্থ হল—বৃদ্ধ ব্যক্তির যুবার মতো বেশভূষা ও সাজসজ্জা করা। নাটকে যথার্থই একটি দৃশ্য আছে, যেখানে বৃদ্ধ ভক্তপ্রসাদবাবু যুবাবৎ ...

Read more