‘মুক্তধারা’ নাটকের নায়ক চরিত্র বিশ্লেষণ করো | মুক্তধারা নাটকে অভিজিৎ চরিত্রই নায়কের মর্যাদা সম্পন্ন—চরিত্র বিশ্লেষণ করে উক্তিটি যাথার্থ আলোচনা করো।
লেখক অভিলাষিত তকমা আরোপ না করে নিতান্ত স্বাভাবিক মানবিক চরিত্র চিত্রণে রবীন্দ্রনাথের জুড়ি মেলা ভার। তাঁর সৃষ্ট চরিত্রগুলি যার যেটুকু বিশেষত্ব চোখে পড়ে তা নিতান্তই চরিত্রটির বৈশিষ্ট্য হিসেবেই গণণীয়। আমাদের আলোচ্য ‘মুক্তধারা’ নাটকের নায়ক চরিত্রও সেই রকম মাটির বাস্তবতায় পূর্ণ অথচ কবিকল্পনার ছায়াময় আবেশ আবেগ তার মধ্যে দ্যোতিত হয়েছে। মাটির মায়ের কোলে জন্ম লাভ করে, ...
সমালোচকগণ বলেন, মুক্তধারা নাটক রবীন্দ্র নাট্যধারায় সাংকেতিক নাটকের পর্যায় ভুক্ত— এ প্রসঙ্গে তোমার মতামত আলোচনা করো।
রবীন্দ্রনাথের নাট্য সাহিত্যের অন্যতম অবদান হল রূপক ও সাংকেতিক নাটকগুলি। এগুলির প্রতীকী তাৎপর্য সীমাহীন। বিশিষ্ট রবীন্দ্র সাহিত্য-সমালোচক প্রমথনাথ বিশী এই পর্যায়ের নাটকগুলিকে তত্ত্বনাট্য নামে অভিহিত করেছেন কেন না, নাটকগুলির মধ্যে কোনো না কোনো তত্ত্বই ব্যাখ্যাত হয়েছে। শারদোৎসব’ নাটককে এই পর্যায়ের প্রথম সচেতন প্রয়াস বলা হয়। তারপর ক্রমে ক্রমে আমরা পেয়েছি ‘ডাকঘর’, ‘অচলায়তন’, ‘রাজা’, ‘রথের রশি’, ...
‘মুক্তধারা’ নাটকের নামকরণ যথাযথ ও সার্থক হয়েছে কিনা আলোচনা করো।
মুক্তধারা নাটকের প্রথম নাম রবীন্দ্রনাথ রেখেছিলেন ‘পথ’। কিন্তু সে নাম পরে পরিবর্তন করে রেখেছিলেন ‘পথ মুক্তি’, ‘পথ মোচন’ এবং অবশেষে নাম রাখলেন ‘মুক্তধারা’। এই নামকরণের পিছনে কবির নিশ্চয়ই কোনো না কোনো যুক্তি কাজ করেছিল। নিছক নাম দেবার স্বভাব তাঁর ছিল না। তার অন্যতম প্রমাণ ‘যোগাযোগ’ উপন্যাসের নামকরণের দৃষ্টান্তে। উপন্যাসটির নাম প্রথমে তিনি রেখেছিলেন ‘তিনপুরুষ’ পরে ...
‘মুক্তধারা’ নাটকের মূল বক্তব্য মর্মকথা | ‘মুক্তধারা’ নাটকের মধ্যে দিয়ে লেখকের কোন বক্তব্য প্রকাশিত হয়েছে তা আলোচনা কর।
নাটক-গল্প-উপন্যাস-কবিতা বা যে কোনো শিল্পের মধ্যে দুটি রূপ নিহিত। একটি তার বাহ্যিক রূপ, অপরটি অন্তর্নিহিত রূপ। বাহ্যিক রূপের মধ্যে শিল্পের রসালঙ্কারাদি রূপভেদের ও বাহ্যিক সৌন্দর্যের প্রকাশ লক্ষ করা যায়। আর অন্তর্নিহিত রূপের মধ্যে ফুটে ওঠে শিল্পটির মূল বক্তব্য- মর্মকথা। শিল্পের কাহিনি, ঘটনা সংঘটন, রসাভাস প্রভৃতির সঙ্গে মর্মবস্তুটির কোনো মিল থাকতেও পারে আবার না থাকতেও পারে। ...
‘একেই কি বলে সভ্যতা?’ এবং ‘বুড়ো শালিকের ঘাড়ে রোঁ’ নাটক দুটির তুলনামূলক আলোচনা করো।
প্রহসন সম্পর্কে মাইকেল মধুসূদনের যে বিশেষ উৎসাহ ছিল তা বলা যায় না। তথাপি ঘটনাক্রমে তিনি পর পর দুখানি প্রহসন লিখে ফেলেন। একই নাট্যকারের রচনা বলে স্বভাবতই এ দুটিতে নানা সাদৃশ্য ও সংযোগ পরিলক্ষিত হয়। পরিবেশের দিক থেকে বিচার করলে প্রথমটি কলকাতার পরিবেশে এবং দ্বিতীয়টি গ্রামের পরিবেশে স্থাপিত। তথাপি প্রথমটিতে বৈশ্বব বাবাজী গ্রাম জীবনের এবং দ্বিতীয়টিতে ...
