‘মুক্তধারা’ নাটকের প্রতীকতা বিচার করো।

‘মুক্তধারা’ বলতে মানব জীবনের অব্যাহত স্বচ্ছন্দ অবিরাম গতিকে বোঝানো হয়েছে। গতিস্রোতে মানুষ জন্ম-জন্মান্তরে নানা অবস্থার মধ্যে দিয়ে ক্রমাগত অগ্রসর হয়ে চলেছে। এই গতিই জীবনের স্বরূপ, গতিহীনতাই মৃত্যু। গতির মধ্যেই জীবনের সার্থকতা, গতিস্রোত বন্ধ হলেই মানুষের অন্তরাত্মা পীড়িত হয়। নানা জালজঞ্জাল ও ক্লেদপঙ্কে সাবলীলা প্রাণের লীলা ব্যাহত হয়। মানুষ তার নিত্য মুক্ত স্বাভাবিকতাকে উপলব্ধি করতে পারে ...

Read more

‘মুক্তধারা’ নাটকের মধ্যে ব্যক্তিচরিত্রের নামকরণগত যে তাৎপর্য নিহিত তার বিস্তারিত ব্যাখ্যা করো।

‘মুক্তধারা’ নাটকের নামগুলি বিশেষ অর্থসংকেত বহন করে। রবীন্দ্রনাথ স্বয়ং উত্তরকূটের অধিবাসীদের মারনেওয়ালা, এবং শিবতরাই-এর লোকেদের ‘মারখানেওয়ালা’ রূপে অভিহিত করেছেন। উত্তরকূট কথাটার অর্থ উত্তরের পাহাড় অর্থাৎ উচ্চস্তরে যে আছে, যারা মারনেওয়ালা বলে চিহ্নিত। আর শিবতরাই কথাটির অর্থ হতে পারে যূপকাষ্ঠের নীচে। তারা অত্যাচারিত অথচ তাদের মধ্যে স্বয়ং ভগবানের অধিষ্ঠান। দেহের ভোগাকাঙ্ক্ষায় আত্মা অত্যাচারিত, যূপকাষ্ঠে আবদ্ধ আত্মা, ...

Read more

বাউলের গান ‘মুক্তধারা’ নাটকে কী উদ্দেশ্য সাধন করেছে | বাউলের গান ‘মুক্তধারা’ নাটকে এক বিশেষ উদ্দেশ্য সিদ্ধ করেছে— সমালোচকের এই মত সাপেক্ষে আলোচনা করো।

সমগ্র নাটকে বাউলের একটি মাত্র গান ‘মুক্তধারা’ নাটকে অনিবার্য হয়ে উঠেছে কেন? আলোচনা করো। বাউলের প্রতি ও বাউলগানের প্রতি রবীন্দ্রনাথের প্রবল অনুরাগের প্রমাণ তাঁর সমগ্র সৃষ্টির মধ্যে ছড়িয়ে আছে। তিনি বাউলকে অনেক উচ্চে স্থান দিয়েছেন। বাউলের সহজিয়া তত্ত, মনের মানুষের অন্বেষণের সঙ্গে রবীন্দ্রনাথের জীবনদেবতাবাদের মিল খুঁজে পাওয়া যায়। বাউলের গান, গানের সুরও রবীন্দ্রনাথকে যথেষ্ট আচ্ছন্ন ...

Read more

‘মুক্তধারা’ নাটকে ধনঞ্জয়ের গানের মধ্যেই তার কর্ম পরিকল্পনা ও পরিচয় প্রচ্ছন্ন’—আলোচনা করো।

ধনঞ্জয়ের গানে কি ভাবে তার আত্মপরিচয় বিধৃত হয়েছে আলোচনা করো। রবীন্দ্র-নাটকের মধ্যে বিশেষ করে সাংকেতিক নাটকের মধ্যে গান হচ্ছে রহস্যের দ্বারোদঘাটনের চাবিকাঠি। তাই সাংকেতিক পর্যায়ের নাটকের মধ্যে গানের ভাব ও অর্থ নিরূপণ করা নিতান্ত জরুরী। আলোচ্য নাটকের মধ্যে গানগুলি নানা কারণে নানা ভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। কোনো গানে যেমন নাটকের মর্মকথা ব্যক্ত হয়েছে, তেমনি কোনো ...

Read more

বর্তমান যুগে ‘মুক্তধারা’ নাটকের প্রাসঙ্গিকতা আলোচনা করো।

রবীন্দ্রনাথকে বলা হয় কালোত্তীর্ণ কবি। কারণ তাঁর রচনা যুগে যুগে কালে কালে নব নব আলোকে নতুন প্রাসঙ্গিকতায় প্রতিবিম্বিত। সমকালীন যুগ-প্রেক্ষায় দেখা যায় তাঁর বক্তব্য তাঁর ভাবনা চিন্তা যেন উদ্দিষ্ট বিষয়কে কেন্দ্র করেই উদ্ভূত হয়েছিল। তাঁর গান কবিতা-গল্প-উপন্যাস-নাটকের মর্মবস্তুগুলি নতুন করে বিচার করতে বসলে এ সত্য সহজেই প্রতিভাত হয়। নাটকের মধ্যে ‘বিসর্জন’, ‘রক্তকরবী’, ‘তাচলায়তন’- এর কথা ...

Read more