সরকারি ভাষা সম্পর্কে সাংবিধানিক ধারাগুলি বর্ণনা করাে।
সরকারি ভাষা সম্পর্কিত সাংবিধানিক ধারাসমূহ অধিকাংশ রাজ্য বিধানসভা অথবা সংবিধানের অষ্টম তপশিলের অন্তর্ভুক্ত ২২টি ভাষাকে প্রধান ভাষা হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছিল, যা দেশের মােট জনসংখ্যার ৯১% ব্যবহার করে। এর মধ্যে হিন্দি ও তার সমগােত্রীয় ভিন্ন নমুনা উর্দু এবং হিন্দুস্থানীভাষী ৪৬%-এর দাবিদার। কেন্দ্রীয় সরকারি প্রয়ােজনে একটি ভাষা প্রস্তাবিত হলেও আঞ্চলিক ভাষাভাষী গােষ্ঠীগুলির সুবিধার্থে সংবিধান-রচয়িতারা সংশ্লিষ্ট রাজ্য ...
শিক্ষায় সমান সুযােগ সম্পর্কে কোঠারি কমিশন যেসব সুপারিশ করেছে সেগুলি আলােচনা করাে।
শিক্ষায় সমান সুযােগ সম্পর্কে কোঠারি কমিশনের সুপারিশ আর্থিক দিক থেকে দুস্থ জাতি, ধর্ম, বর্ণ, সম্প্রদায় নির্বিশেষে সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ যাতে শিক্ষায় সমান সুযােগসুবিধা ভােগ করতে পারে, তার জন্য কোঠারি কমিশন যেসব গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ করেছে সেগুলি হল— (১) অবৈতনিক শিক্ষা: সর্বস্তরের শিক্ষাকে ধীরে ধীরে অবৈতনিক করে তুলতে হবে। কমিশনের প্রস্তাব ছিল চতুর্থ পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা শেষ হওয়ার ...
সুযােগের সমতাবিধান বলতে কী বােঝায়? শিক্ষায় সুযােগের সমতাবিধানের জন্য করণীয় বিষয়গুলি উল্লেখ করো।
সুযােগের সমতাবিধান শিক্ষায় সুযােগের সমতাবিধানের প্রকৃত অর্থ ধর্ম, বর্ণ, জাতি, সামাজিক মর্যাদা, আর্থিক সঙ্গতি, স্ত্রী-পুরুষ অথবা অঞ্চল নির্বিশেষে রাষ্ট্রের সকল নাগরিকের নিজস্ব প্রবণতা ও দক্ষতা অনুসারে আত্মবিকাশের অধিকারী হওয়া। শিক্ষায় সুযােগের সমতাবিধান মূলত নির্ভর করে সুযােগের সম্প্রসারণের উপর। শিক্ষায় সুযােগের সমতাবিধানের তিনটি মৌলিক সূত্র বিদ্যমান। যথা— (১) সংখ্যাগত সম্প্রসারণ : সংখ্যাগত বিচারে প্রাথমিক শিক্ষার সম্প্রসারণ ...
সমসুযােগ বলতে কী বােঝায় ? শিক্ষায় সমসুযােগের ধারণাটি ব্যাখ্যা করাে।
১৯৪৯ খ্রিস্টাব্দের ২৫ নভেম্বর ভারতীয় সংবিধানের খসড়া কমিটির চেয়ারম্যান ড. বি আর আম্বেদকর সংবিধানসভার শেষভাষণে বলেছিলেন শিক্ষা, সমাজ ও অর্থনৈতিক দিক থেকে সাম্যের প্রয়ােজন। ভারতীয় সংবিধানে যে-সমস্ত মৌলিক অধিকারের কথা বলা হয়েছে তাদের মধ্যে অন্যতম হল সমসুযােগের অধিকার। ২৯নং ধারায় বলা হয়েছে যে, ধর্ম, জাতি ও ভাষার অজুহাতে কোনাে শিক্ষার্থীকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রবেশাধিকার থেকে বঞ্চিত করা ...
অনুন্নত শ্রেণি বলতে কাদের বােঝানাে হয়? অনুন্নত শ্রেণির উন্নতিকল্পে ইউ এন ধেবর-এর সভাপতিত্বে গঠিত কমিশনের সুপারিশ কী ছিল?
অনুন্নত শ্রেণি অনুন্নত শ্রেণির অন্তর্গত সেইসকল মানুষ যারা অনগ্রসর, যাদের অগ্রগতির পথে বিভিন্ন বাধা তাদেরকে সমাজে পিছিয়ে রেখেছে। সংবিধানে ‘অনগ্রসর শ্রেণি’ শব্দটির ব্যাখ্যা না থাকলেও তপশিলি জাতি, তপশিলি উপজাতিদের এই শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এই সকল মানুষজন সমাজের বিভিন্ন বাধা, কুসংস্কার রক্ষণশীল মনােভাব ধর্মের মানে বিভিন্ন কুপ্রথা ইত্যাদির প্রভাবে সমাজে অনেক পিছিয়ে। এদেরকে বলা হয় ...
