রাধাকৃষ্মণ কমিশনের প্রতিবেদনকে ভারতীয় শিক্ষার ইতিহাসে একটি মূল্যবান দলিল’ বলা হয় কেন— তা লেখাে।
ইতিহাসের মূল্যবান দলিল হিসেবে রাধাকৃষ্ণন কমিশনের প্রতিবেদন রাধাকৃষ্মণ কমিশনের প্রতিবেদনকে ভারতীয় শিক্ষার ইতিহাসে একটি মূল্যবান দলিল বলা হয়। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর দেশের শিক্ষাব্যবস্থা ঢেলে সাজানাের প্রয়ােজনীয়তা অনুভূত হয়। তাই স্বাধীনতার পরপরই ভারত সরকার ড. সর্বপল্লী রাধাকৃষ্মণের সভাপতিত্বে বিশ্ববিদ্যালয় কমিশন গঠন করে। উচ্চশিক্ষার মানােন্নয়নের জন্য এই কমিশন গঠন করা হলেও কিছু কিছু ক্ষেত্রে প্রাথমিক এবং ...
গ্রামীণ বিশ্ববিদ্যালয়ের ধারণা সম্পর্কে আলােচনা করাে। বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষা কমিশনের গ্রামীণ বিশ্ববিদ্যালয় সংক্রান্ত সুপারিশগুলি আলােচনা করাে।
গ্রামীণ বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কিত ধারণা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষা কমিশনের একটি গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ হল গ্রামীণ বিশ্ববিদ্যালয়ের ধারণা। কমিশন উপলদ্ধি করেছিল তৎকালীন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলির দ্বারা শহরের চাহিদাপূরণ হলেও গ্রামের চাহিদা উপেক্ষিত থেকে যায়। তাই গ্রামের ছেলেমেয়েদের চাহিদা মেটানাের জন্য গ্রামীণ বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিকল্পনা দেখা দেয়। গ্রামের শিক্ষার্থীরা যাতে গ্রামে থেকেই উচ্চশিক্ষার সুযােগ লাভ করতে পারে তাই কমিশন গ্রামীণ বিশ্ববিদ্যালয়ের ...
ধর্মশিক্ষা ও নৈতিক শিক্ষা, নারী শিক্ষা, ছাত্র কল্যাণ ও শরীরচর্চা সম্পর্কে রাধাকৃষ্মণ কমিশনের সুপারিশগুলি উল্লেখ করাে।
স্বাধীনতা লাভের পর জাতীয় জীবনের আশা-আকাঙ্ক্ষার কথা স্মরণে রেখে দেশে দ্রুত অগ্রগতির জন্য ড. সর্বপল্লী রাধাকৃষ্মণের নেতৃত্বে একটি উচ্চশিক্ষা কমিশন গঠন করা হয়। ভারতবর্যে উচ্চশিক্ষাকে নতুনভাবে গড়ে তােলার প্রয়ােজনীয়তা উপলদ্ধি করে, শিক্ষার্থীরা। যাতে সুমহান ভারতীয় সংস্কৃতির যােগ্য উত্তরাধিকারী হতে পারে সেদিকে লক্ষ রেখে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষা কমিশন নৈতিক ও ধর্মীয় শিক্ষা প্রবর্তনের সুপারিশ করে। এ ছাড়া ...
উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে অর্থসংস্কার, নতুন বিশ্ববিদ্যালয় গঠন ও অন্যান্য সংস্কার সম্পর্কিত বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষা কমিশনের সুপারিশগুলি লেখাে।
স্বাধীনতা লাভের পর জাতীয় জীবনের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণ করার লক্ষ্যে উচ্চশিক্ষার উপর গুরুত্ব আরােপ করে জাতীয় সরকার। উচ্চশিক্ষার সংস্কার ও উন্নতিসাধনের লক্ষ্যে ১৯৪৮ খ্রিস্টাব্দে ভারত সরকার ব্যাপক অনুসন্ধান চালায় ও তার উন্নতির জন্য স্বাধীন ভারতের প্রথম শিক্ষা কমিশন বা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষা কমিশন গঠন করে। এই কমিশন শিক্ষাক্ষেত্রে সংস্কার সাধনের জন্য বিভিন্ন বিষয়ে মূল্যবান কিছু সুপারিশ পেশ ...
শিক্ষাদানের মানোন্নয়নের সম্পর্কে বিশ্ববিদ্যালয় কমিশনের সুপারিশগুলি আলােচনা করাে।
শিক্ষাদানের মানোন্নয়নের সুপারিশ ঔপনিবেশিক শাসন থেকে মুক্তিলাভের পর উচ্চশিক্ষার সংস্কারের লক্ষ্যে ১৯৪১ খ্রিস্টাব্দে গড়ে ওঠে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষা কমিশন। উচ্চশিক্ষার সংস্কারসাধনে নানাদিকে লক্ষ দেওয়ার পাশাপাশি কমিশন উপলব্দি করেছিল কেবল প্রতিভাবান শিক্ষক নিয়ােগ করলেই চলবে না, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার সঠিক সংস্কারের জন্য উন্নতমানের শিক্ষাদান ও পরীক্ষণ ব্যবস্থা বিশেষভাবে প্রয়ােজনীয়। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমাদের দেশের স্নাতকরা যাতে মর্যাদার আসন লাভ ...
