মাধ্যমিক শিক্ষার লক্ষ্য বিষয়ে মুদালিয়র কমিশনের সুপারিশ গুলি কী ছিল তা আলােচনা করাে।
মাধ্যমিক শিক্ষার লক্ষ্য সম্বন্ধে মুদালিয়র কমিশনের সুপারিশসমুহ মাধ্যমিক শিক্ষার লক্ষ্য নির্ধারণ করতে গিয়ে মুদালিয়র কমিশন তার প্রতিবেদনে মন্তব্য করে, “আমাদের মাধ্যমিক শিক্ষা লক্ষ্যহীনতার শিকার।” লক্ষ্যহীনতা শব্দটিকে কমিশন তীব্র হতাশার প্রতীকরূপে ব্যবহার করেছে। বাস্তবিকই প্রচলিত মাধ্যমিক শিক্ষা ব্যবস্থার উদ্দেশ্য ছিল সংকীর্ণ। কোনো প্রকারে মাধ্যমিক শিক্ষা শেষ করে একটি চাকুরি লাভ করা বা বিশ্ববিদ্যালয় স্তরের শিক্ষায় প্রবেশ ...
মুদালিয়ার কমিশনের প্রতিবেদনের বৈশিষ্ট্য কী? মুদালিয়র কমিশন প্রচলিত শিক্ষার যেসব ত্রূটি সম্পর্কে আলােকপাত করে, সেগুলি আলােচনা করাে।
ভারতের সামগ্রিক শিক্ষাব্যবস্থায় মাধ্যমিক শিক্ষাস্তরের গুরুত্ব অপরিসীম। শিক্ষাজীবনের চূড়ান্ত পর্যায় বা কর্মক্ষেত্রে প্রবেশের প্রধান পথ রূপে মাধ্যমিক শিক্ষার সমস্যা গুলো পর্যালোচনা করেছে মাধ্যমিক শিক্ষা কমিশন বা মুদালিয়র কমিশন। এই আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতেই কমিশন ৩১১ পৃষ্ঠার একটি প্রতিবেদন পেশ করে ১৯৫৩ খ্রিস্টাব্দের ২৯ আগস্ট। মুদালিয়র কমিশনের প্রতিবেদনের বৈশিষ্ট্য (১) মাধ্যমিক শিক্ষা কমিশন শিক্ষা জীবনের চূড়ান্ত পর্যায় বা ...
মুদালিয়র কমিশন কবে, কোন কোন সদস্যদের নিয়ে গঠিত হয়? ওই শিক্ষা কমিশনের বিচার্য বিষয় সমূহ আলােচনা করো।
মুদালিয়র কমিশনের গঠন কাল মাদ্রাজ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. লক্ষণ স্বামী মুদালিয়ার সভাপতিত্বে ১৯৫২-৫৩ খ্রিস্টাব্দে মাধ্যমিক শিক্ষা কমিশন গঠিত হয়। কমিশনের সভাপতি ড. লক্ষণ স্বামি মুদালিয়ার নাম অনুসারে উক্ত মাধ্যমিক শিক্ষা কমিশন মুদালিয়র কমিশন বলা হয়। মুদালিয়র কমিশনের সদস্য মুদালিয়র কমিশন নয় জন সদস্য নিয়ে গঠিত। তারা হলেন—(১) শ্রী অনাথ বসু (সম্পাদক), (২) ড. লক্ষণ স্বামি ...
মুদালিয়র কমিশন মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের পাঠ্যপুস্তক সম্পর্কে কী কী সুপারিশ করে?
মুদালিয়র কমিশন মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের পাঠ্যপুস্তক সম্পর্কে সুপারিশ কমিশন মাধ্যমিক শিক্ষার সার্বিক মান উন্নয়নের জন্য উপযুক্ত পাঠ্যপুস্তক রচনা এবং প্রকাশনার উপর বিশেষ গুরুত্ব আরােপ করেছে। এই উদ্দেশ্যে কমিশনের সুপারিশগুলি হল一 (১) পাঠ্যপুস্তক কমিটি গঠন: পাঠ্যপুস্তকের উৎকর্ষতা বৃদ্ধির জন্য একটি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন পাঠ্যপুস্তক কমিটি গঠন করতে হবে। কমিটিকে স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযােগ দিতে হবে। (২) তহবিল গঠন ...
গ্রামীণ বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের ব্যাপারে রাধাকৃষ্মণ কমিশনের দৃষ্টিভঙ্গি কীরকম ছিল—তা আলােচনা করে গ্রামীণ বিশ্ববিদ্যালয়ের পরবর্তী অবস্থা সম্পর্কে কী জানো।
গ্রামীণ বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের ব্যাপারে কমিশনের দৃষ্টিভঙ্গি উচ্চশিক্ষার লক্ষ্য হিসেবে সমান অধিকারের দাবিতে বাস্তবায়িত করার জন্য রাধাকৃষ্মণ কমিশন গ্রামজীবনের সঙ্গে উচ্চশিক্ষাকে যুক্ত করার পরিকল্পনা গ্রহণ করে। ভারত স্বাধীনতা লাভ করার পর ভারতের হাজার হাজার গ্রামের বিশেষ প্রয়ােজন মেটানাের উপযােগী বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের প্রয়ােজনীয়তা দেখা দেয় এবং তা থেকেই গ্রামীণ বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিকল্পনাটি সৃষ্টি হয়। যেসব ছেলেমেয়েরা গ্রামে বাস ...
