প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা কী? এই শিক্ষান্তরে কমিশনের সুপারিশ গুলি উল্লেখ করো।

আধুনিককালে, শিক্ষার প্রস্তুতি পর্ব বা প্রারম্ভিক শিক্ষাকে বলা হয় প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা কোঠারি কমিশন এই শিক্ষার কিছু উদ্দেশ্য বা প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করেছেন সেগুলো নিম্নে উল্লেখ করা হল—  প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষার প্রয়ােজনীয়তা (১) সুস্থ অভ্যাস: প্রাক্‌-প্রাথমিক শিক্ষার উদ্দেশ্য হল শিশুদের মধ্যে স্বাস্থ্যকর অভ্যাস গঠন করা। তাই শিশুর সু-অভ্যাস গঠনে এই শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। (২) ভাষার বিকাশ সাধন : ...

Read more

প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা কী? প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষাস্তরের উদ্দেশ্য, কাঠামাে এবং পাঠক্রম সম্পর্কে কমিশনের সুপারিশসমূহ আলোচনা করো।

কোঠারি কমিশন শিক্ষাক্ষেত্রে চারটি স্তর প্রবর্তনের কথা বলেছিল। সেগুলি হল— প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা, প্রাথমিক শিক্ষা, মাধ্যমিক শিক্ষা এবং উচ্চশিক্ষার স্তর। প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা জন্মের পর থেকে শিশু পরিবারের মধ্যে প্রথম শিক্ষা পেলেও বর্তমান সমাজ পরিস্থিতি অনুযায়ী শিশুকে বিদ্যালয় নিয়ন্ত্রিত শিক্ষার মাধ্যমে যে শিক্ষা দেওয়া হয়, তাকে বলা হয় প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা অর্থাৎ ২-৫/৬ বছর বয়স পর্যন্ত শিশু যে ...

Read more

কোঠারি কমিশনের মতানুযায়ী শিক্ষার লক্ষ্য কী হওয়া উচিত?

১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দের ১৫ আগস্ট স্বাধীনতা লাভের পর ভারতবর্ষের জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রয়োজন অনুভূত হয়। ভারতীয় শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার ও উন্নতির স্বার্থে রাধাকৃষ্ণন কমিশন ও মুদালিয়র কমিশন বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করলে শিক্ষার সকল সারে উন্নয়নসাধনের উদ্যোগ প্রথম নেয় কোঠারি কমিশন (১৯৬৪ গ্র)। ১৯৬৪ খ্রিস্টাব্দের ১৪ জুলাই ভারত সরকারের উদ্যোগে ১৭ জন ভারতীয় ও ...

Read more

কোঠারি কমিশন কেন গঠন করা হয়? এই কমিশনের গঠন সম্পর্কে আলােচনা করাে। অথবা, কোঠারি কমিশনের গঠন ও তার পশ্চাৎপট নিয়ে আলােচনা করাে।

১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দে ভারতবর্ষ স্বাধীনতা পায়। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর জাতীয়তাবাদী নেতৃবৃন্দের কাছে সবচেয়ে বড় সমস্যা ছিল দেশের নাগরিকের জন্য সুপরিকল্পিত এক শিক্ষাব্যবস্থা। এই উদ্দেশ্যে ১৯৪৭-৪৮ খ্রিস্টাব্দে উচ্চশিক্ষার জন্য রাধাকৃয়ণ কমিশন গঠন করা হয়। মাধ্যমিক শিক্ষার উন্নতির জন্য প্রথমে ১৯৪৮-৪৯ খ্রিস্টাব্দ তারাচাঁদ কমিটি এবং ১৯৫২-৫৩ খ্রিস্টাব্দে মুদালিয়র কমিশন গঠন করা হয়। এ ছাড়া জাতীয় নারী শিক্ষা ...

Read more

মাধ্যমিক শিক্ষাব্যবস্থার বৈশিষ্ট্য, সুবিধা ও অসুবিধাগুলি বিস্তারিত আলােচনা করাে।

১৯৫২ খ্রিস্টাব্দে ড, লক্ষণ স্বামি মুদালিয়ার নেতৃত্বে মাধ্যমিক শিক্ষা কমিশন গঠন করা হয়। এই কমিশন স্বাধীন ভারতে মাধ্যমিক শিক্ষার উন্নতির জন্য বিভিন্ন দিক অনুসন্ধান করে সমস্যার প্রকৃতি, তার গুরুত্ব এবং সমাধানের উপায় সম্পর্কে পূর্ণ মতামত দান করে। মাধ্যমিক শিক্ষাব্যবস্থার বৈশিষ্ট্য এই কমিশনের বৈশিষ্ট্য হল প্রচলিত মাধ্যমিক শিক্ষার ত্রুটিগুলিকে খুঁজে বের করে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে তাকে ...

Read more