কমিশন কী উদ্দেশ্যে সাধারণ বিদ্যালয় স্থাপনের সুপারিশ করে? এই ধরনের বিদ্যালয়ের বৈশিষ্ট্যগুলি কী কী? কেন কমিশন বিদ্যালয় গুচ্ছের স্থাপনের সুপারিশ করে?
সাধারণ বিদ্যালয় স্থাপনের উদ্দেশ্যে কোঠারি কমিশন শিক্ষাক্ষেত্রে, প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে দশ বছরের সাধারণ শিক্ষার কথা উল্লেখ করেছে। সাধারণ শিক্ষা শিক্ষার্থীর ভিত্তিস্বরূপ। এই শিক্ষা শিক্ষার্থীদের উদারমনস্ক করে, সমাজে সকলের সমান অধিকার সম্পর্কে সচেতন করে, জাতি ধর্ম বর্ণ, নির্বিশেষে সকল মানুষ এক এই ধারণা দেয়। ওই দশ বছরের সাধারণ শিক্ষা গ্রহণের ফলে শিক্ষার্থী জীবনের মূল্যবোধ সংক্রান্ত ধারণা গ্রহণে ...
বৃত্তিমূলক ও কারিগরি শিক্ষার সমস্যার সমাধান আলােচনা করাে।
বৃত্তিমুখী ও কারিগরি শিক্ষা সমস্যার সমাধান বৃত্তিমুখী ও কারিগরি শিক্ষার সমাধানের জন্য গৃহীত পদক্ষেপ গুলো হল— (১) কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা: শিক্ষার্থীদের বৃত্তিমুখী ও কারিগরি শিক্ষা গ্রহণের পর যাতে কর্মের সুযোগ পায়। বেকারত্ব দূর হয় তাই কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে। (২) বেসরকারি পদক্ষেপ : শুধু সরকারি সাহায্য নয়, বেসরকারি উদ্যোগে গড়ে তুলতে হবে আরও কলেজ। বেসরকারি শিল্পের ...
বর্তমানে প্রচলিত জুনিয়র টেকনিক্যাল স্কুল এবং ইন্ডাস্ট্রিয়াল ট্রেনিং ইনস্টিটিউট সম্পর্কে আলােচনা করাে।
একটি দেশের শিল্পোন্নত অনেকখানি নির্ভর করে শিল্পের প্রয়োজনীয় দক্ষতা ও কৌশল কর্মীর চাহিদা মেটানোর উপর। কিন্তু এ কথা স্বীকার করতেই হয় যে, স্কুল স্তরে বৃত্তি শিক্ষাকে নিম্ন শ্রেণীর শিক্ষা বলে মনে করা হয়। স্বাধীনতার পর কোঠারি কমিশন শিক্ষার সকল দিক সম্পর্কে পর্যালোচনা করার ক্ষেত্রে বৃত্তি ও কারিগরি শিক্ষা সম্পর্কে তার গুরুত্বপূর্ণ মতামত প্রকাশ করেছে। তাই ...
মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরে বৃত্তি ও কারিগরি শিক্ষার প্রতিষ্ঠান গুলি উল্লেখ করো।
মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরে বৃত্তি ও কারিগরি শিক্ষার প্রতিষ্ঠান বৃত্তিমূলক ও কারিগরি শিক্ষা ব্যাপক অর্থে আমাদের জাতীয় শিক্ষাব্যবস্থার একটি অঙ্গ। সাধারণ ধর্মীয় শিক্ষার মতোই এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিকে কয়েকটি স্তরের ব্যাখ্যা করা যায়, যথা— মাধ্যমিক স্তরে বৃত্তি ও কারিগরি শিক্ষার প্রতিষ্ঠান: (১) জুনিয়র টেকনিক্যাল স্কুল: এই স্কুল গুলো সরকার দ্বারা পরিচালিত হয়। শিক্ষার্থীদের বৃত্তিমুখী ও কারিগরি ...
বৃত্তিমুখী শিক্ষা ও কারিগরি শিক্ষার সম্পর্ক লেখো।
বৃত্তিমুখী ও কারিগরি শিক্ষার মধ্যে সম্পর্ক অত্যন্ত নিবিড়। এই দুই শিক্ষাই মানুষকে স্বাবলম্বী করে। শিক্ষার অন্যতম লক্ষ্য ব্যক্তিকে নিজের পায়ে দাঁড় করানাে অর্থাৎ বৃত্তিমুখীকরণ তা পূর্ণ করতে সাহায্য করে। বৃত্তিমুখী শিক্ষা ব্যক্তিকে বিশেষ কোনো বৃত্তি সম্পর্কে জ্ঞান বা দক্ষতা অর্জনে সাহায্য করে। আর কারিগরি শিক্ষা ব্যক্তিকে প্রযুক্তিগত অর্থাৎ technology-কে কাজে লাগিয়ে যন্ত্রপাতির ব্যবহার করে শিক্ষার ...
