সাম্যের জন্য শিক্ষা প্রসঙ্গে জাতীয় শিক্ষানীতির কর্মসূচিগুলো উল্লেখ করে। এ বিষয়ে তোমার মতামত দাও।

সাম্যের জন্য শিক্ষা প্রসঙ্গে জাতীয় শিক্ষানীতির কৰ্যসূচিসমূহ জাতীয় শিক্ষানীতির চতুর্থ অংশে সাম্যের জন্য শিক্ষা প্রসঙ্গ আলোচনা করা হয়েছে। নতুন জাতীয় শিক্ষানীতির অন্যতম উদ্দেশ্য ছিল শিক্ষায় সমসুযােগের নীতি গ্রহণ করা। জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে শিক্ষা ক্ষেত্রে সকলের সমান সুযোগ দান। জাতীয় শিক্ষানীতি (১৯৮৬ খ্রি.)-র অন্যতম উদ্দেশ্য হল অসাম্য দূর করা। যায় শিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত তাদের ...

Read more

জাতীয় ব্যবস্থায় শিক্ষা সম্পর্কে জাতীয় শিক্ষানীতি (১৯৮৬ খ্রি.)-র বক্তব্যগুলি উল্লেখ করো।

জাতীয় শিক্ষানীতি (১৯৮৬ খ্রিঃ.) তৃতীয় অংশে ‘জাতীয় ব্যবস্থায় শিক্ষা’ সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। এই অধ্যায়ে জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থার প্রকৃতি কী হবে এবং শিক্ষার দায়িত্বভার গ্রহণ করবে, সে সম্পর্কে বলা হয়েছে। জাতীয় শিক্ষানীতির বক্তব্যসমূহ ভারতের শিক্ষা ব্যবস্থার মূল বৈশিষ্ট্যই হল জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থা প্রবর্তন করে। এই প্রসঙ্গে জাতীয় শিক্ষানীতির (১৯৮৬ খ্রিঃ.) বক্তব্য গুলি হল—  (১) জাতীয় ...

Read more

জাতীয় শিক্ষানীতি  পূর্বক এর উদ্দেশ্য বিবৃত করো।

জাতীয় শিক্ষানীতির উদ্দেশ্য শিক্ষা কমিশনের (১৯৬৪-৬৬ খ্রি.) কতকগুলি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের উপর ভিত্তি করে জাতীয় শিক্ষানীতি (১৯৮৬ খ্রি.)-র পরিকাঠামাে রচিত হয়েছে। এই নতুন শিক্ষানীতির উদ্দেশ্য গুলি হল—  (১) সমতা বিধান ও সমসুযোগ দান: শিক্ষানীতির রচয়িতারা ভবিষ্যৎ ভারতের নাগরিক কীভাবে গড়ে তুলতে চান, তাদের শিক্ষার উদ্দেশ্য কী হবে, কোআদর্শ তাদের সামনে তুলে ধরা হবে, ভবিষ্যতে তাদের দায়িত্ব ...

Read more

১৯৮৬ খ্রিস্টাব্দে জাতীয় শিক্ষানীতির পশ্চাৎপট উল্লেখ করাে। উক্ত শিক্ষানীতির মূল বিচার্য বিষয় গুলো আলােচনা করাে।

NEP-1986-এর পশ্চাৎপট কোঠারি কমিশনের (১৯৬৪-৬৬ খ্রি.) রিপোর্ট প্রকাশিত হওয়ার পর সুপারিশগুলি নিয়ে বিভিন্ন স্তরে দীর্ঘ আলােচনা হয়। ১৯৬৮ খ্রিস্টাব্দে ভারত সরকার প্রথম জাতীয় শিক্ষানীতি রচনা করে। পরবর্তীকালে এই শিক্ষানীতি সংশোধিত আকারে ১৯৭৯ খ্রিস্টাব্দে প্রকাশ করা হয়। কিন্তু ওই সময় দেশের আর্থ সামাজিক অবস্থার দ্রুত পরিবর্তনের ফলে ১৯৭৯ খ্রিস্টাব্দে শিক্ষানীতি কার্যকর করা যায়নি। এর কিছু সময় ...

Read more

কোঠারি কমিশনের সুপারিশের ভিত্তিতে যে জাতীয় শিক্ষানীতির ১৭ দফা বিষয়ে ঘোষণা করা হয়, তার মধ্যে যে-কোন চারটি বিষয় পর্যালোচনা করো।

১৭ দফা বিষয় ভারতীয় শিক্ষা কমিশন বা কোঠারি কমিশনে ১৯৬৪-৬৬ খ্রি.) প্রতিবেদন প্রকাশ হওয়ার পর দুই বছরের মধ্যে এই কমিশনের সুপারিশগুলি বাস্তবায়িত করার জন্য ১৯৬৮ খ্রিস্টাব্দে জাতীয় শিক্ষানীতি প্রকাশ করে। ১৯৬৮ খ্রিস্টাব্দের শিক্ষানীতিতে কিছু সংস্কার করা হয়। এমতাবস্থায় কে সি পন্থ ১৯৮৫ খ্রিস্টাব্দের জানুয়ারি মাসে একটি নতুন শিক্ষানীতি রচনা করার সিদ্ধান্ত নেন। ১৯৮৬ খ্রিস্টাব্দের এপ্রিল ...

Read more