মাধ্যমিক শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা, প্রসার, গুণগত মান সম্পর্কে জাতীয় শিক্ষানীতির বক্তব্য আলােচনা করাে।
মাধ্যমিক শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা প্রাথমিক শিক্ষা স্তর এবং উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা স্তরের মধ্যবর্তী সময়ের শিক্ষাকে বলে মাধ্যমিক শিক্ষা। তাই এই শিক্ষা প্রাথমিক ও উচ্চশিক্ষার সঙ্গে সেতুবন্ধনের কাজ করে। শিক্ষার্থীদের উচ্চ স্তরের শিক্ষা গ্রহণের উপযোগী করে গড়ে তােলে। মাধ্যমিক শিক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের জাতীয় চেতনা, জাতীয় প্রেক্ষাপট, সাংবিধানিক দায়িত্ব ও কর্তব্যবোধ সম্পর্কে সচেতন করতে হবে। এরাই হল ভবিষ্যৎ ...
১৯৮৬-এর জাতীয় শিক্ষানীতিতে উল্লিখিত যে-কোনাে পাঁচটি প্রকল্প সম্পর্কে লেখো।
১৯৮৬-এর জাতীয় শিক্ষানীতির ৫টি প্রকল্প অংশ-1 : ভূমিকা: এই অংশে শিক্ষানীতি বিশেষজ্ঞরা শিক্ষা নীতি নির্ধারণের প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছেন। এই প্রসঙ্গে ১৯৬৮ খ্রিস্টাব্দের শিক্ষানীতি ও তার ফলশ্রুতি সম্পর্কে এই অংশে আলোচনা করা হয়েছে। এই অংশে ব্যক্তির উন্নয়নে, জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ, ব্যক্তির রাজনৈতিক ও সামাজিক জীবন, অর্থনৈতিক ও কারিগরি বিদ্যার বিকাশ, গ্রামাঞ্চল ও শহরাঞ্চলে মধ্যবর্তী ব্যবধান হ্রাস সম্পর্কে ...
প্রাক-শৈশব এবং প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার পুনর্গঠন সম্পর্কে জাতীয় শিক্ষানীতির মূল বিচার্য বিষয় | প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়নে জাতীয় শিক্ষানীতির সুপারিশ গুলি লেখ।
জাতীয় শিক্ষানীতির পঞ্চম অংশ প্রাক-শৈশব এবং প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার পুনর্গঠন সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। প্রাক-শৈশব শিক্ষার পুনর্গঠন সম্পর্কে জাতীয় শিক্ষানীতির বক্তব্য আমাদের জাতীয় শিক্ষার অন্যতম লক্ষ্য হল প্রত্যেক শিশুর সামগ্রিক বিকাশে সহায়তা করা। অর্থাৎ পুষ্টি, স্বাস্থ্য, মানসিক, সামাজিক, প্রাক্ষোভিক, নৈতিক প্রভৃতি দিকগুলির যথাযথ বিকাশের জন্য কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। এই কর্মসূচিটি হল— ECCE বা Early ...
শিক্ষার উপাদান ও ভূমিকা, কোর পাঠক্রম সহপাঠক্রম সম্পর্কে জাতীয় শিক্ষানীতির বক্তব্য উল্লেখ করো।
১৯৮৬ খ্রিস্টাব্দে জাতীয় শিক্ষানীতির প্রথম অংশটি হল ভূমিকা বিষয়ক। এই অংশের মূল কথা হল— শিক্ষানীতি গ্রহণের প্রয়োজনীয়তা। ১৯৬৮ খ্রিস্টাব্দে জাতীয় শিক্ষানীতি সম্পূর্ণরূপে কার্যকর করা না গেলেও শিক্ষার বিভিন্ন ক্ষেত্রে যথেষ্ট উন্নতি হয়েছিল এই সময়ে দেশের সর্বত্র শিক্ষায় সুযোগ সুবিধা বৃদ্ধি পেয়েছে, গ্রামের ৯০% শিশুর কাছে শিক্ষার সুযােগ পৌছে দেওয়া সম্ভব হয়েছে। ১০+২+৩ এই শিক্ষা কাঠামোটি ...
অপারেশন ব্ল্যাকবোর্ড বলতে কী বোঝো? অপারেশন ব্ল্যাকবোর্ড এবং নবোদয় বিদ্যালয় সম্পর্কে আলােচনা করাে। অথবা, নবোদয় বিদ্যালয় সম্পর্কে আলােচনা করাে।
জাতীয় শিক্ষানীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল শিক্ষা। জাতীয় শিক্ষানীতি না থাকলে প্রকৃতপক্ষে কোন দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে সুচারুরূপে পরিচালিত করা যায় না। ১৯৮৬ খ্রিস্টাব্দে জাতীয় শিক্ষানীতিতে উল্লেখযোগ্য দুটি কর্মসূচি হল— (A) অপারেশন ব্ল্যাকবোর্ড ও (B) নবোদয় বিদ্যালয় গঠন। অপারেশন ব্ল্যাকবোর্ড জাতীয় শিক্ষানীতি (১৯৮৬ খ্রিঃ.)-র একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ হল ‘অপারেশন ব্ল্যাকবোর্ড’ কর্মসূচি গ্রহণ। জাতীয় শিক্ষানীতি (১৯৮৬ ...
