সর্বজনীন প্রাথমিক শিক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় কয়েকটি পদক্ষেপ আলোচনা করো। প্রাথমিক শিক্ষাকে সর্বজনীন করার গৃহীত উদ্যোগগুলি কী কী?
সর্বজনীন প্রাথমিক শিক্ষার জন্য ভারত সরকারের শিক্ষামন্ত্রী এক বিশেষ প্রকল্পের সূচনা করে, সেটি হল জেলানুযায়ী প্রাথমিক শিক্ষা প্রকাশ DPEP District Primary Education Project। প্রতিটি জেলার জন্য সরকারের গৃহীত পদক্ষেপগুলি হল (১) অর্থ বরাদ্দ: সর্বশিক্ষা অভিযানের কর্মসূচি কে বাস্তবায়িত করার লক্ষ্যে বিদ্যালয়ের পড়াশোনার মান ও পরিকাঠামোগত উন্নয়নের জন্য সরকারি তরফ থেকে প্রতিটি প্রাথমিক ও উচ্চ প্রাথমিক ...
ভারতবর্ষের সর্বজনীন প্রাথমিক শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা লেখো।
কোন দেশের শিক্ষাদীক্ষা, সংস্কৃতি, অর্থনীতি দেশের উন্নতিতে তুলে ধরে। শিক্ষা তাই জাতির মেরুদণ্ড। সেক্ষেত্রে প্রাথমিক শিক্ষা যা মানুষের ন্যূনতম যোগ্যতা প্রকাশ করে তা থাকা আবশ্যিক। প্রাথমিক শিক্ষা সম্পর্কে আধুনিক শিক্ষাবিদগণের মত, এটি হল বিদ্যালয় শিক্ষাস্তরের সেই স্তর, যেখানে প্রতিটি শিশু বিদ্যালয়ে আবশ্যিকভাবে উপস্থিত থাকে। ২০০০ খ্রিস্টাব্দ সেনেগালের রাজধানী ঢাকা শহরে আয়োজিত World Education Forum আন্তর্জাতিক ...
সর্বজনীন শিক্ষার ধারণা ব্যাখ্যা করো। সর্বজনীন শিক্ষার শর্ত গুলো আলােচনা করাে।
সর্বজনীন শিক্ষার ধারণা ‘সর্বজনীন শিক্ষা কথাটির অর্থ হল— সকলের জন্য শিক্ষার ব্যবস্থা করা। স্বাধীনতার পরে গঠিত কোঠারি কমিশন (১৯৬৪-৬৬ খ্রিঃ.) জাতীয় আয়ের ৬ শতাংশ শিক্ষা খাতে বরাদ্দ করার পরামর্শ দিয়েছেন। কিন্তু বর্তমানে এই বরাদ্দের পরিমাণ মাত্র ৩ শতাংশ। সর্বজনীন শিক্ষা বাস্তবায়িত করা সম্ভব হয়নি বিভিন্ন কারণে যেমন— জনসংখ্যা বিস্ফোরণ, সাধারণ মানুষের দারিদ্র্য ও মানসিকতার অভাব ...
মূক ও বধির শিশুদের শিক্ষণ পদ্ধতি
মূক ও বধির শিশুদের শিক্ষণ পদ্ধতি মূক ও বধির ছেলেমেয়েদের মধ্যে যারা আংশিকভাবে বধির তাদের পড়াশোনার ক্ষেত্রে শ্রুতিসহায়ক যন্ত্র ব্যবহার করলে এবং তাদের যথাযথ প্রশিক্ষণ দিলে তারা স্বাভাবিক ছেলে মেয়েদের মতাে কথাবার্তা বলতে এবং শুনতে পারে। কিন্তু যারা সম্পূর্ণরূপে মূক ও বধির তাদের জন্য নিম্নলিখিত শিক্ষাদান পদ্ধতি প্রয়ােগ করা হয়一 (1) ওষ্ট -পঠন: বক্তার কথা ...
দৃষ্টিহীন শিশুদের শিক্ষা পধতি
দৃষ্টিহীন শিশুদের শিক্ষা পধতি এদের পঠনপাঠনের জন্য মূলত স্পর্শ ও শ্রবণ পদ্ধতির উপর জোর দেওয়া হয়। দৃষ্টিহীন শিশুদের শিক্ষার পদ্ধতি উল্লেখ করা হল— (1) বেইল পদ্ধতি: ১৮২৯ খ্রিস্টাব্দে লুইস ব্রেইল এই স্পর্শমূলক পদ্ধতি আবিষ্কার করেন। সাধারণত ছয়টি উঁচু উঁচু বিন্দু থাকে যাদের বিভিন্ন ক্রমে সাজিয়ে বর্ণ তৈরি করা হয়। যে কলমের সাহায্যে ব্রেইল লেখা হয় ...
