বয়স্ক শিক্ষার সমস্যা গুলো সমাধানের পন্থা গুলি বিবৃত করো।
য়স্ক শিক্ষার সমস্যা গুলো সমাধানের পন্থা সমূহ স্বাধীনতার এত বছর পরেও বিভিন্ন সমস্যা যেমন সমন্বয়ের অভাব, প্রবহমান শিক্ষার অভাব, মহিলাদের আগ্রহের ঘাটতি, জাতিভেদ, কুসংস্কার, শিক্ষকের সমস্যা, অর্থাভাব, প্রচারের অভাব ইত্যাদি কারণে বয়স্ক শিক্ষার প্রসার এখনো আশানুরূপ ভাবে সফলতা পায়নি। এত সমস্যা থাকা সত্ত্বেও সে গুলি দূরীকরণে কতগুলি সমাধানের পথ বর্তমান, তা নিম্নে আলোচিত হল সূত্রাকারে— ...
বয়স্ক শিক্ষার ধীর অগ্রগতির কারণ সমূহ উল্লেখ করে। বয়স্ক শিক্ষার আশানুরূপ সফলতা অর্জনে ব্যর্থতার কারণ গুলি লেখো।
প্রাক-স্বাধীনতা সময় থেকে শুরু করে স্বাধীনতার ৭১ বছর পরেও বয়স্ক শিক্ষার জন্য যেসকল কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে তা তেমনভাবে ফলপ্রসূ হয়নি। বয়স্কশিক্ষার ধীর অগ্রগতির কারণ (১) অর্থ ও আগ্রহের অভাব: বয়স্ক শিক্ষায় সরকারি ও বেসরকারি অর্থের বরাদ্দের ক্ষেত্রে কার্পণ্য মনোভাব লক্ষিত হয়। সমাজের সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের আগ্রহের যথেষ্ট অভাব দেখা যায়। (২) ...
পূর্ণ সাক্ষরতা অভিযান সম্পর্কে সংক্ষেপে লেখো।
পূর্ণ সাক্ষরতা অভিযান জাতীয় সাক্ষরতা অভিযানের কার্যকরী পদক্ষেপ হল পূর্ণ সাক্ষরতা অভিযান। কেরল রাজ্যের এর্নাকুলাম জেলার পূর্ণ সাক্ষরতা অর্জনকে লক্ষ রেখে পূর্ণ সাক্ষরতা অভিযান শুরু হয়। এর উদ্দেশ্য হল সমগ্র জনগণকে শামিল করে শিক্ষার্থীদের কাছে শিক্ষার সুযোগ পৌছে দেওয়া। ভারতবর্ষে ১৯৯০ খ্রিস্টাব্দে UNESCO-র সহযোগিতায় পূর্ণ সাক্ষরতা অভিযানের কাজ শুরু হয়। এই প্রকল্পে বিভিন্ন বিষয়ের উপর ...
কোঠারি কমিশন (১৯৬৪-৬৬) এবং জাতীয় শিক্ষানীতিতে বয়স্ক শিক্ষা সম্পর্কে যা জানো লেখো।
ভারতীয় শিক্ষা কমিশন বা কোঠারি কমিশনের (১৯৬৪-৬৬ খ্রি.) রিপোর্ট বয়স্ক শিক্ষার উল্লেখ আছে। এই কমিশনের মূল লক্ষ্য হল— (১) দেশ থেকে যতদূর সম্ভব নিরক্ষরতা দূর করার চেষ্টা করতে হবে (২) পরিবর্তনশীল জগৎ সম্পর্কে বয়স্কদের উপলব্ধি করাতে হবে এবং তাদের জীবনব্যাপী শিক্ষা গ্রহণের ক্ষেত্রে আগ্রহ বৃদ্ধি করতে হবে। কমিশনের মতে দেশ থেকে নিরক্ষরতা পূর্ণমাত্রায় দূর করার ...
স্বাধীনোত্তর সময়ে (ষষ্ঠ পরিকল্পনা পর্যন্ত) ভারতবর্ষে বয়স্ক শিক্ষার বিকাশ উল্লেখ করো।
স্বাধীনোত্তর সময়ে (ষষ্ঠ পরিকল্পনা পর্যন্ত) ভারতবর্ষে বয়স্কশিক্ষার বিকাশ ১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দে যখনশ স্বাধীন হল তখন ভারতে শিক্ষিতের হার ছিল মাত্র ১৫%। শুধুমাত্র বয়স্কদের কথা ধরলে এই সংখ্যা দাড়ায় ১০% । অর্থাৎ প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিক, যারা দেশের দায়িত্ব গ্রহণ করবে তাদের ৯০% লােক নিরক্ষর। ১৯৪৮ খ্রিস্টাব্দে থেকে এই বিশাল সংখ্যক নিরক্ষর মানুষকে শিক্ষিত করার জন্য সর্বভারতীয় পরিকল্পনা গ্রহণ ...
