ভারতবর্ষে কেন সাক্ষরতা প্রয়ােজন?
স্বাক্ষর জনগণ সামাজিক এবং জাতীয় উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। যে দেশে সাক্ষরতার হার যত বেশি, সেই দেশ তত উন্নত বলে বিবেচিত হয়। ভারতের মতো বিশাল জনসংখ্যার দেশে সাক্ষরতার প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য। ভারতবর্ষে সাক্ষরতার প্রয়োজনীয়তা (১) জাতীয় সংহতি বজায় রাখতে : ভারতবর্ষ বহু ভাষাভাষী, ধর্মাবলম্বী, বহুসংস্কৃতি সম্পন্ন দেশ। তাই বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্য একান্ত প্রয়োজন। বিভিন্ন ...
সাক্ষরতা কাকে বলে? এই প্রসঙ্গে জাতীয় সাক্ষরতা কর্মসূচির সূচনা, লক্ষ্য ও ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে আলোচনা করাে।
সাক্ষরতা আভিধানিক অর্থে সাক্ষরতা হল অক্ষর পরিচিতি, লেখা ও পড়ার ক্ষমতা। অর্থাৎ যদি কোনাে ব্যক্তি কোনাে বিষয় পড়ে, সেটা লেখার মাধ্যমে প্রকাশ করতে সক্ষম হয় তাহলে তাকে সাক্ষর বলে। UNESCO-র বিশেষজ্ঞ কমিটি সাক্ষরতার সংজ্ঞা দিয়েছে, “A literate person is one who can, with understanding, both read and write a short simple statement on his or ...
নিরক্ষরতাকে অভিশাপ হিসেবে বিবেচনা করা হয় কেন। নিরক্ষরতা দূরীকরণ বিষয়ে ভারতীয় শিক্ষা কমিশন বা কোঠারি কমিশনের সুপারিশ গুলি উল্লেখ করো।
দেশ তথা রাষ্ট্রের উন্নয়ন নির্ভর করে জনগণের বিচার বিশ্লেষণ ক্ষমতা ও দক্ষতার উপর। দেশের জনগণ শিক্ষিত না হলে বিচার বিশ্লেষণ ক্ষমতা গড়ে ওঠে না। কথায় আছে নিরক্ষর মানুষ মৃত মানুষের সমান। সমাজ কিংবা দেশের কোন খারাপ পরিস্থিতিতে নিরক্ষর মানুষ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে অক্ষম। নিরক্ষর মানুষ একদিকে যেমন নিজের উন্নতি করতে পারে না তেমনি সমাজের অগ্রগতিতে ...
কার্যকরী বা ব্যাবহারিক সাক্ষরতার উদ্দেশ্য গুলি লেখাে। আধুনিক ভারতে ব্যাবহারিক সাক্ষরতার পদক্ষেপ ব্যাখ্যা করো।
কার্যকরী বা ব্যাবহারিক সাক্ষরতা যে মাত্রার সাক্ষরতা ব্যক্তিকে সামাজিক ও পেশাগত জীবনে উপযুক্ত করে তোলে, তাকে কার্যকরী সাক্ষরতা বলে। সাধারণ অর্থে সাক্ষরতা বলতে লিখতে, পড়তে ও সাধারণ পাটিগণিত জ্ঞানকে বোঝায়। কিন্তু কার্যকরী বা ব্যাবহারিক সাক্ষরতা বলতে বোঝায় দৈনন্দিন জীবনে স্বাক্ষরতা কি কাজে লাগানো, যে সাক্ষরতা মানুষকে তার নিজের জীবনে সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক প্রভৃতি সকল ...
প্রবহমান শিক্ষাকে কার্যকরী করার উদ্দেশ্যে কী কার্যক্রম স্থির করা হয়েছে বিবরণ দাও।
প্রবহমান শিক্ষা বলতে সেই বিশেষ ধরনের শিক্ষাকে বোঝায় যার দ্বারা নব্য স্বাক্ষর ব্যক্তির অর্জিত শিক্ষা ধারাবাহিকভাবে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। জাতীয় সাক্ষরতা মিশন (National Literacy Mission) প্রবহমান শিক্ষার কর্মসূচি প্রবর্তন করে। ১৯৯৩ খ্রিস্টাব্দের ১ জানুয়ারি থেকে এটি কার্যকরী হয়। প্রবহমান শিক্ষাকে কার্যকরী করতে নির্ধারিত কার্যক্রম প্রবহমান শিক্ষার কার্যকর করার উদ্দেশ্যে যে সকল কার্যক্রম ...
