সর্বশিক্ষা অভিযানের যে-কোনাে চারটি মূল উদ্দেশ্য লেখো।
৬ থেকে ১৪ বছর বয়সি ছাত্রছাত্রীদের বিদ্যালয়ের অন্তর্ভুক্ত করে জীবনযাত্রার এবং শিক্ষাগত মান বৃদ্ধির জন্য নির্দিষ্ট পাঠক্রম সমাপ্তির মহান প্রচেষ্টা হল সর্বশিক্ষা অভিযান। সর্বশিক্ষা অভিযানের উদ্দেশ্য [1] ২০০৩ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে বিদ্যালয়ে ভরতি সুনিশ্চিত করা: নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে (২০০৩ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে) সকল শিশুর জন্য (৫-১৪ বছর বয়সি) বিকল্প অথবা পরিপূরক বিদ্যালয় এবং পর্ষদ স্বীকৃত বিদ্যালয়ে ভর্তি ...
সর্বশিক্ষা অভিযান কী? এর কারণ, লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য লেখাে।
সর্বশিক্ষা অভিযান ভারতীয় সংবিধানের ৪৫ নং ধারায় বলা হয়েছে, ৬-১৪ বছর বয়স পর্যন্ত সকল শিশুর জন্য অবৈতনিক, বাধ্যতামূলক, প্রাথমিক শিক্ষার ব্যবস্থা করতে হবে। সংবিধানের এই ধারাকে গুরুত্ব দিয়ে প্রাথমিক শিক্ষাকে সর্বজনীন করার জন্য নানান কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। কিন্তু শিক্ষাকে সর্বজনীন করা সম্ভব হয়নি। ১৯৯৩ খ্রিস্টাব্দে উন্নিকৃয়াণ বনাম অন্ধপ্রদেশ মামলার রায়ের ভিত্তিতে সুপ্রিম কোর্ট শিক্ষার ...
সর্বজনীন সাক্ষরতার উদ্দেশ্য গুলি আলােচনা করাে।
সার্বজনীন সাক্ষরতা বলতে বুঝায়— ব্যক্তির দৈহিক, মানসিক, সামাজিক, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক প্রভৃতি সকল ক্ষেত্রে শিক্ষার যথার্থ ব্যবহারকে। সর্বজনীন সাক্ষরতার উদ্দেশ্য (১) জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন : সর্বজনীন সাক্ষরতার উদ্দেশ্য হল সকল শ্রেণির মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন ঘটানো। প্রতিটি মানুষের জীবনযাত্রার মানের উন্নয়ন ঘটলে জাতীয় উন্নয়ন আরও দ্রুতগতিতে ঘটবে। (২) কুসংস্কার দূর করা : এই শিক্ষার মাধ্যমে প্রতিটি ...
ভারতের জনশিক্ষণ সংস্থান (জশিস)-এর সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত বিবরণ দাও।
ভারতের জনশিক্ষা সংস্থান (Organisation of Mass Education in India) বা ‘জশিস’ হল এমন একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান যার প্রধান কাজ হল— বয়স্ক মানুষদের উৎপাদনক্ষম করে তােলা। যেসব শিক্ষার্থীরা ‘Non-Formal Education’ এবং ‘Adult and Continuing Education’-এর সঙ্গে যুক্ত তাদের দায় দায়িত্ব বেশি বহন করে। জেলা সাক্ষরতা কর্মসূচি রূপায়ণের জন্য’ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়। স্বামী বিবেকানন্দ উপলব্ধি করেছিলেন যে, ভারতবর্ষের ...
ভারতবর্ষে সাক্ষরতা প্রসারের পথে বাধা বা সমস্যাগুলি আলােচনা করাে।
গণতান্ত্রিক দেশ ভারতবর্ষ জনগণের সাফল্যের উপর নির্ভরশীল। তাই জনগণের সামাজিক, অর্থনৈতিক সব দিক থেকে সুযোগ্য নাগরিক হতে হবে। দেশের নাগরিক যত বেশি স্বাক্ষর হবে তত এই সাফল্য বৃদ্ধি পাবে। ভারতের গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা জনগণের সুস্পষ্ট মতামত, চিন্তাভাবনার উপর নির্ভরশীল। জনগণ শাসক নির্বাচন করে, তাই একজন শিক্ষিত জনগণ উপযুক্ত প্রতিনিধি নির্বাচনের অভিমত প্রকাশ করতে পারে। তাই সাক্ষরতার ...
