অ্যানালফাবেটিজম কি? ভারতে শিক্ষার বিভিন্ন সংস্থাগুলি সম্পর্কে আলােচনা করাে।
অ্যানালফাবেটি জম (অ্যানালফাবেটিজম) বা সাক্ষর ব্যক্তি— আভিধানিক অর্থে সাক্ষরতা হল অক্ষর পরিচিতি, লেখা ও পড়ার ক্ষমতা। যদি কোন ব্যক্তি কোন বিষয় পড়ে সেটিকে লেখার মাধ্যমে প্রকাশ করতে সক্ষম হয়, তাকে অ্যানালফাবেটিজম (সাক্ষর ব্যক্তি) বলে। ভারতে শিক্ষার বিভিন্ন সংস্থা (১) জাতীয় শিক্ষা গবেষণা ও শিক্ষা পর্ষদ (NCERT) : এই সংস্থাটি সারাদেশ জুড়ে বয়স্কশিক্ষার জন্য নানা ধরনের ...
জাতীয় সাক্ষরতা কর্মসূচি কী? জাতীয় সাক্ষরতা কর্মচারী মূল্যায়ন কিভাবে করা যায়?
জাতীয় সাক্ষরতা কর্মসূচি স্বাধীনতার পর সাক্ষরতা কর্মসূচি স্বাভাবিকভাবে বিশেষ গুরুত্ব পায়। দেশের নেতারা বুঝতে পারেন যে দেশের সাধারণ জনগণ শিক্ষিত না হলে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা সফল হবে না, তার ফলে দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন ব্যাহত হবে। তাই কেন্দ্রীয় সরকার, রাজ্য সরকার, ইউনিয়ন টেরিটরি সকলেই সাক্ষরতা প্রসারে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করে এবং এর মধ্যে সর্বাপেক্ষা উল্লেখযোগ্য হলো জাতীয় ...
জাতীয় সাক্ষরতা কর্মসূচিকে কার্যকর করতে কী কী পদক্ষেপ গৃহীত হয়?
জাতীয় সাক্ষরতা কর্মসূচির উদ্দেশ্যে গৃহীত পদক্ষেপ জনগণের সচেতনতা, প্রেষণা এবং অংশগ্রহণ বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে উপযুক্ত মাধ্যম ও যােগাযােগের সাহায্যে সারা দেশব্যাপী একটি কৌশল গ্রহণ করা হয়। জাতীয় স্তরে, রাজ্য স্তরে এবং জেলা স্তরে প্রতিষ্ঠিত প্রযুক্তিগত প্রতিষ্ঠানগুলিকে উন্নতমানের শিখন উপাদান প্রস্তুত করতে বলা হয়। কেন্দ্র, রাজ্য ও ইউনিয়ন টেরিটরি সকলেই সাক্ষরতা প্রসারে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করে। এর ...
সর্বশিক্ষা অভিযানে বিদ্যালয়ের কী ভূমিকা আলােচনা করো।
বিদ্যালয়ের প্রধান হলেন প্রধান শিক্ষক বা শিক্ষিকা। তাকে অন্যান্য শিক্ষক-শিক্ষিকা, শিক্ষার্থী, পরিচালক মণ্ডলী, অশিক্ষক কর্মচারী সকলের সাহায্যে বিদ্যালয় পরিচালনা করতে হয়, তাই সর্বশিক্ষা অভিযানে শিক্ষার্থীদের প্রতি বিদ্যালয়ের ভূমিকা বলতে বোঝায় প্রধান শিক্ষক বা প্রধান শিক্ষিকা, সহ-শিক্ষক বা সহ-শিক্ষিকা, পরিচালকমণ্ডলী, অশিক্ষক কর্মচারী এদের সকলের মিলিত কার্যকলাপকে। সর্বশিক্ষা অভিযানে বিদ্যালয়ের ভূমিকা (১) বিদ্যালয়ের পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের সব ছেলেমেয়ে ...
সর্বশিক্ষা অভিযানের কর্মসূচি উল্লেখ করো।
সর্বশিক্ষা অভিযানের কর্মসূচি ➽ সাধারণ কর্মসূচি : সর্বশিক্ষা অভিযানে যেসকল সাধারণ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়, তা হল – (১) পরিকাঠামোগত উন্নয়ন : প্রাথমিক ও উচ্চ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিকাঠামোগত মান উন্নয়ন করতে হবে। (২) পরিপূরক শিক্ষাব্যবস্থা : প্রাতিষ্ঠানিক বিদ্যালয়ের পাশাপাশি বিকল্প বিদ্যালয় বা পরিপূরক বিদ্যালয় স্থাপন করতে হবে। (৩) জনসাধারণের অংশগ্রহণ : সমাজের সাধারণ মানুষকে এই ...
