“সমাজচেতনার বিচারে সমগ্র প্রাগাধুনিক বাঙলা সাহিত্যে কবি কঙ্কণের সুবিদিত কাব্যটির কোনও তুলনা নেই।”–তোমাদের পাঠ্য অংশ অবলম্বনে এই অভিমতটির যথার্থতা বিচার করো।

গতানুগতিকতা বর্জিত বৃহত্তর সমাজ পটভূমিতে মুকুন্দরামের ‘চণ্ডীমঙ্গলকাব্য’টি রচিত। কাব্যো যে চরিত্রগুলি বর্ণিত হয়েছে তা সমাজ জীবনের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। চরিত্রগুলির ...

Read more

“মঙ্গলকাব্যে চরিত্র-চিত্রণের গতানুগতিকতা থেকে সরে এসে কবিকঙ্কন এঁকেছেন কালকেতু ও ফুল্লরাকে।”–এই অভিমত যথার্থ কিনা আলোচনা করো।

চরিত্রাঙ্কনে মুকুন্দরাম যে কতখানি দক্ষ শিল্পী তা তাঁর সৃষ্ট চরিত্রগুলি বিশ্লেষণ করলে বোঝা যায়। অনেক সমালোচক মন্তব্য করেছেন যে, কবিকঙ্কন ...

Read more

কবিকঙ্কন মুকুন্দের কাব্যে হাস্যরস সৃষ্টির আড়ালে যে গভীর জীবনবোধ নিহিত ছিল, সে সম্পর্কে আলোচনা করো।

বিশেষ প্রতিভাধর শিল্পী না হলে সাহিত্যে হাস্যরস সৃষ্টি করা কঠিন। বাস্তব জীবনবোধ থেকেই হাস্যরসের উৎপত্তি। সাহিত্য সম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র প্রথম নির্মল ...

Read more

“কবিকঙ্কন মুকুন্দ বস্তুর কারবারি ছিলেন না, ছিলেন বাস্তবরসের স্রষ্টা।”— উদ্ধৃতি সহযোগে মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।

মুকুন্দরামের বাস্তবতা বোধের পরিচয় বস্তুসঞ্চয়ে নয়, বাস্তবরসের পরিবেশন-নৈপুণ্যে। সর্বাগ্রে আমাদের মনে রাখাতে হবে, বস্তুর কারবারী ও বাস্তবরসের স্রষ্টা ঠিক এক ...

Read more

“মুকুন্দ দুঃখবাদী নন, খুব জোর তাঁকে দুঃখীবাদী বলা যেতে পারে।”— তোমাদের গঠিত ‘কবিকঙ্কণ চণ্ডী’র অংশ অবলম্বনে মন্তব্যটির পক্ষে বা বিপক্ষে যুক্তি দেখিয়ে নিজের অভিমত প্রতিষ্ঠিত করো।

বাস্তব জগতে দুঃখ-দারিদ্র্য, লাঞ্ছনা-বঞ্চনা মানুষের নিত্যসঙ্গী। এই অপরিহার্য বিষয় সম্পর্কে কবিগুরু একদা বলেছিলেন— “দুঃখ যদি না পাবে তো দুঃখ তোমার ...

Read more

“মধ্যযুগের বাঙালী সমাজের একটা বড়ো অংশের বাস্তব ছবি ধরা পড়েছে শ্রী কবি কঙ্কনের রচনায়।” – তোমাদের পঠিত অংশ থেকে উদ্ধৃতি দিয়ে মন্তব্যটি যথার্থ পতিপন্ন করো।

বাস্তব চিত্রাঙ্কনে কবি মুকুন্দরামের কৃতিত্ব প্রসঙ্গে ড. সুকুমার সেন বলেছেন— “লোক ব্যবহার, ছেলে ভুলানো, ছেলেখেলা, মেয়েলি ত্রিয়াকাণ্ড, ঘরকন্নার ব্যবস্থা, রাঁধা ...

Read more

“মানবধর্ম ও সামাজিক বোধই মুকুন্দের রচনার মর্মকথা”–তোমাদের পাঠিত কাব্যাংশ অবলম্বনে উদ্ধৃতি সহযোগে মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।

সাহিত্য হল দর্পণ বিশেষ। এখানে যেমন ব্যক্তির চিত্র ফুটে উঠে তেমনই সমাজের, মানববোধের চিত্র চিত্রিত হতে পারে। মধ্যযুগের সাহিত্যগুলি পড়লে ...

Read more

“কবি কঙ্কণ মুকুন্দরাম তাঁর কাব্যে প্রত্যক্ষরূপে ইতিহাস-সচেতন।” তোমাদের গঠিত কাব্যাংশ অবলম্বনে উদ্ধৃতি সহযোগে মন্তব্যটি আলোচনা করো।

চণ্ডীমঙ্গল-এ আছে দুটি কাহিনি, আখেটিক খণ্ড ও বণিক খণ্ড, দুটি খণ্ডই স্বতন্ত্র। চণ্ডী শব্দটি আসলে অনার্য ভাষা সঞ্জাত-অস্ট্রিক বা দ্রাবিড় ...

Read more

“শুধু কালকেতু নয়, ফুল্লরা, মুরারিশীল বা ভাঁড়ু দত্ত পরিবেশের উপযোগী সত্যতায় স্পন্দমান।”— তোমাদের পাঠ্য কাব্যাংশ অবলম্বনে মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।

মধ্যযুগের সমগ্র মঙ্গলকাব্য জুড়ে একজন মাত্র স্রষ্টা আপন বৈশিষ্ট্য ও গুণে ধ্রুবতারার ন্যায় উজ্জ্বল হয়ে আছেন তিনি হলেন কবিকঙ্কণ মুকুন্দরাম। ...

Read more

কালকেতুর অভিযানের ফলে আরণ্যক পশুজগতে তুমুল তোলপাড়ের কাহিনী বর্ণনায় কবির (ক) বর্ণনার যথাযথতা, (খ) মানবিকতার সার্থক আরোপ ও (গ) কৌতুকরস সৃষ্টি দক্ষতার নিদর্শন দেখাইয়া আখ্যায়িকার মধ্যে এই কাহিনী প্রবর্তনের উদ্দেশ্য সম্বন্ধে আলোচনা করো।

কিরাত নগরে অত্যন্ত দরিদ্র অবস্থার মধ্যে কালকেতু ফুল্লরাকে নিয়ে বাস করে। কালকেতু প্রত্যহ বনে গিয়া পশু শিকার করে আনে, ফুল্লরা ...

Read more