স্বাধীন ভারতের রাজনৈতিক ব্যবস্থার বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করাে।
সূচনা: স্বাধীনতা লাভের পরবর্তীকালে ভারতের সুনির্দিষ্ট রাজনৈতিক কাঠামাে গড়ে ওঠে। ৪৪৪টি ধারা, ১২টি তপশিল এবং ৯৭টি সংশােধন নিয়ে ভারতীয় সংবিধান বিশ্বের সর্ববৃহৎ সংবিধান হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। ভারতীয় সংবিধানের প্রস্তাবনায় ভারতবর্ষকে একটি ‘সার্বভৌম গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র’ বলে ঘােষণা করা হয়। স্বাধীন ভারতের রাজনৈতিক ব্যবস্থার বৈশিষ্ট্য [1] গণতান্ত্রিক কাঠামাে: স্বাধীন ভারতে গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা প্রচলিত হয়। ভারতীয় সংবিধানে নাগরিকদের ...
স্বাধীনতা আন্দোলনের চূড়ান্ত পর্যায়ে পূর্ব পাকিস্তানের মুক্তি আন্দোলনের ঘটনাপ্রবাহের বিবরণ দাও।
সূচনা: ১৯৬০-এর দশকের শেষদিকে আওয়ামি লিগ নেতা শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে পূর্ববঙ্গের স্বাধীনতার দাবিতে আন্দোলন শুরু হয়। ১৯৬৮ খ্রিস্টাব্দ থেকে বাংলাদেশের মুক্তি আন্দোলন চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছােয়। ১৯৭১ খ্রিস্টাব্দের মুক্তিযুদ্ধের ঘটনাপ্রবাহ [1] মিথ্যা মামলায় জড়ানো: শেখ মুজিবুরসহ অন্যান্য আওয়ামি লিগ নেতাদের বিরুদ্ধে অভিযােগ আনা হয় যে, তারা ভারতের সঙ্গে মিলে পাকিস্তানের অখণ্ডতার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে। এই ...
স্বাধীন বাংলাদেশের উত্থান ও শেখ মুজিবুর রহমানের ভূমিকা | স্বাধীন বাংলাদেশের আত্মপ্রকাশ কীভাবে হয়েছিল তা বর্ণনা করাে।
সূচনা: পূর্ব পাকিস্তানের ওপর পশ্চিম পাকিস্তানের বঞ্চনার পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দে পূর্ব পাকিস্তানের বাঙালিদের মনে ক্ষোভ জমতে থাকে। এর পরিণতি হিসেবে স্বাধীন বাংলাদেশ রাষ্ট্রের উত্থান ঘটে। স্বাধীন বাংলাদেশের উত্থান ও শেখ মুজিবুর রহমানের ভূমিকা [1] পূর্ববঙ্গের প্রতি বঞ্চনা: পাকিস্তান সৃষ্টির তিন-চার বছর পর থেকে পূর্ব পাকিস্তানের বাঙালিদের ওপর পশ্চিম পাকিস্তান তীব্র অর্থনৈতিক বৈষম্য চাপিয়ে দেয়। পাকিস্তানের ...
১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দে ভারত বিভাজন ও পৃথক পাকিস্তানের প্রেক্ষাপট সম্পর্কে আলােচনা করাে।
সূচনা: উনবিংশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে স্বাধীনতার দাবিতে ভারতে তীব্র ব্রিটিশবিরােধী আন্দোলন শুরু হয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ফলে ব্রিটেনও যথেষ্ট ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় এই উপনিবেশগুলি ধরে রাখার শক্তি ব্রিটেনের ছিল না। এই পরিস্থিতিতে ১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দে ব্রিটেন ভারতকে দ্বিখণ্ডিত করে স্বাধীনতা প্রদান করে। ফলে দক্ষিণ এশিয়ায় স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র ভারত ও পাকিস্তানের সৃষ্টি হয়। ১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দে পৃথক পাকিস্তানের সৃষ্টি ...
ইন্দোনেশিয়ার চূড়ান্ত মুক্তিসংগ্রাম ও স্বাধীনতালাভ উল্লেখ করো। স্বাধীনতা লাভের পরবর্তীকালে ইন্দোনেশিয়ার বিকাশ কর্মসূচি ও জাতি সংগঠনের পরিচয়া দাও৷
সূচনা: ইন্দোনেশিয়া হল দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি দ্বীপরাষ্ট্র। প্রায় ৫ হাজার দ্বীপের সমন্বয়ে গড়ে ওঠা ইন্দোনেশিয়া পৃথিবীর বৃহত্তম মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ রাষ্ট্র। উনবিংশ শতকের শুরুতে ইন্দোনেশিয়া বা পূর্ব ভারতীয় দ্বীপপুঞ্জে ইউরােপের হল্যান্ডের ডাচ বা ওলন্দাজদের চূড়ান্ত ঔপনিবেশিক শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়। এরপর থেকে তারা ইন্দোনেশিয়ার সাধারণ মানুষের ওপর তীব্র শােষণ-পীড়ন চালাতে থাকে। ফলে সেখানকার সাধারণ মানুষের মনে ডাচ ...
