পরাধীন ভারতে সমাজতান্ত্রিক ভাবধারার প্রসারের সংক্ষিপ্ত পরিচয় দাও। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে জওহরলাল নেহরুর সমাজতান্ত্রিক চিন্তাভাবনা সম্পর্কে আলােচনা করাে।
পরাধীন ভারতে সমাজতান্ত্রিক চিন্তাধারার প্রসার পরাধীন ভারতে বিংশ শতকের প্রথমদিকে সমাজতান্ত্রিক চিন্তাধারার প্রসার শুরু হয়। ভারতের সাম্যবাদী নেতৃবৃন্দ দেশের কৃষক ও শ্রমিকদের নিয়ে ব্রিটিশবিরােধী আন্দোলন গড়ে তােলেন। তখন থেকেই ভারতে সমাজতন্ত্রের প্রসার ঘটতে থাকে। বিংশ শতকে ভারতে সমাজতান্ত্রিক ভাবধারার প্রসার সম্পর্কে নীচে উল্লেখ করা হল一 [1] কমিউনিস্ট পার্টি: ১৯১৭ খ্রিস্টাব্দে রুশ বিপ্লবের সাফল্য সাম্যবাদী আদর্শে ...
স্বাধীনােত্তরকালে ভারতে আধুনিক প্রযুক্তিবিদ্যার অগ্রগতির বিবরণ দাও।
সূচনা: ১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দে স্বাধীনতা লাভের পর শিল্পায়নের জন্য আধুনিক প্রযুক্তিবিদ্যার প্রসারের বিশেষ প্রয়ােজন অনুভূত হয়।। ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেন। ভারতে আধুনিক প্রযুক্তিবিদ্যার অগ্রগতি [1] নেহরুর ভূমিকা: জওহরলাল নেহরু উপলদ্ধি করেছিলেন যে, আধুনিক বৈজ্ঞানিক প্রযুক্তিবিদ্যার অগ্রগতির ওপর স্বাধীন ভারতের শিল্পায়নের অগ্রগতি নির্ভর করছে। প্রযুক্তির উন্নতির জন্য তিনি সক্রিয় উদ্যোগ গ্রহণ করেন। নেহরুর ...
স্বাধীন ভারতে বিভিন্ন ভারী শিল্পের ধারাবাহিক বিকাশের সংক্ষিপ্ত বিবরণ দাও।
সূচনা: ১৯৫১ খ্রিস্টাব্দ থেকে বিভিন্ন পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয় এবং ভারী শিল্পের বিকাশে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়। ভারী শিল্পের ধারাবাহিক বিকাশ [1] প্রথম পরিকল্পনায় শিল্পের প্রসার: প্রথম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় (১৯৫১-৫৬ খ্রি.) বিভিন্ন ভারী শিল্পে উৎপাদন যথেষ্ট বৃদ্ধি পায়। সিমেন্ট, ভারী রাসায়নিক দ্রব্য, ইঞ্জিনিয়ারিং শিল্পজাত দ্রব্য প্রভৃতি উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করে। এই পরিকল্পনাকালে শিল্পোৎপাদন ৩৯ ...
‘ভারী শিল্প’ বলতে কী বােঝায়? স্বাধীনতা লাভের পরবর্তীকালে ভারতে ভারী শিল্পের বিকাশে কী কী উদ্যোগ নেওয়া হয়?
ভারী শিল্প বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে ভারী শিল্পের সংজ্ঞা দেওয়া যায়― [1] যে শিল্পের মাধ্যমে ওজনে ভারী বা বিপুল পরিমাণ মূলধন বিনিয়ােগ করে পণ্য উৎপাদিত হয়, তাকে ভারী শিল্প বলে। বৃহৎ নির্মাণশিল্প, রাসায়নিক শিল্প, লৌহ-ইস্পাত শিল্প, ক্রেন বা বুলডােজারের মতাে বড় আকারের যন্ত্রপাতি নির্মাণশিল্প প্রভৃতিকে ভারী শিল্পের অন্তর্ভুক্ত করা হয়। [2] যে শিল্পে প্রচুর পরিমাণ শ্রমিক ...
স্বাধীন ভারতের তৃতীয় পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার বিবরণ দাও।
সূচনা: দ্বিতীয় পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা (১৯৫৬-৬১খ্রি.) বিভিন্ন ব্যর্থতার মধ্যে দিয়ে সমাপ্ত হয়। এরপর প্রধানমন্ত্রী পণ্ডিত জওহরলাল নেহরুর নেতৃত্বাধীন ভারত সরকার ১৯৬১ খ্রিস্টাব্দে তৃতীয় পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা (১৯৬১-৬৬ খ্রি.) গ্রহণ করে। তৃতীয় পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা (১৯৬১-৬৬ খ্রিঃ) প্রেক্ষাপট: এই পরিকল্পনা মােটামুটিভাবে দ্বিতীয় পঞ্বার্ষিকী পরিকল্পনার অনুকরণে তৈরি হয়। তবে দ্বিতীয় পরিকল্পনায় কৃষির উন্নতি ব্যাহত হওয়ায় তৃতীয় পরিকল্পনায় কৃষিকে অগ্রাধিকার দেওয়া ...
