টিনের তলোয়ার নাটকের বীরেন্দ্রকৃষ্ণ দাঁ চরিত্রটি পর্যালোচনা করো।

টিনের তলোয়ার নাটকের বীরেন্দ্রকৃষ্ণ দা একজন বেনিয়া মুৎসুদ্দি এবং গ্রেটবেঙ্গল অপেরার স্বত্বাধিকারী। বীরেন্দ্রকৃষ্ণ মুৎসুদ্দি হলেও অশিক্ষা এবং অজ্ঞানতার অন্ধকারে আচ্ছন্ন, কিন্তু জাতে বণিক। উগ্র রুচিহীন বাবুজনোচিত পোশাক পরা বীরেন্দ্রকৃষ্ণ এক সাহেবের মুৎসুদ্দি। নিজের বাইশ লক্ষ টাকা তাঁর নগদে খাটে। নাটকের দ্বিতীয় দৃশ্যে মহলাকক্ষে তাঁর আবির্ভাব আগমন মাত্র তিনি তাঁর ঐশ্বর্যের বর্ণনা দিতে বসেন—“আমার চার ঘোড়ার ...

Read more

‘টিনের তলোয়ার’ নাটকের নামকরণের সার্থকতা বিচার করো।

‘টিনের তলোয়ার’ কোনো সংকেতিক রূপক বা প্রতীক নাটক হয়। একটি নাট্যদলের গ্রেট বেঙ্গল অপেরার মরণ বাঁচনের কাহিনি নিয়ে রচিত এই নাটক। মূলত ভারতবর্ষের জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের ইতিহাসের পটভূমিতে বাংলা থিয়েটারের সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী ঐতিহ্যের প্রেক্ষাপটে বিপ্লবী থিয়েটারের চেতনার উপযুক্ত প্রতিফলন—টিনের তলোয়ার। নাটকটির মধ্যে ‘টিনের তলোয়ার’-এর প্রসঙ্গ উত্থাপন ও তার বাস্তব ব্যবহার ঘটেছে বেশ কয়েকবার। দি গ্রেট বেঙ্গল ...

Read more

টিনের তলোয়ার নাটকে মাঝে মধ্যে বিদ্যুচ্চমকের মতো যে হাস্যরসের সৃষ্টি হয়েছে তার বিবরণ দাও।

টিনের তলোয়ার’ শুধু মুক্তি সংগ্রামের নাটক নয় পরিবেশনের গুণেই হয়ে উঠেছে হাস্যরসাত্মক । নাটকের প্রথম দৃশ্যে এক মেথরকে দেখা যায়। সে নিজের পরিচয় দিয়ে বলে— “আমি কলতলার তলায় থাকি।” সে লেখাপড়া জানে না। মাইকেল মধুসূদন দত্ত পড়েনি। ইন্ডিয়ান মিরর পত্রিকার নাম তার জানা নেই। কিন্তু সে ঘৃণা করে বামুন আর বাবুদের। বেণীমাধবকে যখন সে জানতে ...

Read more

‘টিনের তলোয়ার নাটকে’— বৈপ্লবিক চেতনা কীরূপ ফুটে উঠেছে তা ব্যাখ্যা করো।

মূলত টিনের তলোয়ার উৎপল দত্তের বিপ্লবী থিয়েটার চিন্তার পরিপ্রেক্ষিতে বিবেচ্য নাটক। ‘নীলদর্পণ’ নাটকখানি জাতীয়তাবোধের প্রতীক রূপে স্বীকৃতি পাওয়ার পর ইংরাজ সরকার ১৮৭২ সালের পর থেকে বাংলা থিয়েটারের প্রতি নজর দিতে শুরু করেন। পরে ইংরাজ সরকারের বিরুদ্ধে কোনো কিছু রচনা করা একেবারেই অসম্ভব হয়ে পড়ে। কাজেই নাট্যকাররা পৌরাণিক, ভক্তিমূলক, রোমান্স জাতীয় নাট্যরচনায় আত্মনিয়োগ করলেন, কিন্তু দীর্ঘদিন ...

Read more

‘টিনের তলোয়ারে — ময়না চরিত্রের স্বরূপ উদ্‌ঘাটন করো।

ময়না রাস্তার মেয়ে। তার জন্ম-কাহিনি অজ্ঞাত। সে যুবতী বয়সে বদ্দীবাটীর আলু হাসনানের বেগুন বেচে পেট চালাত। কিন্তু তার গানের গলা অতি চমৎকার। বেণীমাধব ভোর রাত্রে দেয়ালে পোস্টার সাঁটার সময় হঠাৎ নেপথ্যে নারী কণ্ঠের গান শুনতে পায়— “ছেড়ে কলকাতা বোস হবো পগার পার।  পুঁজি পাটা চুলোয় গেল পেট চালানো হল ভার।।” গান শুনে অবাক বেণীমাধব। কৌতূহল ...

Read more