ডেভিসের ক্ষয়চক্রের সংক্ষিপ্ত সমালােচনা করাে। এল. সি. কিং-এর শুষ্ক অঞ্চলের ক্ষয়চক্রের ধারণাটি ব্যাখ্যা করাে। অথবা, কিং-এর পাদ সমতলীকরণ মতবাদটি ব্যাখ্যা করাে।
ডেভিসের ক্ষয়চক্রের সমালােচনা (১) ডেভিস প্রবর্তিত দীর্ঘমেয়াদি ক্ষয়চক্র সম্পূর্ণ হতে পারে কি না, সে বিষয়ে সন্দেহের অবকাশ রয়েছে। এটি সম্পূর্ণ হওয়ার পূর্বেই ভূমির উত্থানের ফলে ক্ষয়চক্র বিঘ্নিত হতে পারে। (২) ডেভিসের মত অনুযায়ী, ভূমির উত্থান পর্বে ক্ষয়কার্যের হার অতি নগণ্য এবং প্রকৃতপক্ষে তা শুরু হয় উত্থান পর্ব শেষ হলে, কিন্তু বাস্তবে তা অসম্ভব। (৩) ডেভিস ...
ক্ষয়চক্রের বিভিন্ন পর্যায়গুলি আলােচনা করাে।
ক্ষয়চক্রের বিভিন্ন পর্যায় আমেরিকার ভূবিজ্ঞানী উইলিয়াম মরিস ডেভিস 1899 খ্রিস্টাব্দে ক্ষয়চক্রের ধারণাটি প্রথম প্রকাশ করেন। উত্থিত কোনাে ভূমিভাগ ক্ষয়কার্যের ফলে প্রাথমিক অবস্থা থেকে নির্দিষ্ট ক্রম অনুসারে কতকগুলি অন্তর্বর্তী পর্যায়ের মধ্যে দিয়ে অন্তিম পর্যায়ে পৌঁছােনােকে ক্ষয়চক্র বলে। ভূপৃষ্ঠের প্রায় 70 শতাংশ ভূমির ভাস্কর্য নদীর ক্ষয়কার্যের মাধ্যমে সাধিত হয় বলে নদীর এই ক্ষয়চক্রকে স্বাভাবিক ক্ষয়চক্র বলা হয়। ...
স্বাভাবিক ক্ষয়চক্রের যে-কোনাে দুটি পর্যায়ে সৃষ্ট ভূমিরূপের সংক্ষিপ্ত বিবরণ দাও।
যৌবন পর্যায়ে সৃষ্ট ভূমিরূপ গিরিখাত ও ক্যানিয়ন : স্বাভাবিক ক্ষয়চক্রের যৌবন পর্যায়ে নদীর ঢাল বেশি থাকে। তাই নদী দুরন্ত গতিতে নিম্নক্ষয় করেএগিয়ে চলে। ফলে নদী-উপত্যকা সংকীর্ণ ও গভীর হয়। উপত্যকাটি ‘I’ আকৃতির রূপ নেয়। আবহবিকার, ধস ও জলপ্রবাহের ফলে এই ‘I’ আকৃতির উপত্যকার দুই পাড় বিস্তৃত হয়ে ‘V’ আকৃতির উপত্যকা গঠন করে। নদী উপত্যকা ভীষণ ...
লােকমাতা রমা কি হে এ ভ্রষ্টা রমণী | এ জনাকীর্ণ ভবস্থল আজি বিজন জনার পক্ষে | মাতৃত্বের বিচারে জনা চরিত্র কতটা সার্থক
মাতৃত্বের বিচারে জনা চরিত্র কতটা সার্থক? মহাভারতে বর্ণিত মাহেশ্বরী পুরীর রাজা নীলধ্বজের স্ত্রী হলেন জনা। তাঁদের একমাত্র পুত্র প্রবীর অর্জুনের সঙ্গে যুদ্ধে লিপ্ত হয়ে মারা যায়। পুত্ৰমৃত্যুর খবরে জনা দুঃখে জর্জরিত হলেও ক্ষত্রিয় রমণী হিসেবে তিনি নিজেকে সামলে নিয়েছিলেন, চেয়েছিলেন প্রতিশােধের আগুনে চোখের জল শুকিয়ে নিতে। কিন্তু যখন পুত্রহন্তা অর্জুনকে রাজসিংহাসনে বসিয়ে রাজা নীলধ্বজ তুষ্ট ...
ছদ্মবেশে লক্ষরাজে ছলিলা দুর্মতি স্বয়ম্বরে | হা পুত্র সাধিলি কীরে তুই এই রূপে মাতৃধার | জনার পত্রে তাঁর ক্রব্ধ অভিমানী স্বর কীভাবে ধরা পড়েছে | জনা কি প্রকৃতই বীরাঙ্গনা
জনা কি প্রকৃতই বীরাঙ্গনা? যুক্তিসহ লেখাে মাইকেল মধুসূদন দত্ত প্রথম ‘বীরাঙ্গনা শব্দটি তাঁর কাব্যগ্রন্থের নামকরণে ব্যবহার করেছেন। এটি একটি পত্র কবিতা সংকলন। ১১ জন পৌরাণিক নারীচরিত্র সমাজ, লােক, লজ্জা উপেক্ষা করে বীরের মতাে তাদের মনের ক্ষোভ, অভিমান ব্যক্ত করেছে। মনের দুঃখ, বেদনা, ব্যথা, ক্ষোভ ইত্যাদির অকপট প্রকাশ তাদের সংস্কারের গণ্ডি পেরিয়ে বীরত্বের শীর্ষে উন্নীত করেছে। ...
