‘গুরু’ নাটকে ‘গুরু’-র ভূমিকা | তুমি যে আমার সঙ্গে লড়াই করবে— সেই লড়াই আমার গুরুর অভ্যর্থনা | একটা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কীভাবে ‘অচলায়তন’ হয়ে ওঠে?

“তাকে বাঁধছি মনে করে যতগুলাে পাক দিয়েছি সব পাক কেবল নিজের চার দিকেই জড়িয়েছি”— মন্তব্যটির তাৎপর্য আলােচনা করাে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গুরু নাটকে দেখা যায়, আচার্য অদীনপুণ্য ছিলেন অচলায়তনের নিয়মতান্ত্রিক প্রধান। কিন্তু অচলায়তনে গুরুর আগমন সংবাদ শুনে তার মনে দ্বন্দ্বের সূচনা হয়। অচলায়তনের প্রতিবাদী পঞ্চকের সঙ্গে নিজেকে যুক্ত করেন তিনি। সুভদ্রকে প্রায়শ্চিত্ত করানাের বিষয়ে মহাপক, উপাধ্যায় ...

Read more

এমন জবাব যদি আর-একটা শুনতে পাই তা হলে তােদের বুকে করে পাগলের মতাে নাচব | পৃথিবীতে জন্মেছি পৃথিবীকে সেটা খুব কষেবুঝিয়ে দিয়ে তবে ছাড়ি

“কিন্তু দেখছি হাজার বছরের নিষ্ঠুর মুষ্টি অতটুকু শিশুর মনকেও চেপে ধরেছে, একেবারে পাঁচ আঙুলের দাগ বসিয়ে দিয়েছে রে।”- বক্তা এই মন্তব্যের মধ্যে দিয়ে কী বলতে চেয়েছেন? রবীন্দ্রনাথের ‘গুরু’ নাটকে দেখা যায়, অচলায়তনের উত্তরে যেহেতু একজটা দেবীর অবস্থান, তাই সেদিকের জানালা খােলা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ ছিল। সুভদ্র তার বালকসুলভ কৌতুহলে সেই তিনশাে পঁয়তাল্লিশ বছরের বন্ধ জানলা খুলে ...

Read more

নিয়ে এস হৃদয়ের বাণী। প্রাণকে প্রাণ দিয়ে জাগিয়ে দিয়ে যাও | তুচ্ছ মানুষের প্রাণ আজ আছে কাল নেই, কিন্তু সনাতন ধর্মবিধি তাে চিরকালের | তােমার জয়জয়কার হবে সুভদ্র। তিনশাে পঁয়তাল্লিশ বছরের আগল তুমি ঘুচিয়েছ

“তােমার জয়জয়কার হবে সুভদ্র। তিনশাে পঁয়তাল্লিশ বছরের আগল তুমি ঘুচিয়েছ।”- এই কথার মধ্যে দিয়ে বক্তা কী বােঝাতে চেয়েছেন? রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘গুরু’ নাটকে অচলায়তনের বালক সুভদ্র তার কিশাের বয়সের কৌতূহলে আয়তনের উত্তর দিকের জানলা খুলে দেয়। কিন্তু আয়তনের শিক্ষায় বড়াে হয়ে ওঠা সুভদ্র এ ঘটনায় নিজে থেকেই শঙ্কিত হয়ে ওঠে। কারণ আয়তনের ধারণা অনুসারে এই ঘটনা ...

Read more

অচলায়তনে এবার মন্ত্র ঘুচে গান আরম্ভ হবে | তফাতটা এই যে, তােমরা বােঝা বয়ে মর, আমি হালকা হয়ে বসে আছি | পঞ্চকদাদা বলেন অচলায়তনে তাঁকে কোথাও ধরবে না

“দুজনে মিলে কেবলই উত্তর দক্ষিণ পুৰ পশ্চিমের সমস্ত দরজাজানলাগুলাে খুলে খুলে বেড়াব।”- বক্তা এই মন্তব্য করেছেন কেন? রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘গুরু’ নাটকের শেষ অংশে অচলায়তনের প্রাচীর ভেঙে দিয়ে যূনকদের নিয়ে সেখানে প্রবেশ করেন দাদাঠাকুর। সেখানে দাদাঠাকুর নিয়ে আসেন প্রাণের বার্তা, জীবনের হাতছানি। সংস্কারাচ্ছন্ন সুভদ্র এই নতুন পরিস্থিতিকে গ্রহণ করার বদলে শঙ্কিত হয়ে ওঠে তার পাপের প্রায়শ্চিত্তস্বরূপ ...

Read more

খােলা জায়গাতেই সব পাপ পালিয়ে যায় | ও আজ যেখানে বসেছে সেখানে তােমাদের তলােয়ার পৌঁছােয় না | আজ কোনাে নিয়ম রক্ষা করা চলবে বলে বােধ হচ্ছে না

“যিনি সব জায়গায় আপনি ধরা দিয়ে বসে আছেন তাঁকে একটা জায়গায় ধরতে গেলেই তাঁকে হারাতে হয়।” মন্তব্যটির মর্মার্থ আলােচনা করাে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘গুরু’ নাটকে দেখা যায়, দর্ভকপল্লিতে গুরুর সঙ্গে সাক্ষাতের পর আচার্য অদীনপুণ্য অচলায়তনের শাস্ত্রনির্ভর জীবনবিমুখ ধর্মসাধনায় নিজের অতৃপ্তির কথা গুরুকে জানান। বিরাট বিশ্বসংসারে প্রতিটি প্রাণের মধ্যেই ঈশ্বর বিরাজ করেন। তাই নিছক সাধন, পূজন, ভজন ...

Read more