প্রাণকে প্রাণ দিয়ে জাগিয়ে দিয়ে যাও | সে কি গর্ভের মধ্যেও কাজ করে | ওঁকে অচলায়তনের ভূতে পেয়েছে | শুনেছি অচলায়তনে কারা সব লড়াই করতে এসেছে
“প্রাণকে প্রাণ দিয়ে জাগিয়ে দিয়ে যাও” -কে, কার উদ্দেশ্যে এই প্রার্থনা করেছে? কেন এই প্রার্থনা করেছে? অচলায়তন নামক কুসংস্কার ও শুষ্ক শাস্ত্রীয় বিধিনিষেধের বেড়াজালে বন্দি আয়তনের আচার্য অদীনপুণ্য গুরুকে উদ্দেশ করে এই প্রার্থনা করেছেন। এতদিন ধরে আচার্য সমস্ত পুথিগত বিদ্যা ও কুসংস্কারকে আঁকড়ে ধরে রেখেছিলেন তাঁর অচলায়তনে। গুরু আচার্যকে আদর্শ শিক্ষাভার অর্পণ করেছিলেন। কিন্তু তিনি ...
ঐ আমাদের দুর্লক্ষণ | ভাই তােরা সব কাজই করতে পাস | আমাদের রাজার বিজয়রথ তার উপর দিয়ে চলবে
“আমাদের রাজার বিজয়রথ তার উপর দিয়ে চলবে” -প্রসঙ্গটির ব্যাখ্যা দাও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা ‘গুরু’ নাটক থেকে সংগৃহীত এই উক্তিটি করেছে দাদাঠাকুর। আলােচ্য নাটকে দেখা যায়, দাদাঠাকুরের শিষ্য দ্বিতীয় যূনক খবর দেয়, তাদের দলের চণ্ডককে হত্যা করে ফেলেছে স্থবিরপত্তনের রাজা মন্থরগুপ্ত। চতুর্থ যূনক জানায়, শূনকদের মধ্য থেকে দশজনকে স্থবিরক সম্প্রদায়ের লােকেরা ধরে নিয়ে গেছে সম্ভবত কালঝন্টি ...
একটু উৎপাত হলে যে বাঁচি | ওরা ওদের দেবতাকে কাঁদাচ্ছে | দাদাঠাকুর পঞ্চককে তার দলে নিতে চাননি কেন
“ওরা ওদের দেবতাকে কাঁদাচ্ছে”- কারা কেন তাদের দেবতাকে কাদাচ্ছে? রবীন্দ্রনাথের ‘গুরু’ নাটকে আচার্য অদীনপুণ্য একথা বলেছেন পঞ্জককে। এখানে দেবতা বলতে আশ্রমের ছােটো বালক সুভদ্রের কথা বলা হয়েছে। সুভদ্র একদিন অসচেতনে অচলায়তনের উত্তর দিকের জানলা খুলে বাইরেটা দেখে ফেলেছিল। আশ্রমের লােকের ধারণা অনুযায়ী উত্তর দিক একজটা দেবীর অধীনস্থ তাই সেদিকে তাকানাে মানে একজটা দেবীকে রুষ্ট করা। ...
অচলায়তনের বালক সম্প্রদায়ের বৈশিষ্ট্য | এই তাে আমার গুরুর বেশ | শিলা জলে ভাসে | ভুল করেছিলুম জেনেও সে ভুল ভাঙতে পারিনি
অচলায়তনের বালক সম্প্রদায়ের কী বৈশিষ্ট্য চোখে পড়ে? রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা ‘গুরু নাটকে একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে অচলায়তন বলা হয়েছে। অচলায়তনে শিশুদের নিজস্ব ইচ্ছার কোনাে প্রাধান্য থাকে না। কেবলমাত্র পুথিগত বিদ্যার ওপর ভর করে এদের শিক্ষা দেওয়া হয়। তাতে প্রতিদিন নিয়ম করে তাদের মন্ত্রপাঠ, যাগযজ্ঞ, আচার-অনুষ্ঠান ও ধ্যানে বসতে হত। আশ্রমের এই কঠিন নিয়ম, অবরুদ্ধতা বালকদের মনে ...
পাথরগুলাে সব পাগল হয়ে যাবে | ‘গুরু’ নাটকে পঞ্চক চরিত্র | অচলায়তনে তাঁকে কোথাও ধরবে না | অচলায়তনের প্রাচীর ভেঙে ছাত্রদের মধ্যে প্রতিক্রিয়া
পাথরগুলাে সব পাগল হয়ে যাবে…’— পাথরগুলাে পাগল হয়ে যাবে কেন? এই কথাটি কবিগুরু রবীন্দ্রনাথের অন্যতম রূপক নাটক গুরুর প্রাণবন্ত চরিত্র পঞ্চক বলেছে। নববর্ষের সজল হাওয়ায় মনের সমস্ত ক্লেশ, ক্ষোভ দূর হয়ে যাবার জন্য পঞ্চক গান ধরেছে। আকাশের ঘন নীল মেঘের মধ্যে সে তার মুক্তির পথ দেখতে পেয়েছে। তাই সে নৃত্যসহকারে গান ধরেছে এবং অচলায়তনের অন্য ...
