সূচনাপর্বের রবীন্দ্রকাব্য | প্রবণতা অনুসারে রবীন্দ্র কাব্যধারার পর্ব-বিভাগ | শেষ পর্বের কাব্যধারার প্রধান বৈশিষ্ট্য

প্রবণতা অনুযায়ী রবীন্দ্রকাব্যের পর্ব-বিভাগ করে শেষ পর্বের কাব্যধারার প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলি সূত্রাকারে লেখাে। রবীন্দ্রকাব্যের পর্ব-বিভাগ: বিপুল বৈচিত্র্যময় রবীন্দ্রকাব্যকে প্রবণতা অনুযায়ী নিম্নলিখিত আটটি ভাগে ভাগ করা যায়- শেষপর্বের কাব্যধারার বৈশিষ্ট্য: ‘খাপছাড়া’ (১৯৩৭) থেকে ‘শেষ লেখা’ (মৃত্যুর পর প্রকাশিত) পর্যন্ত পর্বটিকে বলা যেতে পারে রবীন্দ্রকাব্যের শেষপর্ব বা অন্তিমপর্ব (১৯৩৬-১৯৪১)। এ পর্বে তিনি ‘খাপছাড়া’, ‘ছড়া ও ছবি’, ‘প্রহাসিনী’ ইত্যাদি ...

Read more

কবি বিহারীলালের কাব্যপ্রতিভার বৈশিষ্ট্য | উনিশ শতকের আখ্যানকাব্য ও মহাকাব্য | বিহারীলাল চক্রবর্তীর কাব্যচর্চা

আখ্যানকাব্যের সাধারণ পরিচয় দিয়ে উনিশ শতকের আখ্যানকাব্যগুলি উল্লেখ করাে। আখ্যানকাব্য: বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগে যেসব আখ্যানকাব্যের পরিচয় আমরা পাই, তা ছিল দেবদেবীর মাহাত্মজ্ঞাপক অথবা দৈব-নিরপেক্ষ নরনারীর প্রেমের উপাখ্যান। কিন্তু উনিশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে পাশ্চাত্য আদর্শে যেসব আখ্যানকাব্য রচিত হয়েছিল, সেগুলি ছিল ইতিহাস আশ্রিত এবং স্বদেশপ্রেম ও জাতীয়তাবােধে পরিপূর্ণ। এই আখ্যানকাব্যগুলির উৎস কিংবদন্তি বা ইতিহাস হলেও এগুলিতে কবিকল্পনা ...

Read more

বাংলা গদ্যসাহিত্যে অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কৃতিত্ব | বাংলা আখ্যানকাব্য ও মহাকাব্যসাহিত্যে মধুসূদন দত্তের অবদান | মাইকেল মধুসূদন দত্তের ‘বীরাঙ্গনা কাব্য’ ও ‘ব্রজাঙ্গনা কাব্য’-এর পরিচয়

বাংলা গদ্যসাহিত্যে অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কৃতিত্ব বাংলা গদ্যসাহিত্যের ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় ব্যক্তিত্ব হলেন রবীন্দ্রনাথের ভাইপাে অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর। মূলত চিত্রশিল্পী ছিলেন বলেই তার গদ্যের মধ্যে ছিল চিত্রধর্মিতা। বিষয়বস্তু ও আঙ্গিক অনুসারে তার রচনাকে চার ভাগে ভাগ করা যেতে পারে। রূপকথামূলক রচনা: ‘শকুন্তলা’ (১৮৯৫), ‘ক্ষীরের পুতুল’ (১৮৯৬), নালক’, ‘বুড়াে আংলা’ গ্রন্থগুলি শিশুমনের কল্পনার উপযােগী করে লেখা। তাঁর লেখা ...

Read more

বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে ‘হুতােম প্যাঁচার নক্সা’র অবদান | বাংলা গদ্যসাহিত্যে প্যারীচাঁদ মিত্রের অবদান | বাংলা প্রবন্ধ-সাহিত্যের ক্ষেত্রে রবীন্দ্রনাথের অবদান

বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে ‘হুতােম প্যাঁচার নক্সা’র অবদান সংক্ষেপে আলােচনা করাে। কালীপ্রসন্ন সিংহের হুতােম প্যাচার নক্সা’র প্রথম খণ্ড প্রকাশিত হয় ১৮৬২ খ্রিস্টাব্দে ; প্রথম ও দ্বিতীয় খণ্ড একত্রে প্রকাশিত হয় ১৮৬৫ খ্রিস্টাব্দে। এটি বাংলা চলিত গদ্যে লেখা প্রথম গ্রন্থ। এর মধ্যে তৎকালীন কলকাতার সাধারণ মানুষের মুখের ভাষা অবিকল ব্যবহৃত হয়েছে। এমনকি লােকমুখে উচ্চারিত ধ্বনিরূপ যথাযথ রাখার ...

Read more

বাংলা প্রবন্ধসাহিত্যে বঙ্কিমচন্দ্রের অবদান | বাংলা গদ্যের বিকাশে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের অবদান | বাংলা গদ্যের উদ্ভব ও ক্রমবিকাশে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের ভূমিকা

বাংলা গদ্যের উদ্ভব ও ক্রমবিকাশে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের ভূমিকা সম্পর্কে আলােচনা করাে বাংলা গদ্যের চর্চা ও বিকাশের ক্ষেত্রে ১৮০০ খ্রিস্টাব্দে উইলিয়ম কেরি নির্মিত ফোর্ট উইলিয়ম কলেজের গুরুত্ব অনন্যসাধারণ। শিক্ষাদানের উপযুক্ত পাঠ্যপুস্তক রচনার জন্য কেরি নিজেও যেমন উদ্যোগী হন, তেমনি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের আরও কয়েকজন পণ্ডিতকে সেই কাজে উৎসাহিত করেন। উইলিয়াম কেরি: সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের ...

Read more