বাংলা নাটকে বিজন ভট্টাচার্যের অবদান/কৃতিত্ব | বাংলা নাট্য-আন্দোলনে বিজন ভট্টাচার্যের ভূমিকা | বাংলা নাটকে ক্ষীরােদপ্রসাদ বিদ্যাবিনােদের অবদান

বাংলা নাটকে ক্ষীরােদপ্রসাদ বিদ্যাবিনােদের অবদান বাংলা নাটকের ইতিহাসে ক্ষীরােদপ্রসাদ বিদ্যাবিনােদ একটি উল্লেখযােগ্য নাম। নাটকের সাহিত্যগুণের থেকেও তিনি বেশি করে মন দিয়েছিলেন নাটকের মঞসাফল্যের দিকে। তাঁর নাটকগুলিকে কয়েকটি শ্রেণিতে ভাগ করা যেতে পারে- পৌরাণিক নাটক: ক্ষীরােদপ্রসাদ বিদ্যাবিনােদ পৌরাণিক কাহিনি অবলম্বনে রচনা করেন ‘সাবিত্রী’, ‘উলূপী’, ‘ভীষ্ম’, ‘মন্দাকিনী’ ও ‘নর নারায়ণ’। আধুনিক মানুষের দ্বিধা-যন্ত্রণার দিকটি ‘ভীষ্ম’ নাটকে ফুটে ...

Read more

রবীন্দ্রনাথের নাট্যপ্রতিভা ও রূপক-সাংকেতিক নাটক | রবীন্দ্রনাথের হাস্যরসাত্মক নাটক | বাংলা নাট্যসাহিত্যের ইতিহাসে দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের ভূমিকা/কৃতিত্ব

রবীন্দ্রনাথের নাট্যপ্রতিভার পরিচয় বাংলা নাটকের ক্ষেত্রে রবীন্দ্রনাথের অবদান অনস্বীকার্য। রবীন্দ্রনাথের নাট্যরচনাগুলিকে নিম্নলিখিত কয়েকটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়- গীতিনাট্য, কাব্যনাট্য, নাট্যকাব্য: ‘বাল্মীকি-প্রতিভা’ এবং ‘মায়ার খেলা’ তাঁর দুটি উল্লেখযােগ্য গীতিনাট্য; চিত্রাঙ্গদা তার একটি বহুখ্যাত কাব্যনাট্য এবং ‘কর্ণকুন্তীসংবাদ’, ‘গান্ধারীর আবেদন’ প্রভৃতি রচনাকে বলা যেতে পারে নাট্যকাব্য। প্রচলিত রীতির পূর্ণাঙ্গ নাটক: ‘রাজা ও রাণী’, ‘বিসর্জন’, ‘মালিনী’, ‘মুকুট’, ‘প্রায়শ্চিত্ত’ প্রভৃতি ...

Read more

বাংলা নাটকের ইতিহাসে গিরিশচন্দ্র ঘােষের দান | বাংলা নাটকের ইতিহাসে দীনবন্ধু মিত্রের অবদান | বাংলা নাট্যসাহিত্যে মধুসূদন দত্তের অবদান | সুভাষ মুখােপাধ্যায়ের কাব্যচর্চা

রবীন্দ্রোত্তর কবি হিসেবে সুভাষ মুখােপাধ্যায়ের কাব্যচর্চার পরিচয় সুভাষ মুখােপাধ্যায় (১৯১৯-২০০৩) প্রথম জীবনে সমাজ-পরিবর্তনের স্বপ্ন এবং সারাজীবন এক উদার মানবতাবাদকে তাঁর কবিতায় প্রতিষ্ঠা করেছেন। সুভাষ মুখােপাধ্যায় রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ পদাতিক (১৯৪০ খ্রি.)। তাঁর অন্যান্য উল্লেখযােগ্য কাব্যগ্রন্থগুলি হল- ‘অগ্নিকোণ’ (১৯৪৮ খ্রি.), ‘চিরকুট’ (১৯৫০ খ্রি.), ‘ফুল ফুটুক’ (১৯৫৭ খ্রি.), ‘একটু পা চালিয়ে ভাই’, ‘যতদূরেই যাই’ (১৯৬২ খ্রি.), ‘কাল ...

Read more

বাংলা কবিতার ইতিহাসে মােহিতলাল মজুমদারের স্থান | কাজি নজরুল ইসলামের কবিপ্রতিভা | জীবনানন্দ দাশের কাব্যগ্রন্থ ও কাব্যচর্চা | সুধীন্দ্রনাথ দত্তের কাব্যচর্চা

বাংলা কবিতার ইতিহাসে মােহিতলাল মজুমদারের স্থান রবীন্দ্রনাথের প্রতিভার দীপ্তিতে বাংলার কবিসমাজ যখন আচ্ছন্ন, তখন যে-কয়েকজন কবি নিজস্বতা বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছিলেন, মােহিতলাল মজুমদার (১৮৮৮-১৯৫২ খ্রি.) তাঁদের মধ্যে অন্যতম। মােহিতলাল মােট ছয়খানি কাব্যগ্রন্থ রচনা করেন : ‘দেবেন্দ্রমঙ্গল’ (১৯২২ খ্রি.), ‘স্বপনপসারী’ (১৯২২ খ্রি.), ‘বিস্মরণী’ (১৯২৭ খ্রি.), ‘স্মরগরল’ (১৯৩৬ খ্রি.), ‘হেমন্ত গােধূলি’ (১৯৪১ খ্রি.) এবং ‘ছন্দ চতুর্দশী’ (১৯৪১ ...

Read more

যতীন্দ্রনাথ সেনগুপ্তের কাব্যরচনার বৈশিষ্ট্য | বলাকাপর্ব ও গদ্যকবিতাপর্বের রবীন্দ্রকাব্য | রবীন্দ্রকাব্যের গীতাঞ্জলিপর্ব | ‘ঐশ্বর্যপর্ব’-এর কাব্য আক্ষরিক অর্থেই ঐশ্বর্যময়

‘ঐশ্বর্যপর্ব’-এর কাব্য আক্ষরিক অর্থেই ঐশ্বর্যময়- আলােচনা করাে। ঐশ্বর্যময় ‘ঐশ্বর্ষপর্ব’-এর কাব্য: ‘মানসী’ থেকেই রবীন্দ্রনাথের কবিপ্রতিভার ঐশ্বর্যময় প্রকাশ ঘটে। মানসী কাব্যগ্রন্থের ভূমিকাতে রবীন্দ্রনাথ নিজেই জানাচ্ছেন, “মানসীতেই ছন্দের নানা খেয়াল দেখা দিতে আরম্ভ করেছে। কবির সঙ্গে যেন একজন শিল্পী এসে যােগ দিল।” ‘মানসী’-তে কবি ও শিল্পীর মিলন নানান ঐশ্বর্যে পূর্ণ হয়ে দেখা দিল ‘সােনার তরী’, ‘চিত্রা’ ও ‘চৈতালি’-তে। ...

Read more