মৃত্তিকা বলতে কী বােঝায়? মৃত্তিকার প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলি উল্লেখ করাে।
মৃত্তিকা ইংরেজি ‘Soil শব্দটি ল্যাটিন ‘Solum’ থেকে এসেছে। যার অর্থ হল ভূমিতল’ বা ‘মেঝে’। সাধারণভাবে দীর্ঘকাল ধরে বিভিন্ন প্রাকৃতিক পরিবেশে ভৌত, রাসায়নিক ও জৈবিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আদি শিলা পরিবর্তনের ফলে ভূপৃষ্ঠের ওপরে বিভিন্ন খনিজ ও জৈব পদার্থ সমৃদ্ধ হয়ে যে পাতলা ভঙ্গুর আবরণ বা স্তর সৃষ্টি হয়, যা উদ্ভিদ বৃদ্ধির সহায়ক তাকে মৃত্তিকা বলে। বিভিন্ন ...
উনিশ ও বিশ শতকের সাধুগদ্যের পরিচয় । চলিতভাষার উদ্ভব ও বিবর্তন পর্যালােচনা । উপভাষা-শৃঙ্খল । বাংলা গদ্যের সাহিত্যিক উপভাষা সম্বন্ধে নাতিদীর্ঘ
উনিশ ও বিশ শতকের সাধুগদ্যের পরিচয় উনিশ শতকের আগে থেকেই বাংলা লেখ্য গদ্যের যে রূপ প্রচলিত ছিল, ফোর্ট উইলিয়ম কলেজ প্রতিষ্ঠার পর থেকে সেই রূপটি অবলম্বন করেই বাংলা গদ্যের তথা বাংলা সাহিত্যিক গদ্যের ব্যাপক চর্চা শুরু হয়। ১৮০০ খ্রিস্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত হয় ফোর্ট উইলিয়ম কলেজ। তারপর থেকেই সংস্কৃতজ্ঞ পণ্ডিত, মুনশি এবং বাংলা-জানা বিদেশি পণ্ডিতেরা বাংলা গদ্যে ...
লিঙ্গনির্ভর সমাজভাষা । গ্রাম ও শহরভেদে ভাষার পার্থক্য । সম্প্রদায়ভেদে ভাষাগত পার্থক্য । প্রাক-উনিশ শতকের সাধুগদ্যের পরিচয়
লিঙ্গনির্ভর সমাজভাষা সম্পর্কে বিস্তৃত আলােচনা নারী ও পুরুষের ব্যবহৃত ভাষার মধ্যে পার্থক্য লক্ষ করে ভাষাবিজ্ঞানীরা লিঙ্গনির্ভর সমাজভাষার কথা বলেছেন। নারী ও পুরুষের ভাষার মধ্যে পার্থক্যের কারণ উভয়ের জীবনাচরণের ধারা এবং সামাজিক জীবনপ্রণালী সমশ্রেণির নয়। পুরুষদের পৃথিবী ঘরােয়া নারীদের পৃথিবী থেকে যেহেতু অনেক বিস্তৃত, তাই তাদের ব্যবহৃত ভাষার শব্দভাণ্ডার অনেক সমৃদ্ধ। তা ছাড়া, পুরুষরা মান্যভাষার অনেক ...
রাঢ়ি উপভাষার ধ্বনিতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য । রাঢ়ি উপভাষার রূপতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য । ঝাড়খণ্ডি উপভাষার ধ্বনিতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য
রাঢ়ি উপভাষা রাঢ়ি উপভাষা প্রচলিত অঞ্চলসমূহ: বীরভূম, বর্ধমান, বাঁকুড়ার পূর্বাংশ, পূর্ব মেদিনীপুর, হুগলি, হাওড়া, কলকাতা, উত্তর চব্বিশ পরগনা, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, মুরশিদাবাদ এবং নদিয়া জেলায় রাঢ়ি উপভাষার প্রচলন রয়েছে। রাঢ়ি উপভাষার ধ্বনিতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য: রাঢ়ি উপভাষার রূপতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য: ঝাড়খণ্ডি উপভাষা প্রচলিত অঞ্চলসমূহ: পুরুলিয়া; ঝাড়খণ্ডের কিছু অংশ, যেমন মানভূম, ধলভূম, সিংভূম; পশ্চিম বাঁকুড়া; পশ্চিম মেদিনীপুর প্রভৃতি অঞ্চলে ...
বাংলাভাষার সামগ্রিক ভাষাবৈচিত্র্য । মান্যভাষার পরিচয় দিয়ে উপভাষার সঙ্গ মান্যভাষার তুলনা । উপভাষা উৎপত্তির কারণ
বাংলাভাষার সামগ্রিক ভাষাবৈচিত্র্য সম্বন্ধে আলােচনা যদি কোনাে ভাষার ভাষিক অঞ্চল বিস্তৃত হওয়ার পাশাপাশি তার উপভাষীর সংখ্যাও বেশি হয়, তাহলে বিভিন্ন অঞলে ভাষার রূপের পার্থক্য ঘটে। ভাষার এই আঞ্চলিক বৈচিত্র্যকে উপভাষা (dialect) বলে। বাংলা ভাষার পাঁচটি উপভাষা দেখা যায়। এগুলি হল— এর মধ্যে ‘রাঢ়ী’কে ‘মান্য চলিত’ বলে ধরা হয়। অঞ্চলের বিভিন্নতার কারণে যেমন উপভাষার জন্ম, তেমনি ...
