জোড়াসাঁকো নাট্যশালা সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করো।
চারটি বড়ো সখের নাট্যশালার মধ্যে ‘জোড়াসাঁকো নাট্যশালা হল তৃতীয়। এর প্রতিষ্ঠার মূলে ছিলেন সারদাপ্রসাদ গঙ্গোপাধ্যায়, গুণেন্দ্রনাথ ঠাকুর, এবং জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর। ...
নবীনচন্দ্র বসুর থিয়েটার সম্পর্কে নাতিদীর্ঘ একখানি প্রবন্ধ রচনা করো।
হিন্দু থিয়েটার বা প্রসন্নকুমার ঠাকুরের থিয়েটারের পরেই বাঙালির প্রচেষ্টায় কলকাতায় শ্যামবাজারে প্রতিষ্ঠিত হয় আরও একটি নাট্যশালা। উত্তর কলকাতার বাসিন্দা নবীনচন্দ্র ...
ন্যাশানাল থিয়েটারের প্রথম প্রতিষ্ঠা, সেখানে অভিনীত নাটক সেখানকার নাট্য সমাবেশ ও গিরিশচন্দ্রের ভূমিকা এবং পরবর্তীকালে এই থিয়েটারের প্রভাব কতটা সুদূর প্রসারী হয়েছিল তা আলোচনা করো।
সৌখিন থিয়েটার বঙ্গীয় সমাজের অভিজাত সম্প্রদায় এবং স্কুল কলেজকে আশ্রয় করেছিল। কোনো অভিজাত শ্রেণির ধনীর উৎসাহে এবং অর্থানুকূল্যে তাঁর নিজ ...
বাগবাজার অ্যামেচার থিয়েটারের প্রতিষ্ঠা, অভিনীত নাটক ও অভিনেতা সম্পর্কে এবং বাংলা নাট্যমঞ্চের ইতিহাসে এর গুরুত্ব পর্যালোচনা করো। বাগবাজার অ্যামেচার থিয়েটার কীভাবে গঠিত হয়? এঁদের অভিনীত নাটক কী এবং প্রধান অভিনেতা কে? এই দলের নামান্তর কী হয়েছিল? এদের নাটক কোথায় কোথায় কীভাবে মঞ্চস্থ হয়েছিল এবং জাতীয় নাট্যশালা স্থাপনের পশ্চাতে এঁদের অবদান নির্ণয় করো।
ধনী ব্যক্তির বাড়িতে অভিনয়ের মাধ্যমে নতুন থিয়েটার ও নাটকের সঙ্গে কিছু বাঙালির পরিচয় হয়। এবার এই শিক্ষিত তরুণেরা ধনীর ছত্রছায়ায় ...
ন্যাশনাল থিয়েটার-এর পত্তন থেকে পরবর্তীকালে এর বিভিন্ন ভাঙাগড়া ও নতুন দলগঠনের একটি সংক্ষিপ্ত ইতিহাস বিবৃত করো।
ন্যাশনাল থিয়েটার-এর পত্তন হয় ১৮৭২-এর ৭ই ডিসেম্বর ‘নীলদর্পণ’ অভিনয়ের মধ্য দিয়ে। বস্তুত ১৮৬৮তে স্থাপিত বাগবাজার এমেচার থিয়েটারই ন্যাশনাল থিয়েটারে পরিণত ...
গ্রেট ন্যাশনাল থিয়েটারের প্রতিষ্ঠা, প্রযোজনা ও বঙ্গ রঙ্গমঞ্চের ইতিহাসে এই রঙ্গালয়ের গুরুত্ব সম্পর্কে একটি নাতিদীর্ঘ প্রবন্ধ লেখ।
১৮৩০ খ্রীস্টাব্দে প্রসন্নকুমার ঠাকুরের হিন্দু থিয়েটার স্থাপন থেকে ১৮৬০ পর্যন্ত বঙ্গদেশীয় রঙ্গমঞ্চ ছিল মূলত ব্যক্তিগত উদ্যোগে ধনী ব্যক্তিদের পৃষ্ঠপোষকতায় পরিচালিত। ...