পাঠক্রমের বৈশিষ্ট্যাবলি সংক্ষেপে লেখাে।
পাঠক্রমের বৈশিষ্ট্য (1) অভিজ্ঞ ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের দ্বারা নির্ধারিত : পাঠক্রম নির্ধারণ করার জন্য অভিজ্ঞ ব্যক্তি বা এই বিষয়ে অভিজ্ঞ প্রতিষ্ঠানের প্রয়ােজন হয়। (2) পূর্বনির্ধারিত : পাঠক্রম পূর্বনির্ধারিত সুপরিকল্পিত উপায়ে শিক্ষার্থীদের বয়স, বিকাশগত বৈশিষ্ট্য, সামর্থ্য প্রভৃতি বিষয়গুলি মাথায় রেখে এটি স্থির করা হয়। (3) পরিবর্তনযোগ্য : মানবজীবন পরিবর্তনশীল আর তার সঙ্গে সংগতি রেখে পাঠক্রমও পরিবর্তিত ...
পাঠক্রম কী? পাঠক্রম নির্ধারণে শিশুর কোন্ কোন্ চাহিদা ও ক্ষমতার ওপর গুরুত্ব দেওয়া উচিত?
পাঠক্রম পাঠক্রম বলতে বােঝায় শিক্ষার্থীদের সমস্ত রকমের অভিজ্ঞতা যা তারা শ্রেণিকক্ষে, কর্মশালায়, খেলার মাঠে এবং শিক্ষকদের সঙ্গে যােগাযােগের মাধ্যমে লাভ করে। এই অর্থে সমগ্র বিদ্যালয়জীবনই পাঠক্রম যা শিক্ষার্থীর জীবনের সমস্ত ক্ষেত্রকেই স্পর্শ করে এবং সুসংহত ব্যক্তিত্ব গড়ে তােলে। আধুনিককালের শিক্ষাবিদদের মতে, পাঠক্রম হল ব্যক্তিজীবনের সার্বিক বিকাশে সহায়ক, সুনির্বাচিত অভিজ্ঞতাসমূহের যথার্থ সমন্বয়সাধন। পাঠক্রম নির্ধারণে শিশুর চাহিদা ...
পাঠক্রমের সংজ্ঞা দাও। পাঠক্রম গঠনের উপাদানগুলি সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত আলােচনা করাে।
পাঠক্রম পাঠক্রম বলতে শিক্ষার্থীদের সমস্ত রকমের অভিজ্ঞতাকে বােঝায় যা তারা শ্রেণিকক্ষে, কর্মশালায়, খেলার মাঠে এবং শিক্ষকদের সঙ্গে যােগাযােগের মাধ্যমে লাভ করে। এই অর্থে সমগ্র বিদ্যালয়জীবনই পাঠক্রম যা শিক্ষার্থীর জীবনের সমস্ত ক্ষেত্রকেই স্পর্শ করে এবং তার সুসংহত ব্যক্তিত্ব গড়ে তােলে। পাঠক্রম গঠনের উপাদান পাঠক্রম গঠনের উপাদান বলতে বােঝায় সেইসব বিষয়, যা পাঠক্রম প্রণয়নের ক্ষেত্রে বিবেচিত হয়। ...
শিক্ষায় আধুনিক শিক্ষকের ভূমিকা ব্যাখ্যা করাে।
আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থায় শিক্ষকের প্রধান ভূমিকা শিক্ষাদান হলেও একাধিক ভূমিকা পালনের কথা বলা হয়| নীচে বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় শিক্ষকের বিভিন্ন ভূমিকা উল্লেখ করা হল一 শিক্ষণ প্রক্রিয়ায় শিক্ষকের ভূমিকা শিক্ষা প্রক্রিয়াকে বিশ্লেষণ করে আধুনিক শিক্ষকের ভূমিকাকে প্রধানত তিনটি দিক থেকে বিচার করা হয় শিখন সহায়কের ভূমিকা সংযােগরক্ষাকারীর ভূমিকা এবং মাধ্যমের ভূমিকা। [1] শিখন সহায়কের ভূমিকা : শিক্ষক পাঠ্যবিষয়কে ...
বংশধারা এবং পরিবেশ কাকে বলে? “শিক্ষার্থী হল বংশধারা এবং পরিবেশের মিথস্ক্রিয়ার গুণফল”—উক্তিটি ব্যাখ্যা করাে।
বংশধারা জন্মগত সূত্রে আমরা বাবা-মায়ের কাছ থেকে যে গুণাবলি পাই সাধারণ অর্থে তাকেই বংশধারা বলে| ডগলাস এবং হল্যান্ডের মতে—পিতা-মাতা এবং পূর্বপুরুষের শারীরিক বৈশিষ্ট্য ও ক্ষমতা হিসেবে যা আমরা জন্মসূত্রে পাই তাই বংশধারা। উডওয়ার্থ এবং মার্কুইস বলেন—জীবনের শুরুতে মানুষের মধ্যে যা কিছু উপাদান থাকে, তাই বংশধারা| বংশধারার অর্থকে আরও স্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করতে হলে এর কৌশল সম্পর্কে ...
