পাঠক্রম কী? কারিকুলাম কথাটি কোন্ শব্দ থেকে নেওয়া হয়েছে এবং এর অর্থ কী? পাঠক্রমের সাংগঠনিক উপাদানগুলির সংক্ষিপ্ত বর্ণনা দাও।
পাঠক্রম ‘পাঠক্রম’ বলতে বােঝায় শিক্ষার্থীদের সমস্ত রকমের অভিজ্ঞতা যা তারা শ্রেণিকক্ষে, কর্মশালায়, খেলার মাঠে এবং শিক্ষকদের সঙ্গে যােগাযােগের মাধ্যমে লাভ করে। এই অর্থে সমগ্র বিদ্যালয়জীবনই পাঠক্রম যা শিক্ষার্থীর জীবনের সমস্ত ক্ষেত্রকেই স্পর্শ করে এবং সুসংহত ব্যক্তিত্ব গড়ে তােলে। আধুনিককালে শিক্ষাবিদদের মতে, পাঠক্রম হল ব্যক্তিজীবনের সার্বিক বিকাশে সহায়ক, সুনির্বাচিত অভিজ্ঞতা সমূহের যথার্থ সমন্বয়সাধন। ‘কারিকুলাম’ শব্দের উৎস ...
পাঠক্রমের শ্রেণিবিভাগ সম্পর্কে আলােচনা করাে।
পাঠক্রমকে প্রধানত দুটি ভাগে ভাগ করা হয়—লুক্কায়িত পাঠক্রম এবং ব্যক্ত বা লিখিত পাঠক্রম। লুক্কায়িত পাঠক্রম সাধারণ শ্রেণিকক্ষে এমন অনেক কিছুই ঘটে যা পূর্ব পরিকল্পিত নয়। অনেক সময় শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগতভাবে কাজ করতে উৎসাহ দেওয়া হয়। যেমন প্রজেক্টের কাজ, অ্যাসাইনমেন্ট ইত্যাদি। প্রতিটি শিক্ষক প্রত্যাশা করেন যে, এইসব কাজের মধ্যে দিয়ে শিক্ষার্থীদের জ্ঞান বৃদ্ধি হবে, দক্ষতা বিকশিত হবে ...
শিক্ষার লক্ষ্য বাস্তবায়নের উপায় হিসেবে পাঠক্রমের উপযােগিতা বিশ্লেষণ করাে।
শিক্ষার লক্ষ্য বাস্তবায়নে পাঠক্রমের উপযােগিতা পাঠক্রমের উদ্দেশ্যই শিক্ষার লক্ষ্য বাস্তবায়িত করা। আধুনিক শিক্ষাবিজ্ঞানে শিক্ষার বহুমুখী লক্ষ্যের উল্লেখ করা হয় বিকাশমূলক লক্ষ্য, জ্ঞানার্জনের লক্ষ্য, সামাজিক লক্ষ্য, কৃষ্টিমূলক লক্ষ্য, বৃত্তিমূলক লক্ষ্য ইত্যাদি। শিক্ষার এই লক্ষ্য বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে পাঠক্রমের গুরুত্ব সম্পর্কে নীচে আলােচনা করা হল一 (১) বিকাশমূলক লক্ষ্য ও পাঠক্রমের উপযােগিতা : শিক্ষার বিকাশমূলক লক্ষ্য বলতে বােঝায় শিশুর ...
পাঠক্রমের গতানুগতিক ধারণা এবং আধুনিক ধারণার মধ্যে পার্থক্য কী কী? প্রাপ্ত সুযােগসুবিধার ভিত্তিতে কীভাবে পাঠক্রম রচনা করা যায়?
পাঠক্রমের গতানুগতিক ও আধুনিক ধারণার মধ্যে পার্থক্য পাঠক্রমের গতানুগতিক ধারণা পাঠক্রমের আধুনিক ধারণা প্রাপ্ত সুযােগসুবিধার ভিত্তিতে পাঠক্রম প্রণয়ন পাঠক্রম প্রণয়নের সময় যেসব সুযােগসুবিধার কথা বিবেচনা করা হয় তা নীচে আলােচনা করা হল一 (১) প্রাতিষ্ঠানিক সুবিধা : পাঠক্রম প্রণয়নের সময় যে বিষয়গুলির প্রতি বিশেষ নজর দেওয়া প্রয়ােজন তার মধ্যে অন্যতম হল প্রাতিষ্ঠানিক সুবিধা। প্রাতিষ্ঠানিক সুবিধা বলতে ...
পাঠক্রম প্রণয়নের ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীর চাহিদা ও সামর্থ্য কতখানি গুরুত্বপূর্ণ? অথবা, পাঠক্রম সংগঠনে শিশুর চাহিদা ও সামর্থ্যের গুরুত্ব সম্পর্কে আলোচনা করাে।
পাঠক্রম প্রণয়নে শিক্ষার্থীর চাহিদা ও সামর্থ্যের গুরুত্ব বর্তমানে শিক্ষার্থীকেন্দ্রিক শিক্ষায় শিক্ষার্থীর পরিগমন, আগ্রহ, চাহিদা, প্রবণতা, মানসিক সামর্থ্য প্রভৃতি বিষয়ের কথা মাথায় রেখে পাঠক্রম প্রণয়ন করা হয়। শিক্ষার্থীর চাহিদা ও সামর্থ্য পাঠক্রম প্রণয়নের ক্ষেত্রে কী ভূমিকা পালন করে তা নীচে আলােচনা করা হল- (১) চাহিদা : বিভিন্ন বয়সে শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের চাহিদা লক্ষ করা যায়। ...
